(ক) পবিত্র কুরআনে প্রায় ২০০টি আয়াতে প্রাণিজগতের বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।
(খ) উদ্ভিদ কমে গেলে অক্সিজেন কমে যায়।
(গ) নিজ এলাকাবাসীকে উদ্ভিদ ও প্রাণীর যত্নে সচেতন করব।
(ঘ) পশু-পাখি ও উদ্ভিদের পরিচর্যা করা সাওয়াবের কাজ।
(ঙ) জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর কাজ পরিহার করতে হবে।
(ক) পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জীববৈচিত্র্য বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
(খ) মহানবি (স.) গাছপালার পরিচর্যা করতেন।
(গ) মানুষ, জীবজগৎ, প্রকৃতি ও পৃথিবী সবই মহান আল্লাহর সৃষ্টি।
(ঘ) মহানবি (স.) বৃক্ষরোপণের উপকারিতা উল্লেখ করে সাহাবিগণকেও উৎসাহিত করতেন।
(ঙ) মানুষের কৃতকর্মের কারণে জলে-স্থলে বিপর্যয় ঘটবে।
(ক) মহান আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব অপরিসীম।
(খ) সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল।
(গ) মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জীববৈচিত্র্যের প্রয়োজন।
(ঘ) বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্যে ভরপুর।
(ঙ) প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা।
(ক) মহানবি (স.) গাছপালার পরিচর্যা করতেন।
(খ) সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল।
(গ) মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার জন্য জীববৈচিত্র্যের প্রয়োজন।
Related Question
View Allপরিবেশ দূষণ রোধে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখা আবশ্যক।
মহানবি (স.) নিজে গাছপালার পরিচর্যা করতেন।
পরিবেশ রক্ষায় আমরা নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করব।
জীবজগৎ সংরক্ষণের জন্য প্রাণীদের অযথা হত্যা করব
জীবজগৎ ও প্রকৃতিকে ভালোবেসে আমরা তাদের সংরক্ষণ করব।
আমাদের চারপাশে রয়েছে বিশাল প্রকৃতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!