সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড বিশিষ্ট কঠিন স্নেহ পদার্থকে চর্বি বলে।
জাঙ্ক ফুড হলো এমন একটি খাবার, যা এর স্বাস্থ্যগত মূল্যের চেয়ে স্বাদের ব্যাপারটি বেশি গুরুত্ব দেয়। এটি শরীরের জন্য ভালো নয়। বার্গারে উচ্চমাত্রায় প্রাণিজ চর্বি ও অধিক মাত্রায় শর্করা থাকে। এটি মোটেও সুষম খাবার নয় ও কিছুটা অস্বাস্থ্যকর। তাই একে জাঙ্ক ফুড বলা হয়।
রাশেদকে মাদক থেকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে তা নিচে দেওয়া হলো-
i. রাশেদকে একটি সুস্থ ও বিনোদনপূর্ণ পরিবেশে থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। যেখানে চাইলে হাতের কাছে মাদক পাওয়া যায় না এবং খেলাধুলা ও বিনোদনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে এমন পরিবেশ।
ii. মাদক নিরাময় হাসপাতাল অথবা কেন্দ্রে তাকে ভর্তি করতে হবে এবং খুব সহানুভূতির সাথে তার চিকিৎসা করতে হবে।
iii. ড্রাগ আসক্ত বন্ধুদের থেকে তাকে আলাদা রাখতে হবে।
iv. কোনোভাবে যেন তার হাতে মাদক না পৌঁছায় সে দিকে বাবা- মাকে লক্ষ রাখতে হবে।
V. নিয়মিত বাবা-মাকে রাশেদের সাথে সময় কাটাতে হবে। তার সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করতে হবে। তার ভালোলাগা ও খারাপ লাগার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।
উপরিউক্ত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করার মাধ্যমে রাশেদের মাদকাসক্ততা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে আমি মনে করি।
উদ্দীপকের তথ্যানুযায়ী,
বাদলের ওজন = ৬৪ কেজি
উচ্চতা = ১.৬ মিটার
বাদলের বি এম আই = ওজন (কেজি)
[উচ্চতা (মিটার)
৬৪
(১.৬)
= ২৫
আবার,
সুমনের ওজন = ৬৫ কেজি
উচ্চতা = ১.৭ মিটার
সুমনের বি. এম আই. = ওজন (কেজি)
[উচ্চতা (মিটার)]
৬৫
(১.৭)
= ২২.৪৯
আমরা জানি,
মানব দেহে চর্বির নির্দেশকই হলো বি এম আই। এখানে বাদলের বি এম আই (২৫) সুমনের বি এম আই (২২.৪৯) এর থেকে বেশি। তাই বলা যায়, বাদলের দেহে চর্বির পরিমাণ বেশি
Related Question
View Allকীভাবে ভর সূচি বা BMI নির্ণয় করা হয়?
ভর সূচি নির্ণয়ের সূত্র হলো: ভর সূচি = ওজন (কেজি) / (উচ্চতা (মি) x উচ্চতা (মি))।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭৫ মিটার হয়, তাহলে তার ভর সূচি হবে: ভর সূচি = ৭০ / (১.৭৫ x ১.৭৫) = ৭০ / ৩.০৬২৫ ≈ ২২.৮৬।
ভর সূচির ব্যবহার
প্রাপ্ত ভর সূচির মান ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর ওজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো সাধারণত এই মান ব্যবহার করে ওজন-সম্পর্কিত রোগ বা স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে থাকে।
জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ' এর অভাব জনিত একটি রোগ। জেরোফথ্যালমিয়ায়, বিটোটের দাগগুলি কনজাংটিভাল জেরোসিসের পরে দেখা দেয়। ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ফল, শাকসবজি, শস্যদানা ইত্যাদি উপস্থিত সেলুলোজ নির্মিত আঁশ বা তন্তুর ন্যায় অপাচ্য অংশই হলো রাফেজ।
খাদ্যপ্রাণ বলতে সাধারণত জীবিত প্রাণী বোঝায়। অর্থাৎ, যে সকল প্রাণী খাদ্য গ্রহণ করে, বৃদ্ধি পায়, প্রজনন করে এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে খাদ্যপ্রাণ বলা হয়।
খাদ্যপ্রাণের কিছু উদাহরণ:
- মানুষ: আমরা খাদ্য গ্রহণ করে শক্তি পাই এবং বেঁচে থাকি।
- প্রাণী: সকল প্রাণী, যেমন সিংহ, হাতি, পাখি, মাছ ইত্যাদি।
- পোকামাকড়: মশা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
- উদ্ভিদ: উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি এবং মাটি থেকে খাদ্য তৈরি করে।
খাদ্যপ্রাণের মূল বৈশিষ্ট্য:
- জীবন: খাদ্যপ্রাণের মধ্যে জীবনের উপস্থিতি থাকে।
- বৃদ্ধি: খাদ্য গ্রহণ করে খাদ্যপ্রাণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রজনন: খাদ্যপ্রাণ নিজের প্রজাতির বংশ বিস্তার করে।
- পরিবেশের সাথে যোগাযোগ: খাদ্যপ্রাণ পরিবেশের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে।
খাদ্যপ্রাণের শ্রেণিবিন্যাস:
খাদ্যপ্রাণকে বিভিন্ন ভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। যেমন:
- খাদ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে: শাকসভী, মাংসাশী, সর্বভুক ইত্যাদি।
- বাসস্থানের উপর ভিত্তি করে: স্থলচর, জলচর, উড়ুচর ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!