Related Question
View Allআসিয়ানের পূর্ণরূপ- Association of South-East Asian Nations.
পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে দুটি দেশের মধ্যে যে চুক্তি সম্পন্ন হয় তাকে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি বলা হয়।
বর্তমানে এ ধরনের চুক্তি বেড়েই চলেছে। কারণ সহযোগিতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর হলো দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি।
নেপালে গিয়ে রাহাতের গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মিলে গঠন করেছে সার্ক (SAARC)। এ দেশসমূহ হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ভুটান ও আফগানিস্তান। সার্ক সদস্য দেশগুলোর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করে।
উদ্দীপকের রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালের শিল্পকলা একাডেমিতে গান পরিবেশন করে, যা সার্কের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের আওতাভুক্ত। আর দুই দেশের পারস্পরিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যেই রাহাত বাংলাদেশ সরকারের একটি সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে নেপালে গান পরিবেশন করেন। এটি যুক্তিযৌক্তিক।
উক্ত কাজটি তথা সাংস্কৃতিক কাজটি ছাড়াও সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে কাজ করে উক্তিটি যথার্থ। সার্ক সংস্থাটির মূল লক্ষ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য। কল্যাণমূলক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা চালু করা। সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা গড়ে তোলা। উক্ত অঞ্চলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে কাজ করা। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও সমস্যা দূর করে পারস্পরিক সমঝোতা সৃষ্টি করা। উদ্দীপকে রাহাতের নেপালে গিয়ে গান পরিবেশন করা সার্কের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের অংশ। সংস্কৃতি ছাড়াও সংস্থাটির কর্মকান্ড সমাজ, শিক্ষা, যোগাযোগ, প্রযুক্তিসহ উন্নয়নের সর্বক্ষেত্রেই বিস্তৃত। অর্থাৎ সার্কের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি ও সম্ভাব বজায় রাখার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা।
বর্তমানে আধুনিক যুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। গড়ে তুলেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। যেমন- সার্ক, আসিয়ান, ইইউ, জাতিসংঘ ইত্যাদি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা।
প্রদত্ত ছকচিত্রে '?' চিহ্নিত স্থানে 'আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র' বিষয়টি বসরে। উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রসমূহ হলো- শিল্প-বাণিজ্য, নিরাপত্তা, জ্বালানি, তথ্য-প্রযুক্তি, কৃষি, পর্যটন, ক্রীড়া, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, পরিবহন ও যোগাযোগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও বিনিময়, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা, জলবায়ু ও পরিবেশ উন্নয়ন ইত্যাদি। বর্তমান আধুনিক যুগে কোনো রাষ্ট্রই এককভাবে তাদের প্রয়োজন সম্পন্ন করতে পারে না। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। উদ্দীপকের চিত্রে তথ্য-প্রযুক্তি, শিল্প-বাণিজ্য, নিরাপত্তা, জ্বালানি সংস্কৃতি, কৃষি, পর্যটন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ রয়েছে। যাদের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র। অতএব বলা যায়, প্রদত্ত ছকচিত্রে? চিহ্নিত স্থানে আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্র বিষয়টি বসবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
