মানবদেহের বৃদ্ধি ২০-২৪ বছর বয়স পর্যন্ত ঘটে।
আমাদের দেহ কোষের গঠন এবং কার্যাবলি আমিষের সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত হয়। এছাড়া দেহের অস্থি, পেশি, লোম, নখ প্রভৃতি আমিষ দিয়ে তৈরি। তাই দেহ কোষের গঠন ও কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য আমরা আমিষ জাতীয় খাদ্য খাই।
উদ্দীপকের শিক্ষক হোসেন সাহেব খাদ্যগুলোকে বিভিন্ন প্রকার খাদ্য উপাদানে আলাদা করেন। খাদ্যের উপাদানের ভিত্তিতে হোসেন সাহেবের তালিকাটি নিম্নে ছকাকারে দেখানো হলো-
শর্করা | আমিষ | স্নেহ পদার্থ | ভিটামিন ও | খনিজ লবণ ফল |
ভাত, গোল আলু, চিনি, রুটি, মধু | ইলিশ মাছ, মুরগির ডিম, মসুর ডাল, ছোট মাছ, ছোলা | চর্বিযুক্ত মাংস, দই, ঘি, আইসক্রিম, তেল | মিষ্টিকুমড়া, ফুলকপি, টমেটো, পুঁইশাক | কাঁঠাল, আম |
সাধারণত আয়ের উপর নির্ভর করে আমরা আমাদের সুষম খাদ্য তালিকা নির্বাচন করি। সুষম খাদ্যের সংজ্ঞানুযায়ী যে খাদ্যে ছয়টি উপাদানই গুণাগুণ অনুসারে উপযুক্ত পরিমাণে থাকে এবং যে খাদ্য গ্রহণ করলে দেহে স্বাভাবিক কাজ কর্মের জন্য উপযুক্ত পরিমাণ ক্যালরি পাওয়া যায়, তাই সুষম খাদ্য। তাই আয়ের উপর নির্ভর করে সুষম খাদ্য নির্বাচন করতে হয়।
স্বপ্নও অধিক আয়ের মানুষের ক্ষেত্রে এমন খাদ্য নির্বাচন করা উচিত। যাতে তাদের খাদ্যে খাদ্য উপাদানগুলো সঠিক পরিমাণে থাকে। তবে আয়ের উপর ভিত্তি করে খাদ্য তালিকা ভিন্ন হতেই পারে।
উদ্দীপকের উল্লেখিত খাবারগুলোকে নিয়ে সুষম খাদ্য তালিকা নির্বাচন করলে তাতে ভিন্নতা পাওয়া যাবে। কারণ একই খাদ্য উপাদান কিন্তু দাম ভিন্ন বেশি দামের খাদ্য কম আয়ের পক্ষে কেনা সম্ভব হবে না। তাই খাদ্য তালিকা আলাদা হবে। নিচে ছকের মাধ্যমে স্বপ্ন ও অধিক আয়ের ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য সুষম খাদ্য তালিকা দেয়া হলো-
| খাদ্য উপাদানে নাম | স্বল্প আয়ের ক্ষেত্রে | অধিক আয়ের ক্ষেত্রে |
| শর্করা | ভাত, গোল আলু, রুটি | ভাত, গোল আলু, চিনি, রুটি, মধু |
| আমিষ | মুরগির ডিম, মসুর ডাল, ছোট মাছ, ছোলা | ইলিশ ও ছোট মাছ, মুরগির ডিম, মসুর ডাল, ছোলা |
| স্নেহ | দই, ঘি, তেল | চর্বিযুক্ত মাংস, দই, ঘি, তেল, আইসক্রিম |
| ভিটামিন ও খনিজ লবণ (শাক- সবজি) ফল | মিষ্টি, কুমড়া, ফুলকপি, টমেটো, পুঁইশাক, আম, কাঁঠাল | মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি, টমেটো, পুঁইশাক, আম, কাঁঠাল |
তাই উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, আয়ের ভিত্তিতে সুষম খাদ্য তালিকা ভিন্ন হবে, তবে খাদ্য যাই হোক না
কেন সুষম খাদ্যের ঘাটতি ও স্বাস্থ্যকর হতে হবে।
Related Question
View Allকীভাবে ভর সূচি বা BMI নির্ণয় করা হয়?
ভর সূচি নির্ণয়ের সূত্র হলো: ভর সূচি = ওজন (কেজি) / (উচ্চতা (মি) x উচ্চতা (মি))।
উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তির ওজন ৭০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৭৫ মিটার হয়, তাহলে তার ভর সূচি হবে: ভর সূচি = ৭০ / (১.৭৫ x ১.৭৫) = ৭০ / ৩.০৬২৫ ≈ ২২.৮৬।
ভর সূচির ব্যবহার
প্রাপ্ত ভর সূচির মান ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর ওজন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো সাধারণত এই মান ব্যবহার করে ওজন-সম্পর্কিত রোগ বা স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা মূল্যায়ন করে থাকে।
জেরোফথ্যালমিয়া ভিটামিন 'এ' এর অভাব জনিত একটি রোগ। জেরোফথ্যালমিয়ায়, বিটোটের দাগগুলি কনজাংটিভাল জেরোসিসের পরে দেখা দেয়। ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জেরােফথ্যালমিয়া নামক রােগ হয়। যখন ভিটামিন এ-এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়,তখন চোখের কর্নিয়ায় আলসার সৃষ্টি হয় সে অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া বলে।
ফল, শাকসবজি, শস্যদানা ইত্যাদি উপস্থিত সেলুলোজ নির্মিত আঁশ বা তন্তুর ন্যায় অপাচ্য অংশই হলো রাফেজ।
খাদ্যপ্রাণ বলতে সাধারণত জীবিত প্রাণী বোঝায়। অর্থাৎ, যে সকল প্রাণী খাদ্য গ্রহণ করে, বৃদ্ধি পায়, প্রজনন করে এবং পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে খাদ্যপ্রাণ বলা হয়।
খাদ্যপ্রাণের কিছু উদাহরণ:
- মানুষ: আমরা খাদ্য গ্রহণ করে শক্তি পাই এবং বেঁচে থাকি।
- প্রাণী: সকল প্রাণী, যেমন সিংহ, হাতি, পাখি, মাছ ইত্যাদি।
- পোকামাকড়: মশা, মাছি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
- উদ্ভিদ: উদ্ভিদ সূর্যের আলো, পানি এবং মাটি থেকে খাদ্য তৈরি করে।
খাদ্যপ্রাণের মূল বৈশিষ্ট্য:
- জীবন: খাদ্যপ্রাণের মধ্যে জীবনের উপস্থিতি থাকে।
- বৃদ্ধি: খাদ্য গ্রহণ করে খাদ্যপ্রাণ বৃদ্ধি পায়।
- প্রজনন: খাদ্যপ্রাণ নিজের প্রজাতির বংশ বিস্তার করে।
- পরিবেশের সাথে যোগাযোগ: খাদ্যপ্রাণ পরিবেশের সাথে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ করে।
খাদ্যপ্রাণের শ্রেণিবিন্যাস:
খাদ্যপ্রাণকে বিভিন্ন ভাবে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। যেমন:
- খাদ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে: শাকসভী, মাংসাশী, সর্বভুক ইত্যাদি।
- বাসস্থানের উপর ভিত্তি করে: স্থলচর, জলচর, উড়ুচর ইত্যাদি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!