পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদ বা শব্দের সমন্বয়ে যখন বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পায় তখন তাকে বাক্য বলে। যেমন- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীন দেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত। উপরের উভয় পদসমষ্টিই মনের ভাব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করছে। সুতরাং এদের প্রত্যেকটি এক-একটি বাক্য।
ক. সরল বাক্য, খ. জটিল বাক্য, গ. যৌগিক বাক্য।
ক. সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন- ছেলেটি দৌড়াচ্ছে। এখানে 'ছেলেটি' উদ্দেশ্য এবং 'দৌড়াচ্ছে' বিধেয়।
খ. জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
আশ্রিত বাক্য
যে পরিশ্রম করে
প্রধান খণ্ডবাক্য
সেই সুখ লাভ করে।
গ. যৌগিক বাক্য: পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা জটিল বাক্য সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন- কঠোর পরিশ্রম করব, তবুও ভিক্ষা করবো না।
Related Question
View Allযে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা বক্তার মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায় তাকে বাক্য বলে। গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। যথা:
১. সরল বাক্য ২. মিশ্র বা জটিল বাক্য ৩. যৌগিক বাক্য।
১. সরল বাক্য: যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা ও একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া তাকে সরল বাক্য বলে।
২. মিশ্র বা জটিল বাক্য: যে বাক্যে একটি প্রধান বাক্য এবং একাধিক খণ্ড বাক্য বা আশ্রিত বাক্য থাকে তাকে মিশ্র বাক্য। বলে।
৩. যৌগিক বাক্য: পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলে যৌগিক বাক্য গঠিত হয়।
গঠনগত দিক দিয়ে বাক্যকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
বিপদ কখনও একা আসে না । = বিশেষ্য
আজ নয় কাল তাকে আসতেই হবে। = বিকল্প যোজক
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? = অনুসর্গ
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। = ক্রিয়াবিশেষণ
মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা ৷ = সর্বনাম
বুঝিয়াছিলাম মেয়েটির রূপ বড় আশ্চর্য। = ক্রিয়া
শাবাশ! দারুণ কাজ করেছ। = আবেগ
সানজিদা দ্রুত দৌড়াতে পারে। = ক্রিয়াবিশেষণ
বিপদ কখনও একা আসে না । = বিশেষ্য
আজ নয় কাল তাকে আসতেই হবে। = বিকল্প যোজক
দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? = অনুসর্গ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!