কোনো মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন মাধ্যমের মধ্যদিয়ে চলে বা সঞ্চালিত হয় তাই তরঙ্গ।
সকল কম্পাঙ্কের শব্দ আমরা শুনতে পাই না। শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জ থেকে ২০০০০ হার্জ এর মধ্যে থাকলেই কেবল সেই শব্দ আমরা শুনতে পাই। কম্পাঙ্কের এ সীমাকেই শ্রাব্যতার সীমা বলে। আমাদের শ্রাব্যতার নিম্ন সীমা ২০ হার্জ এবং উচ্চ সীমা ২০০০০ হার্জ।
এখানে, বায়ুতে শব্দের বেগ = ৩৩০ মি./সে.
শব্দ শুনার সময় = ৬ সেকেন্ড
দূরত্ব = ?
আমরা জানি,
শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়
বা, দূরত্ব = শব্দের বেগ সময়
= ৩৩০ মি./সে. ৬ সে. = ১৯৮০ মি.
অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ১৯৮০ মিটার।
উদ্দীপক অনুযায়ী বোমা ফাটার স্থান থেকে ডুবুরি ১০০০০ মিটার দূরে গভীর পানিতে অবস্থিত। তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ ৬ সেকেন্ড পরে শুনতে পায়। ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে হলে ডুবুরিকে এমন দূরত্বে থাকতে হবে যেন সে ৬ সেকেন্ড পরে শব্দ শুনতে পায়।
সেক্ষেত্রে, শব্দের বেগ (পানিতে) = ১৫০০ মি./সে.
সময় = ৬ সেকেন্ড।
দূরত্ব = ?
আমরা জানি,
দূরত্ব = শব্দের বেগ সময়
= ১৫০০ মি./সে. ৬ সে. = ৯০০০ মিটার
অতএব, ডুবুরিকে ৯০০০ মিটার দূরত্বে থাকতে হবে।
যেহেতু ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ১০০০০ মিটার দূরত্বে অবস্থিত, কাজেই তাকে বোমা ফাটার স্থানের দিকে (১০০০০ -৯০০০) মিটার বা ১০০০ মিটার সরতে হবে যাতে ডুবুরি ও তীরে অবস্থানকারী লোকটি একই সময় শব্দ শুনতে পায়।
Related Question
View Allযে শক্তি আমাদের কানে প্রবেশ করে শ্রবণের অনুভূতি জাগায় তাই শব্দ।
আমরা জানি, শব্দ মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না। আবার বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগও বিভিন্ন। যেমন- শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে কঠিন মাধ্যমে, তারপর তরল মাধ্যমে, এরপর বায়ুমাধ্যমে। রেলপাত লোহার তৈরি অর্থাৎ রেলপাত একটি কঠিন মাধ্যম। সুতরাং রেলপাতের মধ্য দিয়ে শব্দ খুব দ্রুত চলাচল করে। তাই রেলপাতে কান রাখলে দূর থেকে রেলগাড়ি চলার শব্দ রেল পাতের মধ্য দিয়ে খুব দ্রুত কানে পৌছায় বলে ঐ শব্দ শোনা যায়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত,
বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মি./সে.
শব্দ শোনার সময় = ?
বোমা ফাটার স্থান ও তীরে অবস্থিত লোকটির দূরত্ব ৩৩০০ মিটার
আমরা জানি,
শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়
বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ৩৩০ মি./সে. = ১০ সেকেন্ড
অতএব, বোমা ফাটার স্থান থেকে তীরে অবস্থিত 'লোকটি ১০ সেকেন্ড পর শব্দ শুনবে।
উদ্দীপক অনুযায়ী, ডুবুরি বোমা ফাটার স্থান থেকে ৩৩০০ মিটার দূরে অবস্থিত।
সমুদ্রের পানিতে শব্দের বেগ ১৫০০ মি./সে.
শব্দ শোনার সময় = ?
আমরা জানি,
শব্দের বেগ = দূরত্ব / সময়
বা, সময় = দূরত্ব / শব্দের বেগ = ৩৩০০ মিটার / ১৫০০ মি./সে. = ২.২ সেকেন্ড
'গ' হতে পাই, তীরে অবস্থিত লোকটি বোমা ফাটার শব্দ শুনে ১০ সেকেন্ড পর।
অতএব, ডুবুরি ও লোকটি একই সময়ে বোমা ফাটার শব্দ শুনতে পাবে না, ডুবুরি আগে শুনতে পাবে।
যে শব্দ শুনতে ভালো লাগে, সুখকর, মধুর ও আনন্দদায়ক সে শব্দই সুশ্রাব্য শব্দ।
শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা বুঝা যায় তাকে তীক্ষ্ণতা বলে। শব্দের তীক্ষ্ণতা শব্দ সৃষ্টিকারী বস্তুর কম্পাঙ্ক ও দৈর্ঘ্যের উপর নির্ভর করে। দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে তীক্ষ্ণতা কমে এবং দৈর্ঘ্য কমলে তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। 'কাজেই বাঁশের বাঁশির দৈর্ঘ্য কম হলে শব্দের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি পাবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
