বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে পৃথিবীতে দুটি বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এসব যুদ্ধ ছিল মানব সভ্যতার অগ্রযাত্রায় বিরাট বাধা। বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা বিশ্ববাসীকে শঙ্কিত ও হতবাক করে দেয়। তাদের মনে দানা বাঁধে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা। এ আকাঙ্ক্ষা থেকেই বিশ্বনেতৃবৃন্দের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ১৯৪৫ সালে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯১৪ সালে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অসামান্য ভূমিকা রয়েছে।

২০১৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে মোট ১,৫৭,০৫০ জন সদস্য পাঠিয়েছে। সংখ্যার দিক থেকে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রথম স্থান দখল করে আছে। বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের ৪০টি দেশে ৫০টি মিশনে কাজ করছে। তাই বলা যায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের অবস্থান উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
134

বিশ্বের সকল স্বাধীন রাষ্ট্রই সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। প্রতিটি দেশের সরকারের দায়িত্ব হলো দেশকে সুন্দর ও সঠিকভাবে পরিচালনার মাধ্যমে দেশ ও জনগণের কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন সাধন করা। এজন্য বিভিন্ন দেশের সরকার বিভিন্নমুখী কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে। কিন্তু এমন অনেক বিষয় রয়েছে যা কোনো সরকারের পক্ষে এককভাবে করা সম্ভব হয় না। প্রয়োজন হয় অন্য কোনো দেশ বা সংস্থার সহযোগিতা। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণার উদ্ভব হয়েছে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন সহযোগিতা সংস্থা। এদের মধ্যে অন্যতম হলো জাতিসংঘ। এ অধ্যায়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তাসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

১. আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণা ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
২. জাতিসংঘের গঠন বর্ণনা করতে পারব;
৩. জাতিসংঘ গঠনের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে পারব;
৪. জাতিসংঘের মৌলিক নীতিসমূহ বর্ণনা করতে পারব;
৫. জাতিসংঘের বিভিন্ন শাখার উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম বর্ণনা করতে পারব;
৬. বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব;
৭. বিশ্ব শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের ভূমিকা বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জাতিসংঘের একটি মৌলিক নীতি হলো- জাতিসংঘের সকল দিস্য রাষ্ট্র সমান মর্যাদা ও সমান সার্বভৌমত্বের অধিকারী হবে।

প্রতিসংঘের সদস্যভুক্ত কোনো রাষ্ট্র অন্যান্য রাষ্ট্রের তুলনায় অধিক মর্যাদার ধিকারী হবে না বা বঞ্চিত হবে না এবং সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রেও সকলের ধিকার সমান হবে। কোনো রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ রতে পারবে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
319
উত্তরঃ

উদ্দীপকের দুই ইউনিয়নের বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াটি জাতিসংঘের যে নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা হলো, সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে।

বিশ্বশান্তি ও সহযোগিতার মহান লক্ষ্য নিয়ে ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য জাতিসংঘ সাতটি মৌলিক নীতি ঘোষণা করেছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নীতি হলো- সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে।

উদ্দীপকের 'ক' উপজেলার অন্তর্গত সকল ইউনিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ২০১২ সালে 'ক' উপজেলার চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে কিছু নীতিমালা করা হয়। এর ফলে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এলাকার মানুষ নিরাপদ জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়। কিন্তু দুটি ইউনিয়নের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে 'ক' উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তা সমাধান হয়, যা জাতিসংঘের অন্যতম নীতি তথা 'সকল সদস্য রাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসা করতে হবে'- এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
222
উত্তরঃ

'ক' উপজেলার শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠা করার প্রচেষ্টার অনুরূপ-উক্তিটি যথার্থ।

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার একটি প্রধান উদ্দেশ্যই ছিল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা। সূচনালগ্ন থেকেই বিশ্বশান্তি রক্ষার প্রধান দায়িত্ব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উপর ন্যস্ত। ফলে বিশ্বের কোথাও আন্তর্জাতিক শান্তি বিরোধী কোনো কাজ সংঘটিত হলে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এভাবে জাতিসংঘ বিশ্বশান্তি রক্ষায় ভূমিকা পালন করে থাকে। দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দক্ষিণ সুদানের স্বাধীনতা অর্জন এর অন্যতম উদাহরণ।

উদ্দীপকের 'ক' উপজেলার ক্ষেত্রে দেখা যায়, উপজেলার সব ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা একত্রিত হয়ে উপজেলার চেয়ারম্যানকে পরিষদের সভাপতি করে প্রত্যেকটি ইউনিয়নের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কিছু নীতিমালা করেন। একইসাথে প্রতিটি ইউনিয়নের বিরোধ মীমাংসা, উন্নয়ন এবং এলাকার মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য কাজ শুরু করেন। ফলে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এলাকার মানুষ নিরাপদ জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়।

উপরের আলোচনায় এটি সুস্পষ্ট যে, জাতিসংঘের বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার সাথে 'ক' উপজেলার শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
208
উত্তরঃ

জাতিসংঘের অন্যতম কাজ হলো আঞ্চলিক সংস্থাসমূহের সহযোগিতা গ্রহণ করা।

নিজেদের জন্য উন্নয়ন ও শান্তিময় বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থার পাশাপাশি পৃথিবীতে বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্থাও গড়ে উঠেছে। এসব সংস্থার মধ্যে রয়েছে সার্ক, আসিয়ান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন প্রভৃতি। জাতিসংঘ এসব সংস্থার সহযোগিতা গ্রহণ করে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
335
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র

Related Question

মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews