বৃষ্টির পানি পানির প্রাকৃতিক উৎস।
পুকুর মানুষের তৈরি পানির উৎস।
অনিরাপদ পানি লাল রঙ করা নলকূপের পানি।
লবণাক্ত পানি সাগরের পানি।
নিরাপদ পানি ফুটানো পানি।
(ক) পৃথিবীর উপরি ভাগের চার ভাগের তিন ভাগ পানি।
(খ) পানির প্রাকৃতিক উৎস বৃষ্টি।
(গ) মানুষের তৈরি পানির উৎস পুকুর।
(ঘ) সাগরের পানি লবণাক্ত।
(ক) স্বাদু পানির উৎস তুষারপাত, বরফ।
(খ) আর্সেনিকযুক্ত পানি অনিরাপদ।
(গ) বোতলে প্রক্রিয়াজাত পানি নিরাপদ।
(ঘ) পানির অভাব তীব্র হওয়া খরা।
(ক) পানির অপর নাম জীবন।
(খ) প্রতিদিন পানি পান করা উচিত ৫-৬ গ্লাস।
(গ) খরা দেখা দেয় গ্রীষ্মকালে।
(ঘ) বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় পানি।
Related Question
View Allসমুদ্র হলো পানির প্রাকৃতিক উৎস।
যে পানিতে লবণ থাকে, তাকে লবণাক্ত পানি বলে।
উৎসের ভিত্তিতে পানিকে দুই ভাগ করা যায়।
হাত বা মুখ ধোয়ার পর পানির কলটি বন্ধ করে পানির অপচয় রোধ করতে পারি।
পৃথিবীর উপরিভাগের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগ পানি।
পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!