সাধারণ ০-১৮ বছর বয়সের শিশু এবং ৬৫ বছরের উর্ধ্বে বয়সের জনসংখ্যাকে নির্ভরশীল জনসংখ্যা বলে।
বাংলাদেশের জনসংখ্যার বৈশিষ্ট্য
i. জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেলেও বৃদ্ধির হার হ্রাস পাচ্ছে।
আয়তন ও সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা বেশি।
iii. নারী-পুরুসের সংখ্যা প্রায় সমান।
iv. দেশের অর্ধেক লোক পরনির্ভরশীল।
vii. জন্মহার মৃত্যুহার অপেক্ষা কম হ্রাস পেয়েছে।
অধিকাংশ লোক গ্রামে বাস করে।।
vil উন্নত দেশগুলোর তুলনায় গড় আয়ুষ্কাল অনেক কম।।
বাংলাদেশ তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ। জনসংখ্যা সমস্যা এদেশের প্রধান জাতীয় সমস্যা।
জনসংখ্যা বৃদ্ধি বাংলাদেশে যেসব সমস্যা সৃষ্টি করে সেগুলো হলো-
১. জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে জমিগুলো ভাগ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে।
২. জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বাসস্থানের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাসম্মানের চাহিদা পূরণে কৃষি জমি ব্যবহারের ফলে কৃষি ভূমি হ্রাস পাচ্ছে।
৩. জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় খাদ্য ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।
৪. মাথাপিছু আয় হ্রাস পাচ্ছে। ফলে জীবন-যাত্রার নিম্নমান দেখা দিচ্ছে।
৫. মাথাপিছু আয় কম হওয়ায় সঞ্চয় কমে যাচ্ছে। ফলে বিনিয়োগ কম হওয়ায় কর্মসংস্থান কম হচ্ছে। ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৬. চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই প্রভৃতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৭. জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বৃক্ষনিধন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে পরিবেশ দূষণ ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
৮. শিক্ষার হার হ্রাস পাচ্ছে।
জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা যেন দ্রুত বৃদ্ধি না পায় তার ব্যবস্থা করা উত্তম। তাই জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধের জন্য নিম্নোক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে-
-জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির সফল প্রয়োগের মাধ্যমে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার রোধ করতে হবে।
- বিলম্ব বিবাহ ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
-বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ বন্ধ করতে হবে।
-নারী শিক্ষা ও নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
-ধর্মান্ধতা, পুত্র সন্তানের উপর নির্ভরশীলতা, বংশ রক্ষা প্রভৃতি কুসংস্কার দূরীকরণ করতে হবে।
- দেশের জনগণের চিত্তবিনোদনের নানাবিধ সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে।
সরকার ইতিমধ্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বেসরকারি সংস্থাগুলোও সচেতনতা বৃদ্ধি ও অতিরিক্ত জনসংখ্যার কুফলসমূহ প্রচার করছে।
Related Question
View Allনিজের বাসস্থান ছেড়ে অন্য স্থানে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস (গ্রাম থেকে শহরে বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে) করাই অভিবাসন।
বলপূর্বক অভিগমনে কিছু মানুষ শরণার্থী হয়।
বলপূর্বক অভিগমনে যথা- গৃহযুদ্ধ, সাম্প্রদায়িক বৈষম্য বা যুদ্ধের কারণে যে সমস্ত ব্যক্তি কোনো স্থানে সাময়িকভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে এবং সুযোগমত স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অপেক্ষায় থাকে তাদেরকে শরণার্থী বলে। যেমন- কক্সবাজারে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় গ্রহণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!