সংবাদ প্রভাকর ছিল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি দৈনিক বাংলা সংবাদপত্র। ১৮৩১ সালে একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে এটি চালু হয় এবং আট বছর পর ১৮৩৯ সালে এটি একটি দৈনিক সংবাদপত্রে রূপান্তরিত হয়। এটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র
বাংলাদেশের প্রধান সংবাদ সংস্থার নাম- বাসস। বাংলাদেশের অন্যান্য সংবাদ সংস্থা গুলো- ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সী ইউনাইটেড নিউজ অফ বাংলাদেশ (ইউ.এন.বি) আনন্দ বাংলা সংবাদ (আবাস) মিডিয়া সিন্ডিকেট, নিউজ ইডিয়া, বি.এন.এস প্রভৃতি ।
উপমহাদেশের প্রথম সংবাদ পত্র- বেঙ্গল গেজেট ১৭৮০ সালে প্রকাশিত হয়।
উপমহাদেশের প্রথম বাংলা সংবাদ পত্রের নাম- সমাচার দর্পণ (১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়)।
"জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব” এ উক্তিটি 'শিখা' পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় লেখা থাকতো ।
একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম সংকলনের সম্পাদক ছিলেন- হাসান হাফিজুর রহমান।
দেশ বার্তা নামক বাংলা পত্রিকা কোন দেশে প্রকাশিত হয় - লন্ডনে।
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র- দিকদর্শন।
বাংলা ভাষার প্রকাশিত দৈনিক সংবাদপত্র সংবাদ প্রভাকর (১৮৩৯ সালে)।
বাংলাদেশ ভূখন্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র - রংপুর বার্তাবহ।
গ্রামবার্তা পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন- কাঙ্গাল হরিনাথ।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র- ঢাকা প্রকাশ।
প্রমথ চৌধুরীর 'বীরবলী' রীতির প্রচার মাধ্যম হিসাবে সবুজপত্র ভূমিকা রাখে।
বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলন হিসেবে সবুজপত্র পত্রিকার অবদান বেশি।
কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফ্ফর আহমদ একত্রে সম্পাদন করেছিলেন- নবযুগ।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত পত্রিকা ক্রান্তি, লোকায়ত সাময়িক পত্রটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
সমকাল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সিকান্দর আবু জাফর।
ঢাকায় বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের মুখপত্ররূপে প্রকাশিত - পত্রিকাটির নাম শিখা।
বাংলাদেশে মহিলাদের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা- 'বেগম' এর সম্পাদক ছিলেন নূরজাহান বেগম।
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ষান্মাসিক পত্রিকা- 'ধান শালিকের দেশে' শিশুতোষ পত্রিকা।
ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা মানিক মিয়া হলেও প্রকৃত নাম- তোফাজ্জল হোসেন।
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ইংরেজি পত্রিকার নাম “Bangladesh Observer”.
'দি ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক- এম. হোসেন আলী।