বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের জনগণের চেয়ে পূর্বাঞ্চলের জনগণ অনুন্নত ও অবহেলিত ছিল। পশ্চিমাঞ্চলের শাসকগোষ্ঠীর বৈরী মনোভাব আর পূর্বাঞ্চলের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের উদ্দেশ্য পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি নামে দুটি রাষ্ট্র জন্মলাভকরে। এ বিভক্তির ফলে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। জনগণের একটি অংশ এ বিভক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। অবশেষে প্রবল অন্দোলনের মুখে দুই জার্মানিকে পুনরায় একত্রিত করা হয়।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

মোহামেডান লিটারারি সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা নবাব আব্দুল লতিফ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে একুশে ফেব্রুয়ারি স্মরণীয় হয়ে আছে।
একুশে ফেব্রুয়ারি সারা বিশ্বের মানুষের কাছে একটি স্মরণীয় দিন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এই দিনে বাংলাকে মাতৃভাষা করার দাবিতে বাঙালি জাতি সরকারের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাস্তায় নেমে আসে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার দাবিতে মিছিলরত জনগণের ওপর পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। ফলে রফিক, শফিক, জব্বারসহ বেশ কয়েকজন নিহত হয়। পৃথিবীতে বাঙালিই একমাত্র জাতি যারা ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে। তাই একুশে ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো মহান একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত দুই জার্মানির বিভক্তি ব্রিটিশ বাংলার বক্তঙ্গভঙ্গের ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

ব্রিটিশভারতের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভজা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ভারতে নিযুক্ত তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তদানীন্তন বঙ্গ প্রেসিডেন্সিকে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ নামে দুটি নতুন প্রদেশে বিভক্ত করেন। উদ্দীপকে বর্ণিত জার্মানিকে পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলে বিভক্তির মধ্যে উল্লিখিত বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে লক্ষ করা যায় যে, বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলের জনগণের চেয়ে পূর্বাঞ্চলের জনগণ অবহেলিত ও অধিকারবঞ্চিত ছিল। পশ্চিমাঞ্চলের শাসকগোষ্ঠীর বৈরী মনোভাবের প্রেক্ষিতে পূর্বাঞ্চলের জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে পূর্ব জার্মানি ও পশ্চিম জার্মানি নামে দুটি পৃথক রাষ্ট্র জন্ম লাভ করে। ঠিক একইভাবে বিংশ শতাব্দীর প্রথমদিকে বঙ্গ প্রদেশের পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ পূর্ব বাংলা পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে অনুন্নত ও অবহেলিত ছিল। অবিভক্ত বাংলার রাজধানী কলকাতাকে কেন্দ্র করে বাংলার সকল প্রকার অর্থনৈতিক, শিক্ষা, যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। আর পূর্ব বাংলা ছিল চরম অবহেলিত। অর্থনৈতিক দিক থেকে কলকাতা ক্রমশ উন্নত হতে থাকে এবং পূর্ব বাংলার অবনতি ঘটে। এরূপ পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকার পূর্ববঙ্গের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ও মুসলমানদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বঙ্গভঙ্গ করে। সুতরাং দেখা যায়, জার্মানির বিভক্তির মধ্যে বঙ্গভঙ্গের চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

জার্মানির পুনরায় একত্রীকরণ ও বঙ্গভঙ্গের পরিণতি একই ছিল।
বঙ্গভঙ্গের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। পূর্ব বাংলার জনগণের নিকট বঙ্গভঙ্গ ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বঙ্গভঙ্গের ফলে মুসলমানরা সামাজিক মর্যাদা ফিরে পায় এবং তাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম তথা সার্বিক দিকে প্রগতি নিশ্চিত করার শুভ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায় বক্তাভঙ্গের বিরোধিতা করে, যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়। জার্মানির বিভক্তিকরণের ক্ষেত্রেও একই ফলাফল পরিলক্ষিত হয়।

জার্মানিকে পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলে বিভক্ত করলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার শুরু হয়। জনগণের একটি অংশ এ বিভত্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে। অবশেষে প্রবল আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালে দুই জার্মানিকে পুনরায় একত্র করা হয়। ঠিক একইভাবে ব্রিটিশ ভারতে বঙ্গ প্রদেশকে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ এই দুই অঞ্চলে বিভক্ত করা হলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। মুসলমান সম্প্রদায় ব্যাপকভাবে সমর্থন জানালেও কলকাতাকেন্দ্রিক উচ্চ ও মধ্যবিত্ত হিন্দু সমাজ বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রচন্ড ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকে। কারণ বঙ্গভঙ্গের ফলে তাদের অর্থনৈতিক ও পেশাগত স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাছাড়া কলকাতার বুদ্ধিজীবী মহল থেকে প্রচার করা হয় যে, বঙ্গভঙ্কোর অর্থ হচ্ছে 'মাতৃভূমিকে বিভক্ত করা'। তাই বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদস্বরূপ তারা ব্রিটিশ পণ্য বর্জনে স্বদেশি আন্দোলন ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে থাকে। বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটতে থাকে।
শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস ও হিন্দুদের প্রচণ্ড বিরোধিতায় ব্রিটিশ সরকার নতি স্বীকার করে। দিল্লির রাজদরবারে ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করে দুই বাংলাকে আবার একত্র করে।
সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণার মধ্য দিয়ে জার্মানির পুনরায় একত্রীকরণ ও বঙ্গভঙ্গ ঘটনার পরিণতি একই ধারায় প্রবাহিত হয়েছে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
25
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর লর্ড ক্লাইভ বাংলা প্রদেশকে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করে, তা-ই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।
দ্বৈত শাসন হলো দুইজনের শাসন। এ ব্যবস্থায় বাংলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ফৌজদারি বিচার, শান্তিরক্ষা, দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নবাবের ওপর। অন্যদিকে বাংলার রাজস্ব আদায়, দেওয়ানি সংক্রান্ত বিচার, জমি-জমার বিবাদ সম্পর্কিত বিচার কোম্পানির ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পান ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। লর্ড ক্লাইভের বাংলা শাসনের এ অভিনব নীতিই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
136
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার সাথে আমার পাঠ্যপুস্তকে উল্লিখিত ব্রিটিশ শাসনামলের ঐতিহাসিক ঘটনা বঙ্গভঙ্গের মিল রয়েছে।

ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ঔপনিবেশিক শাসনামলে ব্রিটিশ শাসকদের 'ভাগ কর শাসন কর' নীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো বক্তাভঙ্গ। ভারতে নিযুক্ত তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার কথা চিন্তা করে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তদানীন্তন বা প্রেসিডেন্সিকে দুটি ভাগে ভাগ করেন। উদ্দীপকে বর্ণিত সুদানের জনগণকে দুটি শিবিরে বিভক্ত করার মধ্যে তার এ কর্মকান্ডেরই সুস্পষ্ট প্রতিফলন লক্ষ করা যায়।
দীর্ঘদিন ঔপনিবেশিক শাসনে থাকা সুদানকে শাসন করার জন্য এক সময় ঔপনিবেশিক শাসকেরা এ অঞ্চলের জনগণকে দুটি শিবিরে বিভক্ত করে। একইভাবে লর্ড কার্জন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় হয়ে এসে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। কারণ বাংলা প্রদেশ ছিল ব্রিটিশ ভারতের প্রদেশসমূহের মধ্যে সর্ববৃহৎ। এর আয়তন ছিল ১ লক্ষ ৮৯ হাজার বর্গমাইল এবং লোকসংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ কোটি। ফলে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিত। এছাড়া পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় আর্থ-সামাজিক সুবিধাটি নিশ্চিত করা এবং ব্রিটিশদের Divide and Rule Policy-এর বাস্তবায়ন করার জন্য এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য লর্ড কার্জন বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করে দুটি প্রদেশে রূপান্তরিত করেন, যা বজাভা হিসেবেই সমধিক পরিচিত। এ পরিকল্পনা অনুসারে বাংলাকে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগ (দার্জিলিং বাদে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ জেলাসহ) এবং আসাম নিয়ে 'পূর্ব-বাংলা ও আসাম' নামে একটি নতুন প্রদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ঢাকাকে নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় এবং এর শাসনভার অর্পণ করা হয় স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারের ওপর। কলকাতাকে রাজধানী করে অবিভক্ত বাংলার অন্যান্য অংশ নিয়ে 'বজল প্রদেশ' প্রতিষ্ঠা করা হয়। তাই দেখা যাচ্ছে, উদ্দীপকে বর্ণিত সুদানের জনগণকে দুটি শিবিরে ভাগ করার সাথে ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গভঙ্গের ঘটনা সাদৃশ্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
70
উত্তরঃ

বঙ্গভঙ্গের ফলে ভারতীয় হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গের ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। পূর্ব বাংলার জনগণের নিকট বঙ্গভঙ্গ ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বঙ্গভঙ্গের ফলে মুসলমানরা সামাজিক মর্যাদা ফিরে পায় এবং তাদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি, ধর্ম তথা সার্বিক দিকে প্রগতি নিশ্চিত করার শুভ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায় বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে, যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

ব্রিটিশ ভারতে বাঙ্গ প্রদেশকে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবরা এই দুই অঞ্চলে বিভন্ত করা হলে উভয় অঞ্চলের জনগণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। মুসলমান সম্প্রদায় ব্যাপকভাবে সমর্থন জানালেও কলকাতাকেন্দ্রিক উচ্চ ও মধ্যবিত্ত হিন্দু সমাজ বকাভকোর বিরুদ্ধে প্রচণ্ড ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকে। কারণ বক্তাভলোর ফলে তাদের অর্থনৈতিক ও পেশাগত স্বার্থ ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাছাড়া কলকাতার বৃদ্ধিজীবী মহল থেকে প্রচার করা হয় যে, বঙ্গভঙ্গের অর্থ হলো 'মাতৃভূমিকে বিভক্ত করা'। তাই বজ্ঞাভজোর প্রতিবাদস্বরূপ তারা ব্রিটিশ পণ্য বর্জনে স্বদেশি আন্দোলন ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চালাতে থাকে। বঙ্গভজ্ঞজাকে কেন্দ্র করে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটতে থাকে। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস ও হিন্দুদের প্রচণ্ড বিরোধিতায় ব্রিটিশ সরকার নতি স্বীকার করে। দিল্লির রাজদরবারে ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা বজাভঙ্গ রদ ঘোষণা করে দুই বাংলাকে আবার একত্র করে।
সার্বিক আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বঙ্গভজোর ফলে মুসলমানরা কিছুটা লাভবান হলেও হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ফাটল ধরে। উভয়ের মধ্যে সন্দেহ, রেষারেষি মারাত্মক পর্যায়ে রূপ নেয়। এ বৈরী সম্পর্কের রেশ ধরেই এক সময় তারা আলাদা হয়ে যায়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
63
উত্তরঃ

১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর লর্ড ক্লাইভ বাংলা প্রদেশকে শাসন করার যে নীতি গ্রহণ করে, তা-ই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত। দ্বৈত শাসন হলো দুইজনের শাসন। এ ব্যবস্থায় বাংলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, ফৌজদারি বিচার, শান্তিরক্ষা, দৈনন্দিন প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্ব ছিল নবাবের ওপর। অন্যদিকে বাংলার রাজস্ব আদায়, দেওয়ানি সংক্রান্ত বিচার, জমি-জমার বিবাদ সম্পর্কিত বিচার কোম্পানির ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, আর নবাব পান ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। লর্ড ক্লাইভের বাংলা শাসনের এ অভিনব নীতিই 'দ্বৈত শাসন' নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
113
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews