যে দলিলের মাধ্যমে ব্যাংক দেশ বিদেশে তার কোনো শাখা বা প্রতিনিধিকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেয় তাকে ব্যাংকের আজ্ঞাপত্র বলে।
বাংলাদেশে বহাল আইন অনুযায়ী প্রাপকের নির্দেশ অনুসারে প্রদেয় অঙ্গীকারপত্র, বিনিময় বিল ও চেককে হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলে।
বৈদেশিক বাণিজ্যে লেনদেন নিষ্পত্তিতে বিনিময় বিল ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সব সমাজেই লেনদেন নিষ্পত্তিতে আমরা চেকের ব্যবহার লক্ষ করি। অঙ্গীকারপত্রও পাওনাদারগণ টাকার বিকল্প হিসেবে নেয়। মেয়াদি বিনিময়
বিল ও অঙ্গীকারপত্রে বাট্টাকরণের সুযোগ থাকে। সর্বোপরি এরূপ দলিল আদালতে ঋণের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সে কারণে লেনদেন নিষ্পত্তিতে হস্তান্তরযোগ্য দলিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ৫ টাকার নোটটি হলো সরকারি নোট।
সরকারি নোট দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইস্যু করা হয়। এই নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। জনগণ এটি গ্রহণে আইনত বাধ্য থাকে। উদ্দীপকে জনাব শিবলি তার দেনাদার রব্বানীর কাছ থেকে ১,৭৫,০০০ টাকা পান। এর মধ্যে ৫ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা এবং ১,০০০ টাকার নোট আছে। আমাদের দেশের ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোট বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ইস্যু করা হয়। এই নোটে গণপ্রাজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা আছে। এ নোটগুলোতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর ও বাংলাদেশ সরকারের লোগো থাকে।
তাই বলা যায়, উল্লিখিত ৫ টাকার নোটটি হলো সরকারি নোট।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক নোট বিনিময়ের মাধ্যমে হিসেবে বেশি ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের অনুমতি নিয়ে এই নোট ইস্যু করে। এ নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। সরকারের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক এটির প্রচলন করে। বাংলাদেশে ১, ২ ও ৫ টাকার নোট ছাড়া বাকি সব নোট হলো ব্যাংক নোট।
উদ্দীপকে জনাব শিবলি দেনাদারের কাছ থেকে ১,৭৫,০০০ টাকা পেলেন। এর মধ্যে ৫ টাকা, ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ৫০০ টাকা এবং ১,০০০ টাকার নোট রয়েছে। এখানে ৫ টাকার নোটটি হলো সরকারি নোট। আর বাকি সব নোট হলো ব্যাংক নোট।
বাংলাদেশে ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোটগুলো হলো ব্যাংক নোট। আমাদের দেশে বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যাংক নোট বেশি ব্যবহার করা হয়। কারণ ১, ২ ও ৫ টাকার সরকারি নোট ব্যবহার করে বড় ধরনের লেনদেন করা সম্ভব নয়। এছাড়া সরকারি নোট সহজে রূপান্তর বা ভাঙানো যায় না। উপরিউক্ত আলোচনার আলোকে আমি মনে করি, বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যাংক নোটের ব্যবহার বেশি জনপ্রিয়।
Related Question
View Allচাওয়ামাত্র প্রাপককে অর্থ পরিশোধের জন্য ব্যাংকের এক শাখা, অন্য শাখা বা প্রতিনিধি ব্যাংককে যে লিখিত নির্দেশ দেয় তাকে ব্যাংক ড্রাফট বলে।
মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে গ্রাহক ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন বিল পরিশোধের সুযোগ পায়, যা মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে জনপ্রিয় করেছে।
আধুনিক ব্যাংকিং-এর নতুন সংযোজন হলো মোবাইল ব্যাংকিং। বাংলাদেশে ব্র্যাক ব্যাংক বিকাশ নামে ও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক রকেট নামে এ ধরনের ব্যাংকিং চালু করেছে, যা আমাদের দেশে মোবাইল ব্যাংকিংকে জনপ্রিয় করেছে।
উদ্দীপকে রুবিয়া তার মায়ের নিকট হতে সরকারি নোট পেল।
কোনো দেশের সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত নোটই হলো সরকারি নোট। সরকারের অর্থ মন্ত্রাণালয়ের অধীনে এ নোট ছাপা হয়। এ নোটে সরকারের পক্ষে অর্থসচিব স্বাক্ষর করেন।
উদ্দীপকে উল্লেখ্য, বাজারে যাওয়ার সময় রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আবার তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোট দিল। ২ টাকার নোটে সে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লেখা দেখতে পেল। রুবিয়ার এ ২ টাকার নোটগুলোর সাথে সরকারি নোটের মিল রয়েছে। জনসাধারণের উদ্দেশ্যে সরকার এ ধরনের নোট ইস্যু করে। এ নোটে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার', 'বাংলাদেশ সরকার' শব্দসমূহ লিখা থাকে। এছাড়া, এ নোটের ওপর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের লোগোও থাকে। যা রুবিয়ার ২ টাকার নোটেও রয়েছে। তাই বলা যায়, রুবিয়া তার মায়ের কাছ থেকে সরকারি নোট পেল।
'বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে রুবিয়ার বাবার দেওয়া নোট তার মায়ের দেওয়া নোট থেকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ'- বক্তব্যটির সাথে আমি একমত।
সরকারের অনুমতি নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে কাগজি মুদ্রা বা নোট ইস্যু করে তা হলো ব্যাংক নোট। এ নোটে ব্যাংকের গর্ভনরের স্বাক্ষর থাকে।
বাংলাদেশে ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১,০০০ টাকা ব্যাংক নোট হিসেবে প্রচলিত।
উদ্দীপকে রুবিয়ার বাবা তাকে ৫ টাকা এবং ১০ টাকার কিছু নোট দিল। আর তার মা তাকে ২ টাকার কিছু নোেট দিল। এক্ষেত্রে ৫ ও ১০ টাকার নোট ব্যাংক নোট। অন্যদিকে, ২ টাকার নোেট সরকারি নোট।
১ টাকা ও ২ টাকার সরকারি নোট দিয়ে বড় লেনদেন করা সম্ভব না। উদাহরণস্বরূপ- রুবিয়া মুদি দোকান থেকে পানি কিনে দোকানদারকে ১০০ টাকার একটি নোট দেয়। সে দোকানদারের কাছ থেকে ৫০ টাকার, ২০ টাকার ও ২ টাকার নোটগুলো ফেরত পায়। এক্ষেত্রে দোকানদার সরকারি নোটের মাধ্যমে ফেরত দিতে চাইলে অনেকগুলো সরকারি নোটের প্রয়োজন হতো। আবার রুবিয়ার সরকারি নোটের মাধ্যমে পানি কিনতেও অনেকগুলো নোটের প্রয়োজন পড়তো। কিন্তু ব্যাংক নোটের মাধ্যমে এ লেনদেন খুব সহজে ও অল্প নোটের মাধ্যমে করা যায়। এছাড়া লেনদেন লক্ষ বা কোটিতে করা হলে সরকারি নোটে তা অসম্ভব ছিলো। তাই বলা যায়, বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যাংক নোটই বেশি উপযোগী।
নোট: ২০১৬ সালের জুন মাস থেকে ৫ টাকার নোট সরকারি নোটের অন্তর্ভূক্ত হয়। পূর্বে ৫ টাকার নোট ব্যাংক নোট ছিল। ৫ টাকার নোটকে ব্যাংক নোট ধরে উত্তর দেওয়া হলো।
যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রদত্ত নীতিমালা মেনে চলার শর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে তালিকাভুক্ত হয়ে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হয় তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
সরকারের পক্ষে অর্থসংক্রান্ত কাজ সম্পাদন ও পরামর্শ দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের ব্যাংক বলা হয়।
এই ব্যাংক দেশের ব্যাংক ও মুদ্রা ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিতে সরকারের মালিকানায় ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মালিক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক সরকার। এই ব্যাংক সরকারের পক্ষে অর্থ লেনদেন করে, হিসাব রাখে ও সরকারকে প্রয়োজনে ঋণ দেয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!