মীম সাকিনের পর বা এবং মীম ছাড়া অন্য যেকোনো হরফ আসলে ওই মীম সাকিনকে স্পষ্ট-করে গুন্নাহ ব্যতীত নিজ মাখরাজ থেকে পড়াকে মীম সাকিনের ইযহার বলে।
কুরসি শব্দের অর্থ এক বস্তুর সাথে অন্য বস্তুকে মেলানো। এজন্য চেয়ার বা আসনকে কুরসি বলা হয়। কেননা আসনে অনেকগুলো কাঠকে একত্র করা হয়। কুরসি শব্দের অন্য অর্থ হলো সাম্রাজ্য, মহিমা, জ্ঞান ও সিংহাসন। আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালার পরিচয়, ক্ষমতা, মহিমা ও গৌরবের কথা অত্যন্ত স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এজন্য এ আয়াতকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়।
বাবুলের কথাটি সঠিক নয়। কারণ সে মনে করে আল্লাহর একটি বড় চেয়ার আছে সেখানে বসে রাজ্য শাসন করেন।
সূরা আল-বাকারায় কুরসি শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। কুরসি শব্দের অর্থ এক বস্তুর সাথে অন্য বস্তুকে মেলানো। এজন্য চেয়ার বা আসনকে কুরসি বলা হয়। কেননা আসনে অনেকগুলো কাঠকে একত্র করা হয়। কুরসি শব্দের অন্য অর্থ হলো সাম্রাজ্য, মহিমা, জ্ঞান ও সিংহাসন। আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালার পরিচয়, ক্ষমতা, 'মহিমা ও গৌরবের কথা অত্যন্ত স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আয়াতুল কুরসিতে কুরসি দ্বারা মূলত আল্লাহর ক্ষমতাকে বোঝানো হয়েছে। তাই বলা যায়, বাবুলের কথাটি সঠিক নয়।
মহানবি (স.)-এর বাণী "যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর নিয়মিত আয়াতুল কুরসি পাঠ করে তাঁকে বেহেশতে প্রবেশে মৃত্যুই একমাত্র বাধা থাকে"। এই হাদিস দ্বারা আয়াতুল কুরসির ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে।
আয়াতুল কুরসি -অত্যন্ত বরকতময় আয়াত। রাসুল (স.) এ আয়াতকে সবচেয়ে উত্তম আয়াত বলে অভিহিত করেছেন। নবি (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পাঠ করে, তার জন্য বেহেশতে প্রবেশের পথে একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাধা থাকে না। (নাসাই) অর্থাৎ মৃত্যুর সাথে সাথেই সে বেহেশতের আরাম-আয়েশ উপভোগ করতে শুরু করবে। প্রত্যেক মুমিনের কাঙ্ক্ষিত স্থান হলো বেহেশত। ওই বেহেশত লাভের একটি বিশেষ উপায় হলো ফরজ সালাতের পর নিয়মিত আয়াতুল কুরসি তিলাওয়াত করা। অর্থাৎ আয়াতুল কুরসি পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর ক্ষমতাকে অনুধাবন করা। তার আলোকে জীবন পরিচালনা করা হলেই অতি সহজে বেহেশত লাভকরা যায়। কেউ যদি সালাত আদায় করে, তারপর আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, কিন্তু জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছামত জীবন চালায়, তাহলে অতি সহজে বেহেশত পাওয়া যাবে না। বেহেশত লাভের জন্য আয়াতুল কুরসির মর্মার্থ অনুধাবন করে সে অনুযায়ী জীবন গড়তে হবে।
উদ্দীপকে আবুল বলে, কুরআনে এমন কিছু আয়াত রয়েছে, যেগুলোর ফজিলত অনেক। এ সম্পর্কে আবুল আয়াতুল কুরসির ফজিলত সংবলিত হাদিসটি উল্লেখ করে।
সুতরাং বলা যায়, আলোচ্য হাদিস দ্বারা আয়াতুল কুরসির ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
Related Question
View All'ইলমুল আহকাম্' হলো বিধিবিধান সম্পর্কিত জ্ঞান।
লাইলাতুল কদর বা কদর রাত অত্যন্ত মর্যাদাবান ও মহিমান্বিত রাত। আল্লাহ তায়ালা এ রাতে পবিত্র কুরআন নাযিল করেন। এ রাতের ইবাদত হাজার মাস একাধারে ইবাদত করার চাইতে উত্তম। আমাদের আয়ুষ্কাল খুবই সীমিত। এ অবস্থায় এ রাতে ইবাদত করলে আমাদের নেকির পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। এটি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ নিয়ামতস্বরূপ। এ রাতে আল্লাহ তায়ালা ফেরেশতাদেরকে রহমত, বরকত ও শান্তির সওগাত দিয়ে প্রেরণ করেন। এ রাতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সুখ-শান্তি ও রহমত বিরাজ করতে থাকে।
মুহিবের দাদা বিশ্বজগৎ ধ্বংসের তথ্য সূরা আল-যিলযালে পেয়েছেন।
সূরা যিলযালে কিয়ামত বা মহাপ্রলয়ের অভিনব বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ যখন সমগ্র দুনিয়া ধ্বংস করে দেবেন তখন সবকিছু ওলটপালট হয়ে যাবে। কবর থেকে মানুষ বের হয়ে আসতে থাকবে। সমস্ত মানুষ সেই মহান দিনে নিজ নিজ কৃতকর্মের হিসাব প্রদান করতে থাকবে। প্রত্যেকে দুনিয়াতে করা তার প্রতিটি সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম পাপপুণ্যের হিসাব দিতে থাকবে এবং তা অনুযায়ী প্রতিদানস্বরূপ পুরষ্কার অথবা তিরষ্কারে ভূষিত হবে। উক্ত অবস্থার সাথে মুহিবের দাদার বক্তব্যের মিল রয়েছে। তিনি বলেছেন, "কোনো এক সময় এমন এক ভূমিকম্প সংঘটিত হবে, তখন গাছপালা খড়কুটোর মতো ভেসে যাবে, পাহাড়গুলো তুলোর মতো উড়বে; সব কিছু চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।" সুতরাং বলা যায়, মুহিবের দাদা বিশ্বজগৎ ধ্বংস সংক্রান্ত তথ্য সূরা আল-যিলযালে পেয়েছেন।
মুহিবের দাদা 'মুক্তির সনদ' বলতে আল-কুরআনকে বুঝিয়েছেন। কেননা আল-কুরআনই বিশ্ববাসীকে হিদায়েতের সুপথ দেখাতে পারে।
মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সার্বিক দিক ও বিভাগের একটি সুসংহত ও সুসমন্বিত বিধান কুরআনে বর্ণিত হয়েছে। এ মর্মে কুরআনে ইরশাদ হয়েছে- "এ হচ্ছে সমগ্র মানুষের বিধান, মুত্তাকিদের জন্য উপদেশ ও পথনির্দেশনা।" (সূরা আলে-ইমরান: ১৩৮) আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, "আমি এ কিতাবে কিছুই বর্ণনা করা বাদ রাখিনি।" (সূরা আন-আম ৩৮) অন্যত্র আল্লাহ বলেন, "হে বিশ্বমানবতা তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে এসেছে উপদেশ ও তোমাদের অন্তরে যা আছে তার প্রতিকার এবং বিশ্ববাসীদের জন্য পথনির্দেশস্বরূপ।" (সূরা ইউনুস: ৫৭) তিনি আরও
বলেন, "আমি তোমার প্রতি (হে মুহাম্মদ) এ কিতাব অবতীর্ণ করেছি যা আত্মসমর্পণকারীগণের জন্য সবকিছুর বিশদ বিবরণ সুস্পষ্ট পথনির্দেশক ও সুসংবাদ।" (সূরা আন-নাহল: ৮৯) আল্লাহ তায়ালা আরও বর্ণনা করেন- "এ কিতাব এটি তোমার প্রতি নাযিল করেছি, যাতে তুমি মানুষদেরকে তাদের পালনকর্তা নির্দেশক্রমে বের করে নিয়ে আসতে পারে অন্ধকার থেকে আলোকময় জীবনে, তাঁর পথে যিনি পরাক্রমশালী, প্রশংসিত।" (সূরা ইবরাহিম: ১) উদ্দীপকের মুহিবের এক প্রশ্নের জবাবে তার দাদা বলেন, আমাদেরকে মুক্তির সনদ হিসেবে যে নির্ভুল গ্রন্থটি দেওয়া হয়েছে, তা অনুসরণ করা উচিত।
অতএব উক্ত আলোচনা হতে বোঝা যায়, আল-কুরআনই বিশ্বমানবতার মুক্তির সনদ। তাই এ গ্রন্থের গুরুত্ব অপরিসীম।
আবাবিল এক ধরনের ছোট ছোট পাখি। যা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে চলে।
আয়াতুল কুরসি অত্যন্ত বরকতময় আয়াত। রাসুল (স.) এ আয়াতকে সবচেয়ে উত্তম আয়াত বলে অভিহিত করেছেন। নবি (স.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পাঠ করে, তার জন্য বেহেশতে প্রবেশের পথে একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাধা থাকে না। (নাসাই) অর্থাৎ মৃত্যুর সাথে সাথেই সে বেহেশতের আরাম-আয়েশ উপভোগ করতে শুরু করবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!