ঘরবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ও মানুষ-প্রকৃতির মধ্যে অবাধ বিচরণের আকাঙ্ক্ষাতেই অমলের বাইরের পৃথিবীর প্রতি এত আকর্ষণ।
অসুস্থতার কারণে কবিরাজের নির্দেশে অমলকে প্রায় ঘরবন্দি জীবন কাটাতে হয়। কিন্তু স্বাভাবিকভাবেই তার কিশোর মন ঘরে আবদ্ধ থাকতে চায় না। সে চায় প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে ঘুরে বেড়াতে। কৌতূহলী চোখে মুক্ত পৃথিবীকে দেখতে ও জানতে। বন্দিত্বের অভিশাপ থেকে স্বাধীনতা লাভের আকাঙ্ক্ষা সদাজাগ্রত বলেই অমলের বাইরের পৃথিবীর প্রতি দুর্বার আকর্ষণ।
অমলের কিশোর মনে মুক্ত পৃথিবীর স্বাদ নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা রয়েছে বলে বাইরের পৃথিবীর প্রতি তার সীমাহীন আকর্ষণ।
Related Question
View Allঅমলের কিশোর মনের স্বাভাবিক সরলতা, কল্পনাপ্রবণতা, প্রকৃতির প্রতি সহজাত আকর্ষণ ও আন্তরিক ব্যবহার দইওয়ালাকে অমলের প্রতি মুগ্ধ করে তোলে।
'অমল ও দইওয়ালা' নাটিকায় অমল একজন অসুস্থ কিশোর। কবিরাজের নিষেধের কারণে সে বাইরে যেতে পারে না। তার ঘরবন্দি জীবনে একদিন এক দইওয়ালার আগমন ঘটে। রাস্তা দিয়ে হেঁকে যাওয়া দইওয়ালাকে সে তার মনের ইচ্ছার কথা বলে। দই খাওয়ার পয়সা কিংবা ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও দইওয়ালাকে ডেকে আনায় সে কিঞ্চিৎ বিরক্তি প্রকাশ করলেও অমলের সরল কৌতূহল ও জিজ্ঞাসা তাকে অমলের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। অমল দইওয়ালার গ্রামের খবর জানতে চায়। নিজের কল্পনাপ্রবণ মনে সে দইওয়ালার গ্রামের দৃশ্য বর্ণনা করে। দইওয়ালা অবাক হয়ে তার বর্ণনা শোনে যা অনেকটাই বাস্তবের সঙ্গে মিলে যায়। অমল তার কাছে দইওয়ালা হওয়ার আগ্রহের কথা জানায়। দইওয়ালা অমলকে লেখাপড়া শিখে পণ্ডিত হওয়ার পরামর্শ দিলেও অমলের কাছে সুর করে দই বেচার পেশাকেই আনন্দদায়ক মনে হয়। দইওয়ালার হাঁককে সে পাখির ডাকের মতো উদাসী সুরের সঙ্গে কল্পনা করে। দইওয়ালা অমলের এমন সরল ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে যায়। সে অমলের কাছে নতুন করে শেখে দই বেচার আনন্দ।
অমলের কিশোর মনের সহজাত কৌতূহল ও সরল চিন্তায় দইওয়ালা নিজের পেশার আনন্দ সম্পর্কে নতুন করে অবগত হয় ও অমলের প্রতি তার স্নেহ জন্মায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!