বাংলা নববর্ষ বাঙালির গুরুত্বপূর্ণ উৎসব। বাংলা সন কে কবে প্রচলন করেছিলেন এ নিয়ে মতান্তর থাকলেও ধরে নেওয়া হয় সম্রাট আকবরের সময় এই সনের গণনা আরম্ভ হয়। নববর্ষে হালখাতা, বৈশাখী মেলা, ঘোড়দৌড়, বিভিন্ন লোকমেলার আয়োজন করে সাধারণ মানুষ এই উৎসবকে প্রাণে ধারণ করেছে। আজকের বাংলাদেশ যে স্বাধীন হতে পেরেছে, তার পেছনেও নববর্ষের সক্রিয় প্রেরণা কাজ করে। কারণ, পাকিস্তানিরা বাঙালির এই প্রাণের উৎসবকে নস্যাৎ করার জন্য তীব্র ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল। এর প্রতিবাদে রুখে দাঁড়িয়েছিল বাঙালিরা।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

'শভিনিস্টিক' শব্দের অর্থ আত্মগৌরব মতবাদী।

উত্তরঃ

"সুদূর অতীতে এর সঙ্গে কৃষি সমাজের যোগসূত্র ছিল অবিচ্ছেদ্য।"- উক্তিটি দ্বারা প্রাচীন কৃষি সমাজের শীতকালীন নির্জীবতার পর নবজীবনের আবির্ভাবের ধারণার সঙ্গে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের বিষয়টির সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়েছে।

কৃষিনির্ভর এদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সেই প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ধারণা তৈরি হয়। কালের পথ পরিক্রমায় এর উদযাপন রীতিতে নানা পালাবদল ঘটেছে এবং এটি বিভিন্ন মাত্রিকতা অর্জন করেছে। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে এই উৎসব সব বাঙালির। এটি বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা ও স্বাদেশিকতারও ধারক। আর এই কারণেই বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য সুপ্রাচীন ও গৌরবমন্ডিত।

উত্তরঃ

'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধে প্রকাশিত বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসবটি উদ্দীপকে প্রায় সবটুকুই লক্ষণীয়। নববর্ষ সব দেশের সব জাতির আনন্দ উৎসবের দিন, সব মানুষের কল্যাণ কামনার দিন। বিশ্বের সব মানুষের সুখ-শান্তি-সমৃদ্ধি ও কল্যাণের প্রত্যাশা করা হয় নববর্ষ উৎসব উদযাপন অনুষ্ঠানে। বাঙালিরা প্রতিবছর বাংলা প্রথম মাসের প্রথম দিন পয়লা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ উৎসব উদ্যাপন করে।

উদ্দীপকে বাংলা নববর্ষ উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বর্ণনা করা হয়েছে। এখানে এই উৎসবের ঐতিহাসিকতা, সম্রাট আকবরের বাংলা সন গণনা, নববর্ষে হালখাতা, বৈশাখী মেলা, ঘোড়দৌড়, বিভিন্ন লোকমেলার আয়োজন ইত্যাদি বিষয় উদ্দীপকে নির্দেশিত হয়েছে। 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধেও লেখক এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। এই প্রবন্ধে পাকিস্তান আমলে বাংলা নববর্ষ উৎসব উদ্যাপনে বাধা দেওয়া, উৎসব পালন করতে না দেওয়ার যে বিষয় প্রকাশ পেয়েছে সেই দিকটিও উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে। ধর্ম-বর্ণ, জাতি, পেশা নির্বিশেষে সব মানুষের প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ উৎসব। বাঙালিরা মহা সমারোহে প্রতিবছর 'পয়লা বৈশাখ' বাংলা নববর্ষ উৎসব উদ্যাপন করে। এই দিনে একসঙ্গে সারা দেশ আনন্দে মেতে ওঠে। এই উৎসবে প্রত্যেকে একে অন্যের প্রতি সহমর্মিতা ও সৌহার্দ প্রকাশ করে। উদ্দীপকে এই বিষয় প্রকাশ পায়নি। বাঙালিদের নববর্ষ উৎসবে পালনের বিরোধিতা করা এবং বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে তার প্রতিবাদ করার বিষয়টি 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধ এবং উদ্দীপকে অভিন্নভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এসব কারণে তাই বলা যায়, 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধের প্রায় পুরো বিষয়ই উদ্দীপকে প্রকাশ পেয়েছে।

উত্তরঃ

"উদ্দীপকে উল্লিখিত বাঙালি জাতীয়তায় নববর্ষের সক্রিয় প্রেরণাটি 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য সুপ্রাচীন ও গৌরবমণ্ডিত। কালের পথপরিক্রমায় এবং উদযাপনের রীতির পরিবর্তন ধারায় বাংলা নববর্ষ উৎসব বর্তমানে বহুমাত্রিকতা লাভ করেছে। কৃষিনির্ভর এদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করা হয়। বাংলা নববর্ষ বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা ও স্বাদেশিকতারও ধারক।

উদ্দীপকে বাংলা নববর্ষ উৎসবের বর্তমান ও অতীত অবস্থা নির্দেশ করে এই উৎসবের বিরোধিতাকারীদের বিরুদ্ধে বাঙালিদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন কীভাবে ধীরে ধীরে পূর্ববাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং বাঙালি জাতিসত্তা গঠনের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তা তুলে ধরা হয়েছে। উদ্দীপকের চেতনা 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধে প্রতিফলিত চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। আলোচ্য প্রবন্ধে নববর্ষ উদ্যাপনে যে পালাবদলের কথা বলা হয়েছে, তা উদ্দীপকে বাংলা নববর্ষ পালনের বর্তমান অবস্থাকে নির্দেশ করে। বিশ শতকের প্রথমার্ধে বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী অনুষঙ্গের সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চেতনা যুক্ত হয়েছিল। তখন এই অঞ্চলের শিক্ষিত মানুষ ধর্ম ও সম্প্রদায় নিরপেক্ষভাবে একটি প্রতিবাদী মনোভাব নিয়ে পরম উৎসাহে এই উৎসব পালন করে।

'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধে লেখক বাংলা নববর্ষে ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের বাইরে এসে মানুষ হিসেবে বাঙালিদের মধ্যে সবার সঙ্গে সবার বন্ধনের দিকটি তুলে ধরেছেন। এই বিষয়টি উদ্দীপকেও প্রতিফলিত হয়েছে। নববর্ষ উদ্যাপনের রীতিটি বাঙালির একান্ত নিজস্ব রীতি এবং তা ঐতিহ্যবাহী ও গৌরমণ্ডিত। এই উৎসব পালনে বাঙালি ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচয় দেয়। শোভাযাত্রা, মেলা, হালখাতা, সংগীতানুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এসব বৈশিষ্ট্যের পরিচয় পাওয়া যায়। এসব দিক বিচারে তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

360

প্রায় সব দেশে, সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে, সব সংস্কৃতিতেই নববর্ষ উদযাপনের প্রথা প্রচলিত আছে। অবশ্য উদ্যাপনের রীতি-প্রকৃতি ও পদ্ধতি-প্রকরণের মধ্যে তারতম্য আছে, তবু সর্বক্ষেত্রেই একটি মৌলিক ঐক্য আমাদের চোখে পড়ে। তা হলো নবজন্ম বা পুনর্জন্ম বা পুনরুজ্জীবনের ধারণা, পুরানো জীর্ণ এক অস্তিত্বকে বিদায় দিয়ে সতেজ সজীব নবীন এক জীবনের মধ্যে প্রবেশ করার আনন্দানুভূতি । টেনিসন যখন বলেন :
রিং আউট দি ওল্ড, রিং ইন দি নিউ, রিং, হ্যাপি বেলস্ এ্যাক্রস দি স্নো : দি ইয়ার ইজ গোয়িং, লেট হিম গো, রিং আউট দি ফল্স, রিং ইন দি ট্রু ॥
তখন তার মধ্যে আমরা সেটা লক্ষ করি । কবি রবীন্দ্রনাথ যখন বলেন :
এসো, এসো, এসো হে বৈশাখ ।
তাপসনিশ্বাসবায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে,
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক ॥ যাক ভুলে-যাওয়া গীতি,
যাক পুরাতন স্মৃতি,
অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক ॥
মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা,
রসের আবেশরাশি
অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা । শুষ্ক করি দাও আসি,
আনো আনো আনো তব প্রলয়ের শাঁখ ৷
মায়ার কুজ্‌ঝটিজাল যাক দূরে যাক ।।

তখন তার মধ্যে আমরা সেটা লক্ষ করি। একজন বলেছেন, পয়লা জানুয়ারিকে উদ্দেশ্য করে, আরেকজন লিখেছেন পয়লা বৈশাখকে মনের মধ্যে রেখে, কিন্তু কেন্দ্রীয় ভাবটি উভয়ক্ষেত্রেই এক।
পয়লা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ বাঙালির এক অনন্য উৎসব, তার অন্যতম জাতীয় উৎসব। এর ঐতিহ্য সুপ্রাচীন ও গৌরবমণ্ডিত। অবশ্য কালের যাত্রাপথ ধরে এর উদযাপন রীতিতে নানা পালাবদল ঘটেছে, বিভিন্ন সময়ে তা বিভিন্ন মাত্রিকতা অর্জন করেছে। সুদূর অতীতে এর সঙ্গে কৃষি সমাজের যোগসূত্র ছিল অবিচ্ছেদ্য। প্রাচীন কৃষিসমাজের শীতকালীন নির্জীবতার পর নবজীবনের আবির্ভাবের ধারণার সঙ্গে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের বিষয়টি সম্পর্কিত ছিল, একথা ভাবা অসঙ্গত নয় । এক সময় গ্রাম- নগর নির্বিশেষে বাংলার সব মানুষ, সে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ কি খ্রিষ্টান হোক, বাংলা নববর্ষের উৎসবে সোৎসাহে যোগ দিত। পরস্পরের বাড়িতে যাওয়া-আসা, শুভেচ্ছা, বিনিময়, খাওয়া-দাওয়া, নানা রকম খেলাধুলা ও আনন্দ উৎসব, মেলা ও প্রদর্শনী মিলে সারা বছরের অন্যান্য দিনগুলি থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র হয়ে এই দিনটি গৌরবমণ্ডিত হয়ে উঠত। সাড়ে তিনশ' বছরেরও বেশি আগে বিখ্যাত ঐতিহাসিক আবুল ফজল তাঁর আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে বাংলা নববর্ষকে এদেশের জনগণের নওরোজ বলে উল্লেখ করেছেন । অবশ্য তারও বহু শতবর্ষ আগে থেকে বাংলার মানুষ নানাভাবে এই দিনটি পালন করে আসছে।
কিন্তু পালা বদলের কথা বলছিলাম। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক রাজত্বের দিনগুলোর এক পর্যায়ে বাংলা নববর্ষ পালনের মধ্যে এদেশের শোষিত ও পরশাসিত জনগণের চিত্তে স্বাদেশিকতা ও জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছিল, যদিও সে সময়কার মুসলিম মানসে এর কোনো গভীর বা প্রত্যক্ষ অভিঘাত লক্ষ করা যায় না। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাংলা নববর্ষ উদযাপনকে অবলম্বন করে তার জাতীয়তাবাদী অনুষঙ্গের সঙ্গে যে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী চেতনা যুক্ত হয়েছিল, একটু লক্ষ করলেই তা বোঝা যায়। ১৯৪৭-এ উপমহাদেশ বিভক্তির ফলে পাকিস্তান সৃষ্টির পর সেদিনের পূর্ব পাকিস্তানে বাংলা নববর্ষ উদ্‌যাপন নিয়ে তৎকালীন নয়া উপনিবেশবাদী, ক্ষীণদৃষ্টি, ধর্মান্ধ, পাকিস্তানি শাসকবর্গ যে মনোভাব প্রদর্শন করেন তা একইসঙ্গে কৌতূহলোদ্দীপক ও ন্যক্কারজনক । তখন এ অঞ্চলের শিক্ষিত মানুষ ধর্ম ও সম্প্রদায় নিরপেক্ষভাবে একটি প্রতিবাদী মনোভাব নিয়ে পরম উৎসাহ ভরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে। এর মধ্য দিয়ে তারা তাদের বাঙালি জাতীয়বাদী চেতনাকে তুলে ধরেছে, তাদের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিচয় ঘোষণা করেছে, তাদের দীর্ঘদিনের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
আজ স্বাধীন বাংলাদেশেও এই দিনটি নানা কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। ব্যবসায়ী মহলে হালখাতা ও মিঠাই বিতরণের অনুষ্ঠান তো আছেই। তার পাশাপাশি আছে নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, প্রদর্শনী ও মেলার আসর, সঙ্গীতানুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি, আলোচনা সভা, বক্তৃতা- ভাষণ ইত্যাদি। তবে যে গ্রামবাংলা ছিল পয়লা বৈশাখের আনন্দানুষ্ঠানের প্রাণকেন্দ্র, আজ অর্থনৈতিক কারণে শহরে, বিশেষভাবে রাজধানী ঢাকায়, পয়লা বৈশাখকে উপলক্ষ করে এখন যে চাঞ্চল্য ও আনন্দ-উৎসব দেখা যায় তা নিতান্তই মেকি একথা বলা যাবে না, কিন্তু তার মধ্যে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত নাগরিকের বুর্জোয়া বিলাস ও ফ্যাশনের একটি বড়ো অংশ কাজ করছে সেকথা মানতেই হবে ।পয়লা বৈশাখকে এ অবস্থা থেকে উদ্ধার করা প্রয়োজন। বৃহত্তর জনজীবনের সঙ্গে, শ্রমজীবী মানুষের আন্তরসত্তার সঙ্গে এর রাখিবন্ধনকে আবার নতুন করে বাঁধতে হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের আজ বাংলা নববর্ষের মধ্যে সচেতনভাবে নতুন মাত্রিকতা যোগ করতে হবে। বাংলা নববর্ষের উৎসব যে বিশেষভাবে ঐতিহ্যমণ্ডিত, শ্রেণিগত অবস্থান নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের উৎসব, এর একান্ত ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র যে অত্যন্ত তাৎপর্যময় আজ সেকথাটা আবার জোরের সঙ্গে বলা চাই। নিজেকে একবার একজন হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী বাংলাদেশের মানুষ হিসেবে ভেবে দেখুন, তাহলেই এর শভিনিস্টিক দিকটি বুঝতে পারবেন। অথচ এ অঞ্চলের ঐতিহ্য তো তা নয়। ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদী বেনিয়া শক্তির সামনে স্বাধীন বাঙলার সূর্য ডুবে যাওয়ার পূর্ব মুহূর্তে সিরাজদ্দৌলা শেষবারের মতো লড়াই করার জন্য ডাক দিয়েছিলেন হিন্দু-মুসলমান উভয়কে। আমাদের ঐতিহ্য তো মীর মদন ও মোহন লালের, তিতুমীর ও মঙ্গল পাণ্ডের, গোবিন্দ দেব ও মুনীর চৌধুরীর । তবে কেন এখন এরকম ঘটছে? পাকিস্তানি আমলের ধর্মের নামে নৃশংসতার ইতিহাস ভুলে যাওয়া কি এতই সহজ?
বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব বাংলা নববর্ষ উদযাপন আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ চেতনাকে অপরাজেয় শক্তি ও মহিমায় পূর্ণ করুক, এই হোক আমাদের শুভ কামনা। জয় পয়লা বৈশাখ।

Related Question

View All
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews