বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালের জানুয়ারি থেকে পলিথিনের উৎপাদন, পরিবহন, মজুদ ও ব্যবহারকে আইন করে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। পলিথিন অপচনশীল বলে মাটির উর্বরা শক্তিকে বিনষ্ট করে, খাদ্যসামগ্রীতে পলিথিনের ব্যবহার ক্যান্সার, চর্মরোগসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায় এবং এরকম আরও বিভিন্ন সমস্যার কারণে পলিথিনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু ইদানীং আবার পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মারাত্মক হুমকির কারণ।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে হবে।

উত্তরঃ

সম্পদের অসম বণ্টন রোধ করা না গেলে দারিদ্র্য বৃদ্ধি পাবে বলে এটা প্রশমন করা প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়নের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো সম্পদের অসম বণ্টন। এ কারণে ধনী-গরিবের ক্রমবর্ধমান ব্যবধান দারিদ্র্যকে আরও প্রকট করে তুলছে। ধনী-গরিবের বিভক্তি প্রকট হওয়ার পাশাপাশি বিদ্বেষ-বিভেদও বাড়ছে। এসব সমস্যা প্রতিহত করার জন্যই সম্পদের অসম বণ্টন রোধ করা প্রয়োজন।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে এসডিজি অর্জনের যে চ্যালেঞ্জকে নির্দেশ করা হয়েছে সেটি হলো পরিবেশ দূষণ।

একটি দেশকে উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে হলে সামগ্রিক উন্নয়নের কথা ভাবতে হয়। আর টেকসই উন্নয়ন হলো সামগ্রিক উন্নয়নের কাঠামোবদ্ধ পরিকল্পনা। কিন্তু টেকসই উন্নয়নের পথে বেশকিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এর মধ্যে পরিবেশ দূষণ অন্যতম। উদ্দীপকে দেখা যায়, পলিথিনের নানা ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে ২০০২ সালে আইন করে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পলিথিন পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। আর টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে হলে এ ধরনের পরিবেশ দূষণের উপাদানকে নিষিদ্ধ করতে হবে। টেকসই উন্নয়নের পথে পরিবেশ দূষণ একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। সামাজিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করার প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকলে উন্নয়নের গতিরোধ হবে। তাই বলা যায়, পলিথিন পরিবেশকে দূষিত করে বলে উদ্দীপকে এসডিজি অর্জনের বড় চ্যালেঞ্জ পরিবেশ দূষণকেই নির্দেশ করা হয়েছে।

উত্তরঃ

হ্যাঁ, প্রশ্নের উক্তিটির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। 

টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণ ব্যতীত এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হয় না। উদ্দীপকে দেখা যায়, পলিথিনের ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে ২০০২ সালে আইন করে এর ব্যবহারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু জনসচেতনতার অভাবে বর্তমানে এর ব্যবহার আবার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের পথে অন্তরায়। কেননা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অংশীদারিত্ব। এ লক্ষ্য অর্জনে কেবল সরকার নয় বরং সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন। প্রত্যেকের সচেতনতা না থাকলে টেকসই উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যাবে না। যেমন- পরিবেশ দূষণ বাংলাদেশের জন্য টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মনুষ্যসৃষ্ট অসচেতনতামূলক কার্যক্রমের কারণেই। পরিবেশ দূষিত হয়। এক্ষেত্রে যদি পরিবেশ দূষণ রোধে সকলকে সচেতন করা না যায় তবে টেকসই উন্নয়নের পথ বাধাগ্রস্ত হবে। উদ্দীপকে এ বিষয়টিই তুলে ধরা হয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, সকলের অসচেতনতার কারণে পলিথিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা পরিবেশের জন্য বিরাট হুমকি। অংশীদারিত্বের অভাব থাকায় এ ধরনের কার্যক্রম এসডিজি অর্জনের পথকে কঠিন করে তুলবে বলেই আমি মনে করি।

272
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।

319
উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। তারা যদি উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে চায় তাহলে অংশীজন হিসেবে তাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। সেই দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে উন্নয়নে তাদের অংশীদারিত প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন কর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। তাই যার যতটুকু দায়িত্ব তা স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে পালন করতে হবে। সকলের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এসডিজি অর্জন করা অসম্ভব। তাই টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

371
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-১ ও ২ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ বিষয়টিকে নির্দেশ করছে।

এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের পারস্পরিক দায়িত্ব পড়েছে বাংলাদেশসহ জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশের ওপর। কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ এমনই একটি চ্যালেঞ্জ। দৃশ্যকল্প-১ এ' বালু দিয়ে নদী ভরাট করে জমি বিক্রি এবং দৃশ্যকল্প-২ এ ট্যানারির বর্জ্য পার্শ্ববর্তী খালে ফেলার দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে। এ দুটি বিষয়ই পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আর টেকসই উন্নয়নের একটি প্রধান ক্ষেত্র হলো পরিবেশ সংরক্ষণ করা। কিন্তু জনগণের অসচেতনতা এবং যথেচ্ছ আচরণের দরুন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে। তাই আমাদের পরিবেশ প্রতিনিয়তই দূষিত হচ্ছে। আর এ দূষণ রোধ করা বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের পথে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্পে এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। তাই বলা যায়, উক্ত বিষয়সমূহ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জের বিষয়টিকেই নির্দেশ করছে।

378
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-৩ সকলের অংশীদারিত্বের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যা বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এসডিজি অর্জনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সর্বত্র কল্যাণ নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এ লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। দৃশ্যকল্প-৩-এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেছে। এর মাধ্যমে তারা সুন্দর বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে পেরেছে। এটি এসডিজি অর্জনের পথকে মসৃণ করবে। এসডিজি অর্জন হলো সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। কেবল সরকারের একার পক্ষে তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশগ্রহণ করতে হবে এ লক্ষ্য অর্জন প্রক্রিয়ায়। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস ও অংশীদারিত্বই পারে এসডিজি অর্জনের পথকে গতিশীল করতে। উদ্দীপকে 'ক' সিটি কর্পোরেশনের অধিবাসীরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সম্মিলিত প্রয়াস ও দায়িত্ব-কর্তব্য পালন অংশীদারিত্বেরই নামান্তর, যা এসডিজি অর্জনকে ত্বরান্বিত করে। এর দ্বারাই নিশ্চিত হবে বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ।

পরিশেষে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে।

201
উত্তরঃ

সকলের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যায়। উন্নয়নকর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে এবং উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যাবে।

197
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews