বাংলাদেশ প্রায় দুইশত বছর ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক শাসনাধীন ছিল। তখন ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার পেছনে এ দেশের কাঁচামালের যোগান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারপর বাংলাদেশ প্রায় দুই যুগ পাকিস্তানের শাসনাধীন থাকে এবং দুর্ভাগ্যবশতঃ তখনও পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশের জনগণের জন্য খুবই কম অংশ উন্নয়ন বাজেটের বরাদ্দ রাখত। এক সময় বাংলাদেশ দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা লাভ করে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে নেয়। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কাঠামোগত পরিবর্তন, শিল্প ও সেবাখাতের অবদান বৃদ্ধি, শিক্ষা খাতে সাফল্য, সমুদ্র বিজয়, আইসিটির ব্যাপক ব্যবহার, রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স অর্জন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস বাংলাদেশের ভবিষ্যত সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করেছে।

Updated: 5 months ago
উত্তরঃ

গ্রামীণ খাত হলো গ্রামীণ জনগণের অর্থনৈতিক কার্যাবলির সমষ্টি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে কৃষির অনগ্রসরতার মূল কারণ হলো কৃষিতে আধুনিকীকরণের অভাব। এছাড়া এদেশের কৃষকের দারিদ্র্য, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে অজ্ঞতা, উন্নত প্রযুক্তির অভাব ইত্যাদি কারণে কৃষিক্ষেত্রে অনগ্রসর অবস্থা বিরাজমান। বাংলাদেশের কৃষি এখনও সনাতনী অবস্থায় নিমজ্জিত বলে কৃষি দ্রব্য উৎপাদনকারী অন্যান্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। অর্থাৎ কৃষির আধুনিকীকরণ তাই আজ সময়ের দাবী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে স্বাধীনতা পূর্ববর্তীকালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার কারণগুলো নিচে নির্ণয় করা হলো-

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলার ভাগ্যে বিপর্যয় নেমে আসে। ইংরেজদের দ্বৈত শাসন, ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেয়। এ সময় বাংলায় উল্লেখযোগ্য কোনো শিল্প স্থাপিত হয়নি বরং বাংলার বিখ্যাত মসলিন কাপড়ের উৎপাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট তাঁতিদের বুড়ো আঙুল কেটে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ব্রিটিশরা এ সময় কৃষকদের নীলচাষে বাধ্য করে।

পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের বিদায়ের পর উপমহাদেশে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। মনে করা হয়েছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের সুসম্পর্ক ও পারস্পরিক বাজার সৃষ্টি হয়ে দুটি অঞ্চলের দ্রুত উন্নয়ন ঘটবে। কিন্তু দুটি অঞ্চলের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়তেই থাকে। বাণিজ্যে উদ্বৃত্তসম্পন্ন পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে বাণিজ্য ঘাটতির দিকে এগিয়ে চলে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, স্বাধীনতা পূর্ব সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পশ্চাৎপদতার মূল কারণ ছিল ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিদের বৈষম্যমূলক আচরণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনাগুলোকে নিচে মূল্যায়ন করা হলো-

বাংলাদেশের রয়েছে বিশাল এক জনগোষ্ঠী। এ জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য ইতিমধ্যে সরকার সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছে। এছাড়াও শ্রমশক্তি রপ্তানি করে অধিক রেমিটেন্স আয় করার লক্ষ্যে শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
বর্তমানে বাংলাদেশে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৬%। মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে হলে প্রবৃদ্ধির হার কমপক্ষে ৮% হতে হবে এবং সে লক্ষ্য অর্জনের জন্য ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা শুরু হয়েছে।বিশ্বব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদী প্রেক্ষিত রিপোর্ট "A long run respective study" অনুযায়ী ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশে কমপক্ষে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা আছে। উক্ত রিপোর্টে আরও বলা হয় প্রাকৃতিক গ্যাসখাতে বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ আগামী ৪ বছরে ২০০ কোটি ডলারে পৌছাতে পারে। এই সম্ভাবনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আশা করা যায় ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন, আহরণ এবং ব্যবহার করা সম্ভব হলে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কয়েক গুণ বেড়ে যাবে, যা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সহায়তা করবে।
সুতরাং উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, অর্থনৈতিক উন্নয়নের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
50

Related Question

View All
উত্তরঃ

দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্বাধীন দেশ হলো বাংলাদেশ। ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশের। অবস্থান বিস্তৃত। এ দেশের মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। সাগরের অবস্থান বাংলাদেশের দক্ষিণে হওয়ার কারণে এ দেশের অবস্থান প্রান্তীয়। বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম, পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
146
উত্তরঃ

উদ্দীপকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিষয়টি উপস্থাপিত হয়েছে। নিচে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রের প্রকৃতি তুলে ধরা হলো-

দারিদ্র্য যেকোনো দেশের জন্যই অভিশাপ। সাধারণত স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে। সেই দেশগুলোর জনগণের আয় অনেক কম থাকার কারণে সেসব দেশে সঞ্চয়ের পরিমাণও কম হয়। একটি দেশে যখন সঞ্চয়ের পরিমাণ কম হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই দেশে বিনিয়োগ কম হবে। বিনিয়োগ যখন কম হয়, তখন সেই দেশের জনগণ বেকার থাকে। তাদের কর্মসংস্থানের অভাব দেখা দেয়, ফলে নিয়োগ কম হয়। একটি দেশে নিয়োগ, কর্মসংস্থান কম থাকার অর্থ সে দেশের উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো অচল থাকে অথবা উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধও থাকতে পারে। ফলে উৎপাদন কম হয়। একটি দেশের উৎপাদন কম হলে আয় কম হবে, এটাই স্বাভাবিক। এভাবেই একটি দেশ দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ থাকে।
অতএব বলা যায়, একটি দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
119
উত্তরঃ

বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। অধিক জনসংখ্যা এ দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য। অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৭ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রায় ২৩.৫ ভাগ লোক বর্তমানে দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থান করছে।

এ দেশেও তাই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিদ্যমান রয়েছে। এ দেশে অধিক জনসংখ্যার কারণে শ্রম সস্তা। এই সস্তা শ্রমের কারণে জনগণের আয় কম। আয় কম হওয়ার কারণে সঞ্চয় কম। ফলে বিনিয়োগ কম। তবে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে, যার ফলে দেশের অধিক জনসংখ্যার কিছু অংশের কর্মসংস্থান রয়েছে। তার পরও প্রায় ৩ কোটির উপরে বেকার জনগোষ্ঠী এ দেশে রয়েছে। ফলে এই নিয়োগ কম হওয়ায় আশানুরূপ উৎপাদন হচ্ছে না। আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার কারণে জনগণের আয়ও কম হচ্ছে। এভাবেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বাংলাদেশকে ঘিরে রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করছে। দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র যত দিন বাংলাদেশ থেকে দূর না হবে, তত দিন বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
109
উত্তরঃ

বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় ১৭৫২ মার্কিন ডলার।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
122
উত্তরঃ

বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কৃষি। এদেশের মোট শ্রম শক্তির ৪৫.১% কৃষির উপর নির্ভরশীল এবং প্রায় ৭৫% মানুষ কৃষির উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। ২০১৬-১৭অর্থবছরে দেশের জিডিপির ১৪.৭৯% আসে কৃষি থেকে। বাংলাদেশের শিল্পের কাঁচামালের বেশিরভাগই আসে কৃষি থেকে। তাই বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
5 months ago
160
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews