(ক) প্রাত্যহিক জীবনে আমরা কাজকর্মে বল প্রয়োগ করি।
(খ) বল প্রয়োগের প্রধান দুটি পদ্ধতি হলো টান ও ঠেলা।
(গ) বল প্রয়োগ করে আকার, আকৃতি ও গতির পরিবর্তন করা যায়।
(ঘ) বলের মাত্রা বাড়ালে বস্তু দ্রুত ও বেশি দূর যেতে পারে।
(ঙ) বলের কার্যকারিতা নির্ভর করে পরিমাণ ও প্রয়োগের কৌশলের উপর।
(ক) বস্তুকে কোনো কিছুর উপর দিয়ে গড়িয়ে দিলে একটু পরে থেমে যায়।
(খ) ঘর্ষণ একটি বস্তুর পৃষ্ঠের উপর দিয়ে অপর একটি বস্তুকে চলতে বাঁধা দেয়।
(গ) দুটি বস্তুর স্পর্শের জায়গায় গতির বিরুদ্ধে বল তৈরি হয়।
(ঘ) কোনো বস্তুর পৃষ্ঠ মসৃণ হলে ঘর্ষণ কমে যায়।
(ঙ) ঘর্ষণের জন্য আমরা হাঁটার সময় পিছলে যাই না।
(ক) পৃথিবী সকল বস্তুকে নিজের দিকে টানে, এই টান হলো পৃথিবীর আকর্ষণ বল।
( খ) যেকোনো বস্তুকে উপর থেকে ছেড়ে দিলে তা নিচে পড়বে।
(গ) সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠার সময় কষ্ট হয়।
(ঘ) সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় উঠার তুলনায় কষ্ট কম হয়।
(ঙ) পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে সকল বস্তুকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে তাই হলো মাধ্যাকর্ষণ বল।
(ক) দুটি বস্তুর স্পর্শের জায়গায় গতির বিরুদ্ধে বল তৈরি হয়।
(খ) কোনো বস্তুর পৃষ্ঠ মসৃণ হলে ঘর্ষণ কমে যায়।
(গ) ঘর্ষণের জন্য আমরা হাঁটার সময় পিছলে যাই না।
Related Question
View Allবল প্রয়োগ করে বস্তু যায় সরানো ।
বলের মাত্রা যত বেশি, বস্তুর ওপর প্রভাব তত বেশি
একটি বস্তুর পৃষ্ঠ যে দিকে সরে যেতে চায় তার বিপরীত দিকে ঘর্ষণ বল কাজ করে।
পৃথিবী সকল বস্তুকে নিজের দিকে টানে।
কাজ সহজ করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রকে সরল যন্ত্র বলে।
বস্তুর আকার, আকৃতি ও গতি পরিবর্তনে বলের প্রভাব রয়েছে
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!