যে সুনিব্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা কোনো বিষয়ে বক্তার সম্পূর্ণ মনোভাব প্রকাশিত হয় তাকে বাক্য বলে।
একটি সার্থক বাক্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। যথাঃ
১) আকাঙক্ষা
২) আসত্তি
৩) যোগ্যতা
আকাঙক্ষাঃ বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। যেমনঃ পৃথিবী সূর্যের চারদিকে -> পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
আসত্তিঃ বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি। যেমনঃ আছে কলম আমার কালো একটি - > আমার কাছে একটি কালো কলম আছে।
যোগ্যতাঃ বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনকে যোগ্যতা বলে। পদ সমষ্টির মধ্যে আকাঙক্ষা ও আসত্তি উপস্থিতি থাকলেও সেটি বাক্য হবে না যদি না তার যোগ্যতা থাকে।
যেমনঃ গরুগুলো ইলেকট্রিক তারের উপরে বসে আছে। বাক্যটি একটি অযোগ্য বাক্য কারন গরুর ইলেকট্রিক তারের উপরে বসে বসে থাকাটা অবাস্তব। - > পাখিগুলো ইলেকট্রিক তারের উপরে বসে আছে।
Related Question
View Allযে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। যথা:
১. সরল বাক্য ২. মিশ্র বা জটিল বাক্য ৩. যৌগিক বাক্য।
১. সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া তাকে সরল বাক্য বলে।
২. মিশ্র বা জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান বাক্য এবং একাধিক খণ্ড বাক্য বা আশ্রিত বাক্য থাকে তাকে মিশ্র বাক্য। বলে।
৩. যৌগিক বাক্য: পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলে যৌগিক বাক্য গঠিত হয়।
গঠনগত দিক দিয়ে বাক্যকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
বিপদ কখনও একা আসে না । = বিশেষ্য
আজ নয় কাল তাকে আসতেই হবে। = বিকল্প যোজক
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? = অনুসর্গ
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। = ক্রিয়াবিশেষণ
মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা ৷ = সর্বনাম
বুঝিয়াছিলাম মেয়েটির রূপ বড় আশ্চর্য। = ক্রিয়া
শাবাশ! দারুণ কাজ করেছ। = আবেগ
সানজিদা দ্রুত দৌড়াতে পারে। = ক্রিয়াবিশেষণ
বিপদ কখনও একা আসে না । = বিশেষ্য
আজ নয় কাল তাকে আসতেই হবে। = বিকল্প যোজক
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? = অনুসর্গ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!