বাচ্চা ফুটানোর ডিমগুলো নষ্ট হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো। (প্রয়োগ)

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে করবীর দাদী প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে মুরগির ডিম থেকে বাচ্চা ফুটায়। বাচ্চা ফুটাবার সময় অধিকাংশ ডিম নষ্ট হয়ে যায়। বাচ্চা ফুটানো ডিমগুলো নষ্ট হওয়ার কারণ নিচে ব্যাখ্যা করা হলো- ডিম অনুর্বর হলে তা থেকে বাচ্চা হয় না এবং তা নষ্ট হয়ে যায়। অনুর্বর ডিমে ভ্রূণ থাকে না বা অসম্পূর্ণ থাকে। ডিম অনুর্বর হওয়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ হলো-

  • মোরগ ও মুরগির মধ্যে দৈহিক মিলন না হলে উৎপাদিত ডিমে শুক্রাণু থাকে না। ফলে এ ডিম থেকে বাচ্চা হয় না।
  • যদি মোরগের শুক্রাণুর গুণগতমান দুর্বল বা শুক্রাণুর পরিমাণ বা ঘনত্ব কম হয় তবে ডিম অনুর্বর হয়।
  • ভারী জাতের মুরগির সাথে হালকা জাতের মোরগের যৌন মিলন হলে শুক্রাণু জরায়ুতে প্রবেশ না করার সম্ভাবনা থাকে, এতে ডিম অনুর্বর হয়।
  • মোরগ বা মুরগির চর্বি বেশি হলে ডিম অনুর্বর হয়।
  • মোরগ ও মুরগির সুষম খাদ্যের অভাব হলে উৎপাদিত ডিম অনুর্বর হয়। খাদ্যে ভিটামিন 'ডি', 'ই', সেলিনিয়াম ও খনিজ পদার্থের অভাব হলে ডিম অনুর্বর হয়। ডিম পানি দিয়ে ধুলেও অনুর্বর হয়। সংরক্ষণে কোনো সমস্যা হলে সে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে না। রোগাক্রান্ত মোরগ ও মুরগি থেকে উৎপাদিত ডিম অনুর্বর হয়।

এছাড়াও আকস্মিক স্থান পরিবর্তন, আবহাওয়া পরিবর্তন, দুর্যোগ, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন প্রভৃতি কারণে ডিম অনুর্বর হয়ে থাকে।
আবার প্রাকৃতিক উপায়ে ডিম ফোটানোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বজায় থাকে না। এর ফলেও ডিম নষ্ট হয়ে যায়। এক বছরের কম বয়সী মুরগি দ্বারা ডিমে তা দিলে তা থেকে বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে এবং ডিমগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এছাড়া বাহিরের পরিবেশ থেকে খুব বেশি গরম বা ঠাণ্ডা হলে বা তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা খুব উঠানামা করলে অনেক সময় বাচ্চা হয় না এবং এক সময় ডিমগুলো নষ্ট হয়ে যায়।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
1.2k

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
865
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
561
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
633
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
760
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
746
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews