ক. হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর জীবন থেকে শিক্ষা হলো সকল অবস্থায় মহান আল্লাহর আনুগত্য করা।
খ. হজরত মুসা (আ.) একজন নবি ও রাসুল ছিলেন।
গ. অত্যাচারী ও অন্যায়কারীদের হাত থেকে দেশের দুর্বলদের রক্ষা করতে চেষ্টা করব।
ঘ. আমরা বিপদে-আপদে ধৈর্যশীল হব।
ঙ. হজরত উমর (রা.) ছিলেন সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী।
চ. হজরত আয়েশা (রা.) যুদ্ধের ময়দানে আহতদের সেবা করতেন।
(ক) নবিগণকে স্বপ্নে যা দেখানো হয়, তাও ওহি বা আল্লাহর আদেশ।
(খ) কাবাঘর নির্মাণ শেষে হজরত ইবরাহিম (আ.) বিশ্ববাসীকে হজের দাওয়াত দিলেন।
(গ) সে ছিল অত্যন্ত লোভী ও অহংকারী।
(ঘ) তাঁর আরেকটি প্রসিদ্ধ নাম হলো আহমাদ, যার অর্থ অধিকতর প্রশংসাকারী বা প্রশংসার যোগ্য।
(ঙ) তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ ও অসীম সাহসী।
(ক) মহান আল্লাহ হজরত মুসা (আ.)-কে ফিরাউনের কাছে গিয়ে ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।
(খ) তাঁর মাধ্যমেই মহান আল্লাহ ইসলামকে পরিপূর্ণতা দান করেছেন।
(গ) জন্মের কিছুদিন পর তাঁর লালন-পালনের দায়িত্ব নেন হজরত হালিমা।
(ঘ) বাল্যকাল থেকেই তিনি সত্যবাদী ছিলেন।
(ঙ) কিশোর বয়স থেকেই মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল, কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
Related Question
View Allহজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!