বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেছেন।
শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার শতভাগ ছাত্র-ছাত্রীকে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করেছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি সরকারিকরণ করা হয়েছে। ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিশুর শতকরা হার ছিল ৬১। বর্তমানে তা উন্নীত হয়েছে শতকরা ৯৭.৭০ ভাগে। শিক্ষার সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে 'শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২' প্রণয়ন করা হয়েছে, গঠন করা হয়েছে 'শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট'।
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। এর ব্যবহার আজ বিশ্বের প্রায় সর্বত্র দৃশ্যমান।
শিল্পবিপ্লব পরবর্তী পৃথিবীতে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন। এর ফলে গোটা বিশ্ব আজ গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি দূরকে কাছে এনেছে আর অসাধ্যকে করেছে সাধন।
গত দুই দশকে বিশ্বজুড়ে তথ্যপ্রযুক্তির কারণে যে অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটেছে, বাংলাদেশও এ জীয়নকাঠির স্পর্শে ধীরে ধীরে জেগে উঠেছে। গত দশ বছরে এ দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটেছে। তথ্যপ্রযুক্তি যে বাংলাদেশের জন্যও সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি, এ কথা আজ সবাই উপলব্ধি
করছে। তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপারে খুবই আগ্রহ প্রকাশ করছে। কেননা, স্কুল
থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কম্পিউটার শিক্ষা কার্যক্রম প্রবর্তন করা
হয়েছে। কম্পিউটারের মাধ্যমে তাদের শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে
তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, তেমনি শিক্ষাক্ষেত্রও ধীরে ধীরে অগ্রসর
হচ্ছে। অর্থনৈতিক জীবনযাত্রায়ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার লক্ষণীয়।
তথ্যপ্রযুক্তিকে মূলধন হিসেবে ব্যবহার করে এবং মেধা ও শ্রমকে কাজে
লাগিয়ে বিশ্বের অনেক দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে নানা প্রতিকূলতা
থাকা সত্ত্বেও তথ্যপ্রযুক্তি খাত বাংলাদেশের উন্নয়নে বিভিন্নভাবে অবদান
রাখছে। দেশে কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরি বেশ বেড়েছে। এমনি করে
কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জাতীয় তথ্য অবকাঠামো গঠন, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার
- উন্নয়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ব্যাংকিং ব্যবস্থাসহ সর্বক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির
ব্যবহার আজ ব্যাপক লক্ষণীয়। তাই বলা যায়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির
= ব্যবহার আজ প্রায় সর্বত্র পৌঁছে গেছে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত আধুনিক মালয়েশিয়ার গঠনে মাহাথির মোহাম্মদের সফল নেতৃত্বের সাথে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনার সাদৃশ্য পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে মাহাথির মোহাম্মদ তার দেশ মালয়েশিয়াকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করেন। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উন্নয়নের মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ, দারিদ্র্য বিমোচন এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধিসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন। এ কারণে তাকে আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক বলা হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও অনুরূপ বক্তব্য প্রযোজ্য। কারণ, তিনিও বাংলাদেশের উন্নয়নে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের মতোই অবদান রেখেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের ফলেই দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা, এমডিজি অর্জন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গসমতা, কৃষিক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন, দারিদ্র্যসীমা হ্রাস, পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্পসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এছাড়াও পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পসমহের মাধ্যমে অভূতপূর্ব উন্নয়নকে গতিশীল রাখা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তার সরকার শতভাগ ছাত্র- ছাত্রীকে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করা হয়েছে। শিক্ষার সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নেও শেখ হাসিনার সরকার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। নারীর সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে 'জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালা-২০১১'। এছাড়া শেখ হাসিনার সরকার শিশুদের সার্বিক অধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে প্রণয়ন করেছে জাতীয় শিশুনীতি ২০১১। শুধু তাই নয়, শেখ হাসিনার সরকার, খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, কৃষির উন্নয়ন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, বৈদেশিক নীতির বাস্তবায়ন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে' উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।
উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সাদৃশ্যপূর্ণ ব্যক্তি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
Related Question
View Allউপজেলা ব্যবস্থা জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময় প্রবর্তিত হয়।
ইনডেমনিটির আভিধানিক অর্থ হলো কাউকে নিরাপদ করা বা নিরাপত্তা বিধান করা। মূলত যারা জাতির পিতা ও তার পরিবারবর্গ, জাতীয় চার নেতাকে অবৈধভাবে অস্ত্রের জোরে হত্যা করেছিল বাংলাদেশের কোনো আদালতে এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না- এই মর্মে ইনডেমনিটি বা নিরাপত্তা বিধান করা হয়েছিল।
উদ্দীপকে স্বাধীনতা পরবর্তী নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেছিল। তার শাসনামলের দীর্ঘ নয় বছরের প্রায় পুরো - সময়টাই জনগণ আন্দোলন করেছে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় জোট, বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ), আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, কৃষক সংগঠনসহ এরশাদবিরোধী চেতনা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে যায়। হরতাল-অবরোধে প্রশাসনে এক প্রকার স্থবিরতা দেখা দেয়। অবশেষে জেনারেল এরশাদ তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালে পদত্যাগ করেন।
উদ্দীপকের চলচ্চিত্রে দেখা যায়, সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাধারণ জনগণ, কৃষক, শ্রমিক বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এ বিষয়গুলোতে ১৯৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পায়।
সামরিক শাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর বুকে ও পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক' 'স্বৈরাচার নিপাত যাক' লেখাসহ ঢাকার জিপিও-এর নিকট জিরো পয়েন্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন নূর হোসেন। ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার এক সমাবেশে নির্বিচারে জনতার উপর গুলি চালায়, অল্পের জন্য শেখ হাসিনা বেঁচে যান। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে জনগণ ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর বিরোধী জোট ও দলগুলো সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে যা রাজনৈতিক অঙ্গনকে উত্তপ্ত করে তোলে। এদিন মিছিলে পুলিশের গুলিতে ৫ জন নিহত হয় এবং তিন শতাধিক আহত হয়। আর ধারাবাহিক আন্দোলনের পথে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির পাশে পুলিশের গুলিতে ডা. শামসুল আলম খান মিলন নিহত হলে এরশাদবিরোধী আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। রাজপথ চলে যায় জনতার দখলে এবং ঢাকা পরিণত হয় মিছিলের শহরে। অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। বস্তুত নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পায়।
বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেছেন।
শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার শতভাগ ছাত্র-ছাত্রীকে বিনামূল্যে বই বিতরণ করছে। ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করেছে। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষকের চাকরি সরকারিকরণ করা হয়েছে। ১৯৯০ সালে বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিশুর শতকরা হার ছিল ৬১। বর্তমানে তা উন্নীত হয়েছে শতকরা ৯৭.৭০ ভাগে। শিক্ষার সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে 'শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১২' প্রণয়ন করা হয়েছে, গঠন করা হয়েছে 'শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট'।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!