(ক) সামাজিক অনুষ্ঠানে অন্যদের আমন্ত্রণ জানানো উচিত।
(খ) সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে।
(গ) কারও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নিয়ে বিদ্রূপ করা যাবে না।
(ঘ) সকলের সাথে মিলেমিশে থাকতে হবে।
(ঙ) বিপদে-আপদে অন্যকে সাহায্য করতে হবে।
(ক) ধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে সমাজের অসহায়দের প্রতি মমত্ববোধ জেগে ওঠে।
(খ) সব ধর্মেই মানুষের সেবার কথা বলা হয়েছে।
(গ) যেকোনো ভালো কাজে শামিল হতে পারাটাই ভাগ্যের ব্যাপার।
(ঘ) সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ধর্মীয় সম্প্রীতি খুবই প্রয়োজন।
(ঙ) ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
Related Question
View Allধর্মীয় সম্প্রীতির মাধ্যমে মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহাবস্থানের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়ন হয়।
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
সমাজের প্রতি মমতা জাগিয়ে তুলতে ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রয়োজন।
ধর্মীয় সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়।
সমাজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে ধর্মীয় সম্প্রীতি গুরুত্বপূর্ণ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!