(ক) বায়ু প্রবাহিত হয় তাপমাত্রার পার্থক্য হলে।
(খ) বায়ুপ্রবাহের গতি থেকে ঝড়ের পূর্বাভাস জানতে পারি।
(গ) বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বাড়ে আর্দ্রতা বেড়ে গেলে।
(ঘ) জলীয়বাষ্প পরবর্তী সময়ে প্রচুর মেঘ উৎপন্ন করে।
(ঙ) তাপমাত্রা প্রকাশ করা হয় সেলসিয়াস (°C) দিয়ে।
(ক) বর্ষাকালে বৃষ্টির এত পানি আসে মেঘ থেকে।
(খ) বৃষ্টিপাত হলে তাপমাত্রা কমে যায়।
(গ) ঠোঁট ফেটে যায় আর্দ্রতা কম থাকলে।
(ঘ) মেঘ হলো আকাশে ভাসমান পানির কণা'।
(ঙ) সাইরাস মেঘ দেখতে সাদা তুলা বা পালকের মতো।
(ক) পর্বতের চূড়ায় অনেক বরফ জমে থাকে।
(খ) ঝরনার পানি গড়িয়ে সাগরে মিশে যায়।
(গ) মেঘ উপরে উঠে ঠান্ডা হয়ে যায়।
(ঘ) বৃষ্টিপাত হলে তাপমাত্রা কমে যায়।
(ঙ) শীতকালে কুয়াশা দেখা যায়।
Related Question
View Allসাদা.পালকের মতো মেঘগুলোকে বলে সাইরাস মেঘ।
বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায় ।
কুয়াশা গাছের পাতার সংস্পর্শে এসে শিশির এ পরিণত হয়।
আমরা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পেয়ে থাকি।
আর্দ্রতা বেড়ে গেলে আমরা ঘেমে যাই।
কোনো সময় বাতাস কতটা ঠান্ডা বা গরম, তাই ঐ সময়ের তাপমাত্রা ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!