বিথির মতো অপরাধীদের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি? মতের পক্ষে তথ্য দাও।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিথির মতো অপরাধীদের সংশোধন ও উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রের মাধ্যমে বেশকিছু কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অনুর্ধ্ব-১৬ বছরের অপরাধীদের আচরণ সংশোধন এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে কিশোর-কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ কেন্দ্র আইনের সংস্পর্শে আসা ও অপরাধের সাথে জড়িত কিশোর-কিশোরীদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজে পুনর্বাসন করে। বিথির মতো অপরাধীরাও এ কার্যক্রমেরই আওতাভুক্ত।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালের শিশু আইন এবং ১৯৭৬ সালের জাতীয় শিশু নীতিমালার ভিত্তিতে ১৯৭৮ সালে গাজীপুর জেলার টঙ্গীতে কিশোর-কিশোরী সংশোধনী প্রতিষ্ঠান (২০০ আসন বিশিষ্ট) স্থাপন করে। এছাড়া গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ২০০২ সালে ১টি কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র এবং ১৯৯২ সালে যশোরের পুলের হাটে ১টি কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। এ সব কেন্দ্রে আগত ও অবস্থানরত শিশুদের আবাসন, সংশোধন, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে শাস্তি দেওয়ার জন্য নয় বরং সংশোধনের জন্য কিশোরদের গ্রহণ করা হয়। প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীর মাধ্যমে কিশোর অপরাধীরা যাতে প্রভাবিত এবং হয়রানির শিকার না হয় এজন্য তাদেরকে আটক নিবাসে আলাদা রাখা হয়।

কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রগুলো কিশোর অপরাধীদের প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, আচরণগত সংশোধন ও উন্নয়নেও কাজ করে। যথোপযুক্ত ক্ষেত্রে দক্ষতা উন্নয়নভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সংশোধনে পরামর্শমূলক নানাবিধ সেবা প্রদান করে। এর মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক বিচ্যুত কিশোর-কিশোরী শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত হয়ে সমাজে পুনর্বাসিত হয়েছে।
উপরের আলোচনা থেকে প্রমাণিত হয়, বিথির মতো কিশোর অপরাধীদের সংশোধন ও উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার ব্যাপক কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

111
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

বিবাহ সমাজে বংশের ধারা বজায় রাখে।

বিবাহিত পিতা-মাতার সন্তান বংশ সুরক্ষায় সক্ষম হয়। সন্তান পিতা-মাতার সম্পত্তির উত্তরাধিকার হয়। বিবাহই সন্তানকে অবৈধ সন্তানের পরিচয়ের গ্লানি থেকে রক্ষা করে এবং পিতৃ পরিচয় দান করে। সন্তানের সামাজিক পরিচিতির নিয়ামক হলো বিবাহ। বিবাহ সমাজে সন্তানের পিতৃত্ব তথা অভিভাবকত্ব নির্ধারণ করে।

177
উত্তরঃ

রঞ্জ মৌলিক মানবিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত।

বর্তমান যুগে মানুষকে সভ্য সমাজে সমাজে টিকে থাকতে হয় সমাজে ভালোভাবে টিকে থাকার জন্য যা যা প্রয়োজন তা পূরণ করাই হলো মৌলিক মানবিক চাহিদা। অন্যভাবে বলা যায়, একজন মানুষের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ এবং সভ্য সমাজে বেঁচে থাকার জন্য যে সকল চাহিদা পূরণ করতে হয় সেসব চাহিদাকে বলা হয় মৌলিক মানবিক চাহিদা। এ চাহিদাগুলো পূরণ ব্যতীত পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। যেমন- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা। প্রতিটি মানুষের এ চাহিদাগুলো পূরণ করা আবশ্যক। যদি কেউ এগুলোর বেশিরভাগ পূরণ করতে না পারে তাহলে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।

রঞ্জুর ক্ষেত্রেও দেখা যায়, সে প্রায়ই খাদ্যের অভাবে না খেয়ে থাকে এবং স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায় না। এগুলো সবই মৌলিক মানবিক চাহিদার অন্তর্ভুক্ত। তাই বলা যায়, রঞ্জু মৌলিক মানবিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত।

167
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত এনজিওটি হচ্ছে ইউসেপ। ইউসেপের সকল কার্যক্রমে সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ করে এর সফলতা আরো বৃদ্ধি করা হয়।

সমাজকর্ম একটি স্বীকৃত পেশা। এ পেশায় একজন সমাজকর্মী তার কর্মক্ষেত্রে সমাজকর্মের বিষয়ে অর্জিত জ্ঞান প্রয়োগ করে সাহায্যার্থীর সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা চালায়। এক্ষেত্রে সমাজকর্মী সমাজকর্মের বিভিন্ন পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকে। ইউসেপ বাংলাদেশে একটি বেসরকারি এনজিও সংস্থা। এটি দরিদ্র ও দুস্থ ছেলে-মেয়েদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে থাকে। এজন্য নানা ধরনের কর্মসূচি এখানে পরিচালিত হয়ে থাকে। ইউসেপে এর কার্যক্ষেত্রে সমাজকর্মের প্রায় সব কয়টি পদ্ধতি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। প্রথমত এখানে দল সমাজকর্মের পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। কেননা সাধারণ স্কুল ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও দলগতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে। দলীয় গতিশীলতা এখানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। এছাড়া সাধারণ শিক্ষার পর শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করে তাদের কারিগরি শিক্ষা ক্ষেত্রে স্থানান্তর করা হয়।

ব্যক্তি সমাজকর্মের মনো-সামাজিক অনুধ্যানের প্রক্রিয়ায় এটি করাহয়ে থাকে। সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি ইউসেপে এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কেননা শহরের বিশেষ একটি গোষ্ঠী বা সমষ্টির ভাগ্য উন্নয়নে ইউসেপে কাজ করে থাকে। এছাড়া ইউসেপের লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে নানা ধরনের গবেষণামূলক কাজ করা হয়ে থাকে। সমাজকর্মের বিভিন্ন কৌশলও ইউসেপে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। মূলত সমাজকর্ম একটি সাহায্যকারী পেশা। এ পেশার প্রতিটি পদ্ধতি প্রণীত হয়েছে সাহায্যার্থীর কল্যাণে। এ জন্য মানবকল্যাণধর্মী সব প্রতিষ্ঠানেই কোনো না কোনোভাবে সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রয়োগ হয়ে থাকে। ইউসেপের কার্যক্রমেও তাই সমাজকর্মের বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহার করা যেতে পারে।

174
উত্তরঃ

The History of Human Marriage' গ্রন্থের লেখক ফিনল্যান্ডের সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক এডভার্ড ওয়েস্টারমার্ক (Edvard Westermarck) |

336
উত্তরঃ

পুলিশ সমাজকর্ম সমাজকর্মের একটি বিশেষায়িত শাখা।

সমাজকর্মের এ শাখা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিশেষ করে পুলিশদের বিভিন্ন মনো-সামাজিক সমস্যা এবং প্রশাসনিক সমস্যার সমাধান ও মৌলিক চাহিদা পূরণে সাহায্য করে থাকে। বাংলাদেশে পুলিশ সমাজকর্ম বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি পুলিশ বিভাগের সদস্যদের জীবনমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

178
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews