'বাংলার মাটি সাহসী ও সংগ্রামী সন্তানদের দান'- মন্তব্যটি উদ্দীপক ও 'গরবিনী মা জননী' কবিতার আলোকে যথার্থ।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় মা-নাম ডাকা পাগল ছেলেরা দেশমাতৃকার প্রয়োজনে প্রাণ বিসর্জন দিতেও পিছপা হয় না। তারা বুলেট, ফাঁসির তোয়াক্কা না করে মাতৃভূমির মান বাঁচাতে নির্দ্বিধায় বরণ করে মরণ দণ্ড। বাংলা মায়ের এই সাহসী সন্তানদের জন্য দেশমাতৃকা সত্যিই গর্বিত।
উদ্দীপকের বাংলা মায়ের দুলালেরা সাহসী ও সংগ্রামী চেতনার অধিকারী। তাইতো কৰি এই তাদের প্রশংসায় মুখর হয়েছেন। এই দুলালরাই বাংলার বীর সন্তান, যারা প্রয়োজনে মাতৃভূমির জন্য বুকের রক্ত দিতেও দ্বিধা করে না। একইভাবে, আলোচ্য কবিতাটিতেও বাংলা মায়ের এই বীর সন্তানদের বন্দনা করা হয়েছে।
'গরবিনী মা, জননী' কবিতায় কবি দেশভক্ত সন্তানদের অবদান তুলে ধরেছেন। যুগে যুগে বাইরের শত্রুরা এদেশের উপর অন্যায় আগ্রাসন চালিয়েছে। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি। বাংলা মায়ের বীর সন্তানেরা অসীম সাহসে তাদের প্রতিরোধ করেছে। প্রয়োজনে জীবন দিতেও তারা পিছপা হয়নি। উদ্দীপকের কবিতাংশেও বিষয়টি একইভাবে ফুটে উঠেছে। উভয় ক্ষেত্রেই এমন বীর সন্তানদের উপর বাংলা মায়ের ভরসা এবং তাদের নিয়ে গর্ব প্রকাশিত হয়েছে। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।
Related Question
View Allসন্ধ্যা-দুপুর মার পায়ে ধুলোর নূপুর বাজে।
'রক্তে-ধোওয়া সরোজিনী' বলতে আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত দেশমাতৃকাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতার কবি দেশমাতৃকা বাংলাকে তুলনা করেছেন কোমল পদ্মের সাথে। দেশমাতৃকার মর্যাদা রক্ষার জন্য এদেশের সন্তানেরা অনেক সংগ্রাম করেছে, বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে। এ কারণেই কবি দেশমাতাকে 'রক্তে-ধোওয়া সরোজিনী' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদের মাধ্যমে 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় উল্লিখিত দেশমাতৃকার মুক্তির লক্ষ্যে যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকারের অঙ্গীকার করার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে।
সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় সর্বাবস্থায় বাংলা মাকে রক্ষার দৃঢ়প্রতিজ্ঞার কথা উঠে এসেছে। এই মায়ের মর্যাদা রক্ষার জন্য তাঁর সন্তানেরা অনেক কষ্ট স্বীকার করে। তবুও কোনো অন্যায় অবিচারকে তারা মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। দেশমাতৃকার জন্য প্রয়োজনে বুকের তাজা রক্ত উৎসর্গ করতেও তাদের দ্বিধা নেই। উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদ তার মাকে অনেক ভালোবাসে। মায়ের মুখের হাসির জন্য সে যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত। এমন মাতৃভক্তির প্রকাশ 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায়ও লক্ষ করা যায়। সাজিদের বক্তব্যে কবিতার এ বিশেষ দিকটিই ফুটে উঠেছে।
প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও উদ্দীপক ও 'গরবিনী মা-জননী' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই মায়ের মহিমা ও তাঁর প্রতি সন্তানের গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তি প্রকাশ পেয়েছে।
সিকান্দার আবু জাফর রচিত 'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় দেশমাতৃকার বন্দনা প্রকাশিত হয়েছে। মাতৃভূমি মমতা দিয়ে তাঁর সন্তানদের বুকে আগলে রাখেন। দেশমাতৃকার মর্যাদা রক্ষায় তাই তার সন্তানেরাও থাকে অবিচল।
উদ্দীপকে বর্ণিত সাজিদ তাঁর মায়ের অসামান্য ত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন। শত প্রতিকূলতার মাঝেও তাঁর রত্নগর্ভা মা সন্তানদের মানুষ করেছেন। সাজিদ তাই মায়ের প্রতি সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে অঙ্গীকার করেছেন- মায়ের মুখের হাসি ফোটাতে তিনি যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকবেন।
'গরবিনী মা-জননী' কবিতায় দেশকে মায়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে। মা-ই পৃথিবীতে আমাদের সবচেয়ে আপনজন। মায়ের মতো দেশও আলো-বাতাস দিয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে। তাই মাকে আমরা যেমন ভালোবাসি দেশের জন্যও আমাদের তেমন ভালোবাসাই জ্ঞাপন করতে হবে। মায়ের জন্য আমরা যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকব। দেশের মর্যাদা রক্ষার জন্য নিজিদের বিলিয়ে দিতে থাকব। উদ্দীপকে মায়ের কথা বলা হয়েছে, আর আলোচ্য কবিতায় দেশমাতৃকার কথা। তবে উভয় ক্ষেত্রেই মায়ের জন্য একই অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সার্বিক বিবেচনায় তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
সবুজ তৃণ মায়ের আঁচল কোণে লেগে থাকে।
সাহসী ও সংগ্রামী সন্তানদের কারণে বাংলাদেশ গর্বিত।
বিভিন্ন পেশাজীবী সন্তান দেশমাতৃকার কোল জুড়ে থাকে। এই মাকে রক্ষা করার জন্য এই সন্তানরা শত কষ্ট সহ্য করে। কোনো অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারকে তারা মেনে নিতে পারে না। দেশের জন্য তারা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিতেও দ্বিধা করে না। দেশমাতৃকাকে সমস্ত দুঃশাসন থেকে রক্ষার জন্য মায়ের সন্তানরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা যেকোনো দুঃসময়ে জেল জুলুম ফাঁসির দণ্ড মাথায় নিয়ে নিজের সুখ শান্তি ও আলস্য পরিহার করে দেশের জন্য আত্মত্যাগ করতে দ্বিধা করে না।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

