বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এদেশের কৃষি এখনো মৌসুম নির্ভর। রবি মৌসুমে এ দেশে প্রচুর সবজি চাষ হলেও গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে অনেক ক্ষেত্রে গাছ জন্মাতে পারে না। ফলে ভাদ্র-আশ্বিন-কার্তিক মাসের প্রচন্ড রোদে কৃষিকাজ করা অসম্ভব হয়। ফলে উপযুক্ত পরিবেশের অভাবে কৃষক কর্মহীন হয়ে অলস সময় পার করে। কিন্তু কৃষিক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পরিবেশ সৃষ্টি করে যদি শ্রাবণ-আশ্বিনের অসহনীয় গরমেও কৃষিকাজ করা যায় তবে আর কৃষক কর্মহীন হয়ে থাকবে না। আর এ ক্ষেত্রে গ্রিন হাউজ প্রযুক্তি একটি কার্যকর পন্থা। গ্রিন হাউজে কৃত্রিম উপায়ে দিবা দৈর্ঘ্য, তাপমাত্রা, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ফসল ফলানো সম্ভব হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত বাবুল এ কৌশল অবলম্বন করে অসময়ে টমেটো উৎপাদনে সক্ষমতা অর্জন করেছে। এভাবে ফসল উৎপাদন, কৌশল অন্যান্য কৃষকরাও রাস্তবায়িত করতে পারে। আর এটা সম্ভব হলে বাবুলের মতো আরো অনেক কৃষক অনাবাদি মৌসুমের কর্মহীনতা থেকে রক্ষা পাবে।
Related Question
View Allকৃষিতে বিজ্ঞানীদের দুটি অবদান নিম্নরূপ
১. নিরলস গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করেছেন।
২. মাটির ধরন বিবেচনা করে কোন অঞ্চলে কোন ফসলে কী মাত্রায় সার প্রয়োগ করা হবে সে বিষয়ে কৃষকদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কৃষিতে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। আর এসব প্রযুক্তি উদ্ভাবনে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলছে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরা। তারা জলবায়ু, পরিবেশ, মাটি, পানি উৎপাদন পদ্ধতি এসব বিষয় বিবেচনায় এনে উচ্চতর গবেষণা করছেন। তাদের নিরলস গবেষণার ফলেই কৃষিতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।
বন্যা প্রতিরোধী ৪টি ধানের জাতের নাম হলো-
১. ব্রি ধান ২২,
৩. ব্রি ধান ৩৭,
২. ব্রি ধান ২৩,
৪. ব্রি ধান ৩৮।
গ্রামীণ সাংস্কৃতিক কাঠামোতে কৃষির ব্যাপক প্রভাব লক্ষ করা যায়। কৃষকের সাংস্কৃতিক জীবন ও জনমানুষের সাংস্কৃতিক ভাবনায় চমৎকার মেলবন্ধন লক্ষ করা যায়। যেমন- কৃষি সংক্রান্ত নানা বিষয়ে চারণ কবি খনার নানা মন্তব্য 'খনার বচন' নামে খ্যাত যা আমাদের সংস্কৃতিকে আরো সমৃদ্ধ করেছে।
ফসলের জন্য সারের মাত্রা নির্ধারণের শর্ত হলো-
১. পূর্ববর্তী ফসলে কোন মাত্রায় সার দেওয়া হয়েছে।
২. প্রয়োগকৃত সারের কোনগুলো নিঃশেষ হয়ে যায়
কৃত্রিম রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরশীলতা কমানোর একটি উপায় হলো অণুজীব সার প্রয়োগ। এ ধরনের সার প্রয়োগে মাটির উর্বরতা বাড়ে, মাটিদ্ধ ফসফেট দ্রবীভূত হয়ে ফসলের গ্রহণোপযোগী হয়। সর্বোপরি ফসলের ফলন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!