বালুখালি এলাকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ত্রাণসামগ্রী আসলে ঐ এলাকার চেয়ারম্যান সেগুলো গ্রহণ করার পূর্বে একদল লুটেরা কর্তৃক লুণ্ঠিত হয়ে যায়। চেয়ারম্যান এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে নিজেই জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করেন। ফলে উভয়পক্ষে সংঘর্ষ হয়। প্রতিপক্ষের প্রধান নিহত হয়। প্রতিপক্ষের বাকি লোকজনও প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ ছিলেন উমাইয়া খলিফা আল-ওয়ালিদের
পূর্বাঞ্চলীয় শাসনকর্তা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ছিল খলিফা সুলায়মানের ব্যক্তিগত আক্রোশ।
মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যুর পিছনে রাজা দাহিরের কন্যা সূর্যদেবী ও পরিমল দেবীর মিথ্যা অভিযোগকে দায়ী করা হয়। তবে এ ঘটনার ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। প্রকৃতপক্ষে হাজ্জাজ বিন ইউসুফের প্রতি খলিফা সুলায়মানের ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই তার ভ্রাতুষ্পুত্র ও জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। খলিফার নির্দেশেই তাকে রাজধানী দামেস্কে এনে কারারুদ্ধ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত লুণ্ঠনের ঘটনার সাথে আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণের মিল রয়েছে।

অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে সিংহলরাজ কর্তৃক খলিফা ওয়ালিদ ও হাজ্জাজ বিন ইউসুফের নিকট প্রেরিত উপঢৌকনপূর্ণ আটটি আরব জাহাজ সিন্ধুর দেবলস্থ জলদস্যু কর্তৃক লুণ্ঠনই ছিল আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রত্যক্ষ কারণ, উদ্দীপকেও যার প্রতিফলন লক্ষণীয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বালুখালির চেয়ারম্যানের কাছে আসা ত্রাণসামগ্রী লুটেরা কর্তৃক লুট হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি চেয়ে চেয়ারম্যান আবেদন করলেও কোনো লাভ হয়নি। ফলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। একই ঘটনা আরবদের সিন্ধু অভিযানের ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়। সিন্ধু রাজা দাহিরের সীমানায় জলদুস্য কর্তৃক মুসলমানদের জাহাজ লুণ্ঠন হলে খলিফা ওয়ালিদের পূর্বাঞ্চলীয় শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ রাজা দাহিরের কাছে এর ক্ষতিপূরণ দাবি করে। কিন্তু রাজা দাহির এ ক্ষতিপূরণের দাবিকে অগ্রাহ্য করলে সাম্রাজ্যবাদী শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭১০ খ্রিষ্টাব্দে সিন্ধুতে অভিযান প্রেরণ করেন। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের লুটের ঘটনার সাথে আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণের সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত লুণ্ঠনকারীদের পরিণতি আরবদের সিন্ধু বিজয়ের ফলাফলের মধ্যে সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য উভয়ই পরিলক্ষিত হয়।

ভারতবর্ষ ও ইসলামের ইতিহাসে আরবদের সিন্ধু বিজয় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। রাজনৈতিক দিক দিয়ে এটি একটি নিষ্ফল বিজয় হলেও সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে এর ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। আরবদের সিন্ধু অভিযানে রাজা দাহিরের পরিণতির সাথে উদ্দীপকের প্রতিপক্ষের পরিণতিগত সাদৃশ্য থাকলেও অন্যান্য দিক দিয়ে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। উদ্দীপকে দেখা যায়, বালুখালি এলাকার চেয়ারম্যান লুটকারীদেরকে শাস্তি দেন। এতে প্রতিপক্ষের প্রধান নিহত হয় এবং অন্যান্য লুটকারী প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়। সিন্ধু অভিযানের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, রাজা দাহির মুহাম্মদ বিন কাসিমের কাছে পরাজিত ও নিহত হয়। তবে সিন্ধু অভিযানের সূত্র ধরেই ভবিষ্যতে মুসলিমরা ভারতে প্রবেশ করে। ফলে ধর্মীয় ক্ষেত্রে এর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়ে। আরবরা সিন্ধু বিজয়ের মাধ্যমে ভারতবর্ষে মুসলিম শাসন ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। তারা এ বিজয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৫০ বছর ভারত শাসন করে। মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে আরবদের সিন্ধু বিজয়ের ফলে ধর্মীয় ক্ষেত্রেও সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। সিন্ধু বিজয়ের ফলে সিন্ধুর বিধর্মীদের ইসলামের আদর্শের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ঘটে। এ বিজয়ের ফলে আরবদের সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন আসে। আরবগণ হিন্দু সম্প্রদায়ের সংস্পর্শে আসে এবং উভয়ের মাঝে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এতে আর্য ও সেমেটিক জাতির সংমিশ্রণে সিন্ধুর লোকাচার ও সামাজিক রীতিনীতি তাদের প্রাত্যহিক জীবনে অনুপ্রবেশ করে। এ বিজয়ের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আরবদের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়। সিন্ধু বিজয়ের ফলে আরবদের সাথে ভারতবর্ষের
বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়। পরিশেষে বলা যায় যে সিন্ধু বিজয়ের ফলে আরবদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের লুণ্ঠনকারীদের পরিণতি ও সিন্ধু বিজয়ে ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
30
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রাচীন হিন্দু সমাজে প্রচলিত স্বামীর শবদেহের সাথে জীবিত বিধবা স্ত্রীকে একই চিতায় দাহ করার রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।
মৃত স্বামীর প্রতি বিধবা স্ত্রীর চূড়ান্ত আনুগত্য প্রদর্শনের একটি আচার হিসেবে প্রাচীন সমাজে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সতীদাহ প্রথা মেনে চলত। তখন স্বামীর মৃত্যু হলে বিধবা স্ত্রী স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই স্বামীর চিতায় আত্মাহুতি দিত। কিন্তু কালক্রমে এটি হিন্দু সমাজে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতায় রূপ নেয়। এক সময় ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজপতিরা বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে সহমরণ বরণ করে নিতে বাধ্য করে। তারা জোর করে অনেক বিধবাদের মৃত স্বামীর সাথে পুড়িয়ে মারতে শুরু করে। হিন্দু সমাজের এ জঘন্য ও নিষ্ঠুর রীতিই সতীদাহ প্রথা নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
114
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পঠিত শাসক সুলতান মাহমুদের মিল রয়েছে।

যেকোনো দেশ, রাজ্য বা অঞ্চলকে সমৃদ্ধিশালী ও সুসজ্জিত করতে হলে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- এই অর্থের প্রয়োজনে অনেক শাসক বিভিন্ন রাজ্যে অভিযান চালিয়েছেন। উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান এবং ইতিহাসখ্যাত সুলতান মাহমুদ উভয়ের মধ্যেই এ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

উদ্দীপকে বর্ণিত সুলতান সুলেমান নিজ রাজ্যকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধিশালী করার জন্য বিভিন্ন দেশে অভিযান প্রেরণ করেন। সেসব অভিযান থেকে প্রাপ্ত ধন-সম্পদ কাজে লাগিয়ে তিনি তার শাসনব্যবস্থা পরিচালনা করেন। তাছাড়া শিক্ষা বিস্তার ও দেশের উন্নয়নে তিনি ধন-সম্পদ ব্যয় করেন। বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদও ধন-ঐশ্বর্যে ভরপুর ভারতবর্ষে বারবার আক্রমণ করে সুলতান সুলেমানের মতোই প্রচুর ধন-সম্পদ আহরণ করেছিলেন। তার উদ্দেশ্যও ছিল নিজের রাজ্যের উন্নয়ন ঘটানো। তাই তিনি ভারতবর্ষকে তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার (১০০০ থেকে ১০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে) অভিযান প্রেরণ করেন এবং প্রতিবারই জয়লাভ করে প্রচুর সম্পদ হস্তগত করেন। তিনি আহরিত অর্থ-সম্পদ কাজে লাগিয়ে গজনি রাজ্যকে সমৃদ্ধিশালী করে গড়ে তুলেছিলেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় আত্মনিয়োগ করেছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তিনি সুলতান সুলেমানের মতোই উদার ও আন্তরিক ছিলেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকের সুলতান সুলেমান ও গজনির শাসক সুলতান মাহমুদের মধ্যে সুস্পষ্ট সাদৃশ্য বিদ্যমান।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
108
উত্তরঃ

উত্ত শাসক তথ্য সুলতান মাহমুদ শুধু সেনানায়কই ছিলেন না, একটি রাজ্যের একজন প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।

বিখ্যাত সমরনেতা সুলতান মাহমুদ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিশেষ খ্যাতি লাভ করেন। শত্রুপক্ষের অধীন সকল রাজ্য জয় করে তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত বিলোপ সাধনই ছিল সুলতান মাহমুদের লক্ষ্য এবং তিনি তা অর্জনে সক্ষম হন। পাঞ্জাবে তার শাসন দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ক্ষুদ্র গজনি রাজ্যকে তিনি বিশাল সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।

ভারতীয় ঐতিহাসিক ঈশ্বরী প্রসাদ বলেন, "সুলতান মাহমুদ ছিলেন বড় মাপের নৃপতি।" একটি পার্বত্য ক্ষুদ্র রাজ্যতে শুধু বাহুবলে বিশাল ও সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যে পরিণত করা অসাধারণ কৃতিত্বের পরিচায়ক। তার পূর্বে এশিয়ার অন্য কোনো আরব বা তুর্কি শাসক হিরাত, কাবুল ও গজনির বাইরে অগ্রসর হতে পারেননি। তিনি যে বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন, তা বাগদাদের সমসাময়িক আব্বাসীয় খলিফার সাম্রাজ্য অপেক্ষা বিশাল ছিল বলে মনে করা হয়। মুসলিম শাসকদের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত পথে তিনিই প্রথম ভারতে অভিযান চালিয়েছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম মুসলিম রাজবংশ প্রতিষ্ঠায় কৃতিত্বের অধিকারী না হলেও তারই দেখানো পথে মুহাম্মদ ঘুরী এদেশে এসে মুসলিম শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন।
পরিশেষে বলা যায়, শুধু কৃতী সেনানায়ক নয়, সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেও সুলতান মাহমুদ খ্যাতি অর্জন করেন। অসাধারণ সাংগঠনিক দক্ষতা বলেই তিনি ক্ষুদ্র গজনিকে বিশাল সাম্রাজ্যে রূপায়িত করেছিলেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
82
উত্তরঃ

আরবদের সিন্ধু অভিযানের পূর্বে ভারতীয় সমাজে নারীর অবস্থা শোচনীয় ছিল।
প্রাক-মুসলিম ভারতীয় সমাজে সতীদাহ প্রথা ও বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল। তাছাড়া বিধবা বিবাহ প্রথার বিলোপ ঘটেছিল। তাই নারীরা সমাজে অবহেলিত হয়ে পড়েছিল। তারা সব ধরনের অধিকার বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়েছিল। তবে এ চিত্র নিম্ন শ্রেণির নারীদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যেত। অভিজাত পরিবারের নারীরা শিক্ষাগ্রহণ ছাড়াও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ পেত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
69
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews