(ক) মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে।
(খ) উয়ারী-বটেশ্বর দুটি গ্রামের নাম।
(গ) পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার সোমপুর বিহার নামেও পরিচিত।
(ঘ) পানামনগর মেঘনা নদীর তীরে।
(ঙ) লালবাগ কেল্লা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে।
(ক) মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত নিদর্শন হলো প্রাচীন ব্রাহ্মী শিলালিপি।
(খ) উয়ারী-বটেশ্বরে গলিপথসহ দীর্ঘ পাকা রাস্তা পাওয়া গেছে।
(গ) পাহাড়পুর বৌদ্ধ মন্দিরের চতুর্দিকে বেষ্টন করে ৬৩টি পাথরের মূর্তি রয়েছে।
(ঘ) ময়নামতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো শালবন বিহার।
(ঙ) পানামনগরের ইমারতগুলো ইট দিয়ে নির্মিত।
Related Question
View Allমহাস্থানগড় বাংলার ইতিহাসে ১৮ শত বছরের বেশি সময়ের সাক্ষ্য বহন করে।
মৌর্য আমালে মহাস্থানগড় পুণ্ড্রনগর নামে পরিচিত ছিল।
মহাস্থানগড় উত্তর-দক্ষিণে ১৫০০ মিটার এর পূর্ব পশ্চিমে ১৪০০ মিটার বিস্তৃত।
মহাস্থানগড়ে প্রাচীন ব্রাহ্মী শিলালিপি পাওয়া গেছে।
নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় উয়ারী-বটেশ্বর গ্রাম।
উয়ারী-বটেশ্বর খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ অব্দের মৌর্য আমলের পূর্বের নিদর্শন পাওয়া গেছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!