ক্রীতদাস-ক্রীতদাসীদের সঙ্গে সর্বদা ভালো ব্যবহার করা আমাদের কর্তব্য। আমরা যা খাব তাদেরকেও তাই খেতে দেব। আমরা যা পরব তাদেরকেও তাই পরতে দেব। তাদের সঙ্গে কোনো অন্যায় আচরণ করব না।
Related Question
View Allমহানবি (স) মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন সত্য, ন্যায় ও মানবতার বাণী।
মহানবি (স) অন্তরের গভীরে কাবার আহ্বান অনুভব করলেন
সব মুসলমান একে অন্যের ভাই
অন্যায়ভাবে মানুষকে হত্যা কোরো না
মহানবি (স) চারটি কথা বিশেষভাবে মনে রাখতে বললেন।
আরবদেশের নানা স্থান থেকে প্রায় দুই লক্ষ মানুষ হজ পালন করতে এলেন। আরাফাতের ময়দানে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ দেখে মহানবি (স)-এর মন আনন্দে ভরে গেল। এত মানুষ! তারা সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। জাবালে রাহমাত নামক পাহাড় দাঁড়িয়ে তিনি সমবেত মানুষের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন
দশম হিজরি ছিল মহানবির (স) বিদায় হজ।
তাঁদের ইচ্ছা নবিজির (স) সঙ্গে হজ পালন করবেন।
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স) প্রথমেই আল্লাহর প্রশংসা করলেন।
যাঁরা তাঁকে কখনও দেখেননি তাঁরাও এই মহামানবকে একবার দেখার জন্য কাবাশরিফে এলেন।
আরাফাত ময়দান থেকে লক্ষ লক্ষ কণ্ঠে ধ্বনিত হলো, 'হ্যাঁ, আপনি পেরেছেন।'
কোনো ক্রীতদাস যদি নিজের যোগ্যতায় আমির হয়, তবে তাকে মেনে চলবে।
হযরত মুহাম্মদ (স) আমাদের শেষ নবি। তিনি আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ রাসুল। তিনি আমাদের জন্য তাঁর জীবনাদর্শ রেখে গেছেন। মৃত্যুর আগে তিনি বিদায় হজে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্দেশনা রেখে গেছেন।
বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (স) ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে আদেশ দিয়ে গেছেন। আল্লাহ ছাড়া কারও উপাসনা না করতে নির্দেশ দিয়েছেন। হত্যা, প্রতারণা ও অত্যাচার করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ অপহরণ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন।
ক্রীতদাসরাও আমাদের মতো মানুষ এবং আল্লাহর বান্দা। তাদেরও ভালোভাবে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। তাদের মনে কষ্ট দিলে আল্লাহ অখুশি হন। আর এসব কারণেই মহানবি (স) ক্রীতদাসদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে বলেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!