প্রবাহিত নদী খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।
ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।
বিধান ও হিমেলের দেখা খাড়া ঢালবিশিষ্ট ও মোচাকৃতির ভূমিরূপটি হলো আগ্নেয় পর্বত।
ভূঅভ্যন্তরের চাপের ফলে লাভা নির্গত হয় এবং পরে সঞ্চিত ও ঠান্ডা হয়ে আগ্নেয় বা সঞ্চয়জাত পর্বত গঠিত হয়। অগ্ন্যুৎপাত থেকে সৃষ্টি হয় বলে একে আগ্নেয় পর্বত বলে। উপরের দিকে নির্গত লাভা জ্বালামুখের বাইরে এসে দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। ফলে এই ধরনের পর্বতের চূড়াগুলো শঙ্কু বা মোচাকৃতির হয়ে থাকে।
জাপানের ফুজিয়ামা, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো এ জাতীয় পর্বতের উদাহরণ।
বিধানের বাড়ি বান্দরবানে যা টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং হিমেলের বাড়ি খুলনায় যা বদ্বীপ সমভূমির অন্তর্ভুক্ত। এ দুটি অঞ্চলের ভূমির গঠন বৈশিষ্ট্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো-
বিধানের অঞ্চলটি টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় সৃষ্টি হয়েছে। এ পাহাড়গুলো আসামের লুসাই ও বার্মার আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়। চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের দক্ষিণ-পূর্বাংশ এবং সিলেট জেলার উত্তর-পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
এ অঞ্চলের ভূমি বেলেপাথর, শেল ও কাদামাটি দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
অপরদিকে, হিমেলের অঞ্চলটি বদ্বীপ সমভূমির অন্তর্গত। নদী মোহনার কাছাকাছি আসলে স্রোতের বেগ একেবারে কমে যায়। এতে কাদা ও বালি তলানিরূপে সঞ্চিত হয়। এ তলানি প্রথমে নদীর মোহনায় বিভিন্ন চরের সৃষ্টি করে। পরে চরসমূহের মধ্য দিয়ে নদীর স্রোতধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে বদ্বীপ ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়। এ ভূমি খুবই উর্বর হয়।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, বিধান ও হিমেলের বাংলাদেশে বসবাসকৃত অঞ্চল দুটির ভূমির গঠন বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।
Related Question
View Allযে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় সে খাতকে নদী উপত্যকা বলে।
উর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ার কারণে নদী বড় বড় শিলাখন্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নদিকের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।তাই একে 'V' উপত্যকা বলা হয়।
প্রবাহিত নদী খাতকে উক্ত নদীর উপত্যকা বলে।
ঊর্ধ্বগতিতে নদীর পার্শ্বক্ষয় অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয় বলে উপত্যকা 'V' আকৃতির হয়।
ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদীর স্রোতের বেগ প্রবল হওয়ায় তা বড় বড় শিলাখণ্ডকে বহন করে নিচের দিকে অগ্রসর হয়। পর্বতগুলো কঠিন শিলা দ্বারা গঠিত হলেও মাঝে মাঝে নরম শিলাও থাকে। নদীখাতে নিচের শিলা বেশি কোমল বলে পার্শ্ব অপেক্ষা নিম্নক্ষয় বেশি হয়। এভাবে ক্রমশ ক্ষয়ের ফলে নদী উপত্যকা অনেকটা ইংরেজি 'V' আকৃতির হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!