বারনা, বারনা, সুন্দরী ঝরনা

তরলিত চন্দ্রিকা! চন্দন-বর্ণা।

অঞ্চল সিঞ্চিত গৈরিকে স্বর্ণে

গিরি-মল্লিকা দোলে কুন্তলে কর্ণে

তনু ভরি 'যৌবন' তাপসী অপর্ণা।

ঝরনা!

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

বিজন দেশে কূজন নেই।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

'চকোর চায় চন্দ্রমায়' বলতে চকোর পাখির স্নিগ্ধ জোছনালোক প্রত্যাশাকে বোঝানো হয়েছে।

'চকোর' এক ধরনের পাখিবিশেষ। কবির কল্পনা অনুযায়ী এই পাখি চাঁদের আলো পান করে। এই পাখি যেমন চন্দ্রালোকের প্রত্যাশায় অধীর আগ্রহে দিনাতিপাত করে, ঝরনাও তেমনই সুন্দরের তৃষ্ণায় তৃষ্ণার্ত সুজনের খোঁজে বিরামহীন পথ চলে। ঝরনার অপরূপ রূপে যে মুগ্ধ হবে তার সন্ধানে ঝরনার নিরলস প্রচেষ্টা। ঝরনার এই প্রচেষ্টাকে চকোরের চাওয়া চন্দ্রমার সাথে তুলনীয়। চকোর পাখি যেমন রাতের বেলা চাঁদের স্নিগ্ধ আলো চায়, তেমনই ঝরনাও সৌন্দর্য উপভোগকারী তৃষ্ণার্ত দর্শকের খোঁজ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক ও 'ঝরনার গান' কবিতায় ঝরনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের রূপ প্রকাশ পেয়েছে।

ফুল, গাছ, লতা-পাতা, পাহাড়, নদী, ঝরনা এসবই প্রকৃতির উপাদান। এগুলো আমাদের চারপাশের জগৎকে করেছে মোহনীয়। প্রকৃতির এই সৌন্দর্য আমাদের মুগ্ধ করে।

'ঝরনার গান' কবিতায় পাহাড়ের বুক থেকে ঝরনার চঞ্চল গতিতে নেমে আসার কথা বলা হয়েছে। স্তব্ধ পাথরের বুকে আনন্দের চিহ্ন রেখে ঝরনা অবিরাম ছুটে চলে। তার চলার ধ্বনি ও সৌন্দর্য অসাধারণ। তার জলধারার সৌন্দর্যে সবাই মুগ্ধ হয়। চঞ্চল পায়ে ঝরনা আপন গতিতে গন্তব্যের দিকে ধাবিত হয়। উদ্দীপকেও প্রকৃতির সৌন্দর্যের দিকটি প্রকাশিত হয়েছে। ঝরনার সৌন্দর্য ও গতিশীলতা তুলে ধরা হয়েছে। ঝরনাকে ভরা যৌবনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ভরা যৌবনা দ্বারা মূলত ঝরনার রূপ ও সৌন্দর্য প্রকাশ করাই কবির মূল উদ্দেশ্য। এভাবে রূপসৌন্দর্যের দিক থেকে উদ্দীপকটি এবং 'ঝরনার গান' কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার আংশিক বক্তব্য ধারণ করে।

বিশ্বপ্রকৃতি নানা রকম সৌন্দর্যের আধার। প্রকৃতি বন-বনানী, নদ-নদী, সাগর, পাহাড় প্রভৃতির বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য দিয়ে মানুষকে মুগ্ধ করে। মানুষের এই আনন্দ ও মুগ্ধতার মধ্যেই প্রকৃতির সার্থকতা বিরাজমান।

'ঝরনার গান' কবিতায় কবি স্তব্ধ পাথরের বুকে আনন্দের পদচিহ্ন এঁকে যাওয়া ঝরনার চিত্রকল্প এঁকেছেন। পাহাড় যেখানে দৈত্যের মতো ঘাড় ঘুরিয়ে ভয় দেখায়, যেখানে লোকজন নেই, যে জায়গা নীরব-নিভৃত সেখানে আনন্দময় পদধ্বনিতে নেমে আসে ঝরনার সেই সাদা জলরাশির ধারা। কবি তাঁর অনুভব দিয়ে ঝরনার আনন্দ টের পেয়েছেন এবং কবিতাটিতে ঝরনার সেই আনন্দকেই প্রকাশ করেছেন। নিস্তব্ধ দুপুরে ঝরনা চঞ্চল পায়ে বাধা ডিঙিয়ে অবিরত ছুটে চলে। উদ্দীপকেও ঝরনার রূপসৌন্দর্যের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কবি ঝরনার সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ঝরনাকে ভরা যৌবনা বলে উল্লেখ করেছেন। ঝরনার বর্ণ চন্দন তুল্য। এই রূপসৌন্দর্যের দিক থেকে উদ্দীপক ও 'ঝরনার গান' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

উদ্দীপকে শুধু ঝরনার সৌন্দর্যই বর্ণনা করা হয়েছে। তবে কবিতায় যেমন ঝরনার সৌন্দর্যের পাশাপাশি তার ছুটে চলা এবং দিগ্বিদিক ঝিলমিলিয়ে প্রবহমানতার দিকটির উল্লেখ আছে তেমন বর্ণনা উদ্দীপকে নেই। এই বিবেচনায় তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার আংশিক বক্তব্য ধারণ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
112

চপল পায় কেবল ধাই,
         কেবল গাই পরীর গান,
                       পুলক মোর সকল গায়,
        বিভোল মোর সকল প্ৰাণ ৷
শিথিল সব শিলার পর
         চরণ থুই দোদুল মন,
                         দুপুর-ভোর ঝিঁঝিঁর ডাক,
         ঝিমায় পথ, ঘুমায় বন ।
বিজন দেশ, কূজন নাই
         নিজের পায় বাজাই তাল,
                         একলা গাই, একলা ধাই,
        দিবস রাত, সাঁঝ সকাল ।
ঝুঁকিয়ে ঘাড় ঝুম-পাহাড়
        ভয় দ্যাখায়, চোখ পাকায়;
                          শঙ্কা নাই, সমান যাই,
        টগর-ফুল-নূপুর পায়,
কোন গিরির হিম ললাট
        ঘামল মোর উদ্ভবে
                         কোন পরীর টুট্ল হার
         কোন নাচের উৎসবে।
খেয়াল নাই-নাই রে ভাই
          পাই নি তার সংবাদই,
                           ধাই লীলায়,-খিলখিলাই

          বুলবুলির বোল সাধি ।
বন-ঝাউয়ের ঝোপগুলায়
          কালসারের দল চরে,
                           শিং শিলায়-শিলার গায়,
          ডালচিনির রং ধরে ।
ঝাঁপিয়ে যাই, লাফিয়ে ধাই,
          দুলিয়ে যাই অচল-ঠাঁট,
                           নাড়িয়ে যাই, বাড়িয়ে যাই-
         টিলার গায় ডালিম-ফাট।
শালিক শুক বুলায় মুখ
         থল-ঝাঁঝির মখমলে,
                           জরির জাল আংরাখায়
         অঙ্গ মোর ঝলমলে ।
নিম্নে ধাই, শুনতে পাই
          ‘ফটিক জল।' হাঁকছে কে,
                           কণ্ঠাতেই তৃষ্ণা যার
          নিক না সেই পাঁক ছেঁকে ৷
গরজ যার জল স্যাচার
           পাতকুয়ায় যাক না সেই,
                            সুন্দরের তৃষ্ণা যার
           আমরা ধাই তার আশেই ।

 তার খোঁজেই বিরাম নেই
            বিলাই তান-তরল শ্লোক,
                             চকোর চায় চন্দ্রমায়,
            আমরা চাই মুগ্ধ-চোখ ।
চপল পায় কেবল ধাই
         উপল-ঘায় দিই ঝিলিক,
                          দুল দোলাই মন ভোলাই,
        ঝিলমিলাই দিগ্বিদিক।

Related Question

View All
উত্তরঃ

'শিথিল সব শিলার পর' বলতে কবি স্তব্ধ পাথরের বুকে আনন্দচিহ্ন রেখে ঝরনার বয়ে চলাকে বোঝাতে চেয়েছেন। 

'ঝরনার গান' কবিতায় কবি ঝরনার গতিময়তা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরেছেন। ঝরনা সমস্ত নীরবতা ভেঙে আপন ছন্দে বয়ে চলে। পাখির ডাকহীন নির্জন দুপুর, ভয়ংকর পাহাড়- সবকিছু উপেক্ষা করে সে শিথিল শিলা বেয়ে নিচে নেমে আসে। চলার পথে ঝরনা পাথরের উপর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আনন্দচিহ্ন রেখে চলে। এ প্রসঙ্গেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

1.5k
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সঙ্গে 'ঝরনার গান' কবিতার রূপসৌন্দর্যের দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রকৃতি অপূর্ব সুন্দর। 

সবুজ-শ্যামল মাঠ, নদীতে নৌকা, তীরে কাশফুল, মাথার উপরে নীল আকাশ, বন-বনানী, নদী- সাগর, পাহাড়-পর্বত, পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ঝরনা প্রভৃতি আমাদের মুগ্ধ করে।

উদ্দীপকে পলাশ সাহেবের গড়ে তোলা উদ্যানের সৌন্দর্য বর্ণনা করা হয়েছে। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যই মানুষের মনে সৌন্দর্যবোধ জন্ম দেয়। প্রকৃতির তুলিতে যে চিত্র ফুটে ওঠে তা-ই মানুষকে শিল্পসৃষ্টিতে অনুপ্রাণিত করে। তাই শিল্পীর নিজের খেয়ালে সাজানো প্রকৃতির সৌন্দর্য তার একার নয়, তা সব মানুষের আনন্দের উৎস। উদ্দীপকের এ সৌন্দর্য 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। পাহাড়িকন্যা ঝরনা সমস্ত নীরবতা ভেঙে ছন্দময় শব্দে চঞ্চল ছুটে চলে পাখির ডাকহীন দুপুরে, স্তব্ধ পাথরের বুকে আনন্দচিহ্ন রেখে। চমৎকার তার ধ্বনিমাধুর্য। গিরি থেকে পতিত জলরাশি পাথরের বুকে আঘাত করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ঝরনার এ মনোহর সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। এভাবে উদ্দীপক ও 'ঝরনার গান' কবিতার রূপসৌন্দর্য পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

1.1k
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার মূল বক্তব্যকে অনেকখানি ধারণ করে। বিশেষ করে সৌন্দর্যচেতনার দিকটি।

প্রকৃতির অপরূপ রূপ দেখে মানুষ মুগ্ধ হয়। সেই মুগ্ধতা থেকেই মানুষের মধ্যে শিল্পবোধ সৃষ্টি হয়। প্রকৃতির সৌন্দর্যই মানুষকে সৌন্দর্য সৃষ্টিতে আগ্রহী করে তোলে। নির্মল প্রকৃতিই তাকে এ কাজে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আর সেই সৌন্দর্য চেতনা থেকেই ব্যক্তিমানুষ নতুন নতুন শিল্পকর্ম সৃষ্টিতে অনুপ্রাণিত হয়।

উদ্দীপকে প্রকৃতির বিচিত্র সৌন্দর্যের বর্ণনা ও তার জন্য সামাজিক বাধা-নিষেধ উপেক্ষা করে পলাশ সাহেবের চেষ্টা ও উদ্যোগটি তুলে ধরা হয়েছে। এই নিপুণতার শিল্পী স্রষ্টা নিজে। স্রষ্টার সেই কর্মকৌশলে তৈরি মানুষ তার অনুভব দিয়ে সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। উদ্দীপকে বর্ণিত অনিন্দ্য সৌন্দর্যের সঙ্গে 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার সৌন্দর্য সাদৃশ্যপূর্ণ। উদ্দীপকে সামাজিক প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে ব্যক্তিমানুষের শিল্পসৃষ্টির যে চেতনা প্রকাশ পেয়েছে তা 'ঝরনার গান' কবিতার ভয়ংকর পাহাড়কে উপেক্ষা করে ঝরনার ছুটে চলার চেতনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। এই দিক থেকে সৌন্দর্য সৃষ্টিতে তারা পরস্পর এক ও অভিন্ন।

উদ্দীপকে বর্ণিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেমন আমাদের মানসিক শান্তি দেয়, 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার সৌন্দর্যও তেমনই আমাদের বিমোহিত করে। ঝরনার প্রকৃতিতে সৌন্দর্য বিস্তার এবং উদ্দীপকে সৌন্দর্য বিস্তারের বর্ণনা অভিন্ন। এ কারণেই বলা যায় যে, 'ঝরনার গান' কবিতার মূল বক্তব্যকে উদ্দীপক অনেকখানি ধারণ করে আছে।

710
উত্তরঃ

'চকোর চায় চন্দ্রমায়' বলতে চকোর পাখির স্নিগ্ধ জোছনালোক প্রত্যাশাকে বোঝানো হয়েছে। 

'ঝরনার গান' কবিতায় কবি ঝরনার গতিময়তা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকটি তুলে ধরেছেন। ঝরনা প্রকৃতির সমস্ত নীরবতা ভেঙে আপন ছন্দে ছুটে চলে। পাখির ডাকহীন নির্জন দুপুর, ভয়ংকর পাহাড় সবকিছু উপেক্ষা করে ঝরনা স্তব্ধ পাথরের বুকে আনন্দের পদচিহ্ন রেখে বয়ে চলে। কবি ঝরনার মনোহর দৃশ্যে মুগ্ধ, বিমোহিত। চকোর পাখি যেমন রাতের বেলা চাঁদের স্নিগ্ধ আলো চায়, কবিও তেমনই ঝরনার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান।

722
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews