দরগাতলা পার হয়ে কবি বাঁ দিকে মোড় নিয়েছেন।
প্রকৃতির টানে কবি ছিটকিনিটা খুলে ঘর পেরিয়ে গেলেন।
কবি হঠাৎ করে প্রকৃতির সৌন্দর্য অবলোকন করে স্তম্ভিত হয়ে যান। নারকেল গাছের মাথার উপরে ঠান্ডা ও গোলগাল চাঁদ দেখে প্রকৃতির প্রতি টান অনুভব করেন। তাঁর কাছে মনে হয় প্রকৃতি নতুন করে সেজেছে। নতুনভাবে প্রকৃতি নিজেকে উপস্থাপন করেছে। কবি নিজেকে সেই সৌন্দর্য থেকে বঞ্চিত করতে চাননি। তাই কবি ছিটকিনিটা খুলে ঘর পেরিয়ে গেলেন।
উদ্দীপকে 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতার প্রকৃতিপ্রেমের দিকটি ফুটে উঠেছে।
প্রকৃতির সৌন্দর্য অতুলনীয়। প্রকৃতি সৌন্দর্যের আধার, সীমাহীন তার পরিসর। তাই মানুষের আনন্দের একমাত্র সহায় প্রকৃতি প্রকৃতি মানুষকে আগলে রাখে সবসময়।
উদ্দীপকে স্বদেশপ্রকৃতির বন্দনার মধ্য দিয়ে দেশের প্রতি ভালোবাসা ব্যক্ত হয়েছে। দেশের নদী, গাছ, ফুল-ফল, মাঠ-ঘাট ইত্যাদির সীমাহীন সৌন্দর্য যেন ব্যক্তিকে নিজের মধ্যে হারিয়ে যেতে উৎসাহী করে। 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতায়ও প্রকৃতির অপার টান কবিকে মুগ্ধ করেছে। কবি প্রকৃতিকে এক নতুন রূপে আবিষ্কার করেছেন। তাঁর কাছে চাঁদ, মিনার, পাহাড়, দিঘি সবকিছুই যেন অন্যরকমভাবে নতুন মনে হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতার প্রকৃতিপ্রেমের দিকটি ফুটে উঠেছে।
'উদ্দীপক ও 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই প্রাধান্য পেয়েছে"- মন্তব্যটি যথার্থ।
প্রকৃতির মাঝে মানুষ নিজের মনের কাঙ্ক্ষিত সৌন্দর্য খুঁজে পায়। সেই সময় মানুষ প্রকৃতির কাছে আশ্রয় নেয়। তাই প্রকৃতিই মানুষের আত্মার বন্ধু।
উদ্দীপকে দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বন্দনা করা হয়েছে। দেশের নদী-নালা, ফুল-ফল, গাছ-পাতা ইত্যাদির মনোহর সৌন্দর্য দেখে কবির প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে মন চায়। 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতায় কবি প্রকৃতিকে আবিষ্কার করেছেন আলাদা রূপ-মাধুর্যে। তাঁর কাছে মনে হয়েছে তাঁর চিরচেনা প্রকৃতি একটু ভিন্নভাবে সেজে যেন তাঁকে আহ্বান করছে। পুরো-শহর, মিনার, আকাশের চাঁদ, পাহাড়, জোনাকি সবকিছুই যেন তাঁকে নিজেদের ভিন্নতর রূপ প্রদর্শন করে কাছে ডাকছে।
উদ্দীপকে দেশের প্রকৃতির সৌন্দর্যের কথা বলা হয়েছে। 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতায়ও প্রকৃতির সৌন্দর্যের বিষয়টিই মুখ্য হয়ে উপস্থাপিত হয়েছে। উদ্দীপকে দেশের প্রতি বিমোহিত হওয়ার কথা বলা হলেও তার মূল বিষয়বস্তু প্রকৃতি। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ও 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই প্রাধান্য পেয়েছে।
Related Question
View Allআমার পঠিত 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতায় রক্তজবার ঝোপের কাছে আজ কাব্য হবে।
করি আল মাহমুদের দৃষ্টিতে প্রকৃতির সাথে মানুষের পরম আত্মীয়তার সম্পর্ক বিদ্যমান।
'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতায় কবির নিসর্গপ্রেম গভীর মমত্বের সঙ্গে ফুটে উঠেছে। কবি প্রকৃতির বিচিত্র সৌন্দর্যের কাছে যেতে চান, তাদের সঙ্গে মিশে যেতে চান। কবির দৃষ্টিতে প্রকৃতি যেন মানুষের পরম আত্মীয়।
কবিতাংশ দুটিতে পল্লি-প্রকৃতির বিচিত্র রূপ ফুটে উঠেছে।
প্রকৃতির বিচিত্র রূপ পরিলক্ষিত হয় এই পৃথিবীতে। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষ আত্মীয়তার সম্পর্ক অনুভব করে। প্রকৃতি নানাভাবে মানুষের মনকে প্রভাবিত করে।
উদ্দীপকের প্রথম অংশে কবি পরম মমতায় পল্লি-প্রকৃতির রূপ বর্ণনা করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে লালদিঘির পাড় ঘেঁষেই পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে। তার একটু সামনে এগুলেই থোকায় থোকায় জোনাক পোকা দেখা যায়। আর দিঘির কালো জল যেন কলকলিয়ে কবির সঙ্গে কথা বলে। উদ্দীপকের দ্বিতীয় অংশের কবিতাংশেও পল্লি-প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে। সেখানে দেখা যায় বাঁশবাগান, তার মাঝখান দিয়ে আধখানা চাঁদ ঝুলে রয়েছে। ঝোপঝাড়ে জোনাকিরা আলো জ্বেলে ঘুরে বেড়ায়।
'কবিতাংশ দুটিতে কবিদ্বয়ের নিসর্গ-প্রেম ফুটে উঠেছে'-উক্তিটি যথার্থ।
প্রকৃতির আশ্রয়ে মানুষ বেড়ে ওঠে। প্রকৃতি নানাভাবে মানুষকে সাহায্য করে। কখনো আনন্দের কখনো দুঃখের সাথি হয় প্রকৃতি। আবার নতুন কোনো কাজের উৎসাহও মানুষ প্রকৃতির কাছ থেকে পেয়ে থাকে।
উদ্দীপকের প্রথম কবিতাংশে কবি পল্লি-প্রকৃতির বিচিত্র রূপ সযত্নে বর্ণনা করেছেন। প্রকৃতির প্রতি গভীর মমত্ববোধ থেকেই কবি প্রকৃতির - রূপ উপস্থাপন করেছেন। লালদিঘির পাড়ে পাহাড়, জোনাক পোকার দল, দিঘির কালো জলের শব্দ- সবকিছু প্রকাশেই কবির নিসর্গপ্রেম ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের দ্বিতীয় কবিতাংশেও কবি' নিসর্গের বর্ণনা দিয়েছেন। বাঁশবাগান, চাঁদ, জোনাক পোকার আলো জ্বেলে ঘুরে বেড়ানো এগুলো কবির নিসর্গপ্রেমকেই প্রকাশ করে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের কবিতাংশ দুটিতে কবিদ্বয়ের নিসর্গপ্রেম ফুটে উঠেছে। সুতরাং মন্তব্যটি যথার্থ।
কবি আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
কবি 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতায় নিসর্গপ্রেম বলতে প্রকৃতির প্রতি তাঁর মমত্ব ও প্রেমের কথা বুঝিয়েছেন।
বাংলাদেশের লোকজ জীবন ও পল্লিপ্রকৃতি আল মাহমুদের কবিতার প্রাণ। পল্লির স্নিগ্ধ-শ্যামল রূপ তাঁর কবিতায় সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। কবি প্রকৃতির বিচিত্র সৌন্দর্যের কাছে যেতে চান, তাদের সঙ্গে মিশে যেতে চান। 'পাখির কাছে ফুলের কাছে' কবিতায় কবির এই নিসর্গপ্রেমের প্রগাঢ় পরিচয় পাওয়া যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!