যে প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে অর্থের বিনিময়ে বিক্রেতার নিকট থেকে পণ্য বা সেবার মালিকানা ক্রেতার নিকট হস্তান্তরিত হয় তাকে ক্রয় বলে।
পরিবহনের মাধ্যমে স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি হয়।
উৎপাদনের স্থান হতে পণ্য প্রকৃত ভোক্তার নিকট পৌঁছানোর মাধ্যমে স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করা হয়। পণ্য সাধারণত একটি নির্দিষ্ট এলাকায় উৎপাদিত হয়। কিন্তু ভোক্তারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে বিভিন্ন স্থানে। ফলে পণ্য ভোক্তাদের নিকট পৌঁছাতে পরিবহনের প্রয়োজন হয়, যা স্থানগত উপযোগ সৃষ্টি করে।
খামারিদের কাছ থেকে মাছ কিনে বিপুল স্বত্বগত উপযোগ সৃষ্টি করেন।
উৎপাদনকারীর নিকট থেকে ভোক্তার কাছে পণ্যদ্রব্য পৌঁছানোর সাথে যেসব কাজ জড়িত থাকে সেগুলোই বাজারজাতকরণ কার্যাবলি।
উদ্দীপকে খামারিদের নিকট থেকে মাছ কিনে বিপুল স্বত্বগত উপযোগ সৃষ্টি করেছে। বাজারজাতকরণ কার্যাবলির মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রধান কাজ হলো স্বত্বগত উপযোগ সৃষ্টি করা। এর মাধ্যমে পণ্যের মালিকানা ক্রেতার নিকট হস্তান্তরিত হয়। স্বত্ব হস্তান্তরের সাথে অন্যান্য বিষয় জড়িত থাকলেও মূলত বিক্রয়ের মাধ্যমেই স্বত্ব হস্তান্তরিত হয়ে থাকে। এখানে বিপুল একজন পাইকারি ব্যবসায়ী। তিনি মৎস্য খামারিদের নিকট থেকে মাছ কিনে ঢাকার কাওরানবাজারে খুচরা ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় করেন। এর মাধ্যমে মাছের মালিকানা হস্তান্তরিত হয়।
উদ্দীপকের বিপুল গুদামজাতকরণের মাধ্যমে তার ক্ষতি মোকাবিলা করতে পারেন।
পণ্যদ্রব্য উৎপাদনের সময় থেকে ভোগের সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করাই হচ্ছে গুদামজাতকরণ। এর মাধ্যমে এক সময়ের পণ্য অন্য সময়ে পাওয়া যায়।
উদ্দীপকের আলোকে আমার মতে, বিপুল তার ক্ষতি মোকাবিলা করতে পারে গুদামজাতকরণের মাধ্যমে। সকল পণ্য উৎপাদনের সাথে সাথে বিক্রয় ও ভোগ করা যায় না। অনেক পণ্য নির্দিষ্ট মৌসুমে উৎপাদিত হয় কিন্তু তার চাহিদা থাকে সারা বছর। আবার কিছু পণ্য সারা বছর উৎপাদিত হয় আর চাহিদা থাকে নির্দিষ্ট কিছুদিন। এখানে সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম থাকায় মাছ পচে যাওয়ায় প্রায়ই সুমন ক্ষতিগ্রস্ত হন। এক্ষেত্রে মাছ সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণ করে রেখে দিতে পারেন। এর মাধ্যমে মাছের চাহিদা অনুযায়ী বিপুল বাজারে মাছ সরবরাহ করতে পারবেন। এতে মাছ পচে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়াসহ মুনাফা অর্জনে সহায়ক হবে যা গুদামজাতকরণের মাধ্যমে সম্ভব।
Related Question
View Allকভোক্তাদের প্রয়োজন ও অভাবের সন্তুষ্টি বিধানের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে সম্পাদিত সকল কার্যকে বিপণন কার্যাবলি বলে।
"উত্তম ক্রয় বিক্রয়ের অর্ধেক"- উক্তিটি সঠিক ও যথার্থ।
সঠিক মূল্যে মানসম্মত পণ্য ক্রয় করা গেলে সহজেই তা বিক্রয় করা যায়। এভাবে সঠিকভাবে ক্রয় কার্য সম্পাদন করা গেলে বাজার সম্প্রসারণ, উৎপাদন খরচ হ্রাস, ক্রেতা আকর্ষণ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ অত্যন্ত সহজ হয়। ফলে বিক্রয় কাজ অতিদ্রুত সম্পাদন করা যায়। উত্তম পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে সরাসরি অথবা পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ করে অন্য পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয় করা সম্ভব হয়। এতে পণ্য বিক্রয় কার্য অনেক সহজ হয়। তাই উত্তম ক্রয়কে বিক্রয়ের অর্ধেক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মি. জমির কাওরান বাজারে বাঁধাকপি বিক্রির মাধ্যমে বিপণনের পর্যায়িতকরণের কাজটি সম্পাদন করেন।
পূর্বনির্ধারিত মান অনুযায়ী পণ্যকে বিভিন্নভাগে ভাগ করাকে পর্যায়িতকরণ বলে। পর্যায়িতকরণের মাধ্যমে একই গুণাগুণ বা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যকে পৃথক পৃথক শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
উদ্দীপকে মি. জমির ২০ বিঘা জমিতে উৎপাদিত বাঁধাকপি ঢাকার কাওরান বাজারে বিক্রয় করেন। এক্ষেত্রে তিনি বিভিন্ন আকারে বাঁধাকপি আলাদা আলাদা ভাগ করে বিক্রি করেন। পণ্যকে এরূপ আলাদা আলাদা ভাগ করে বিক্রয় করা বিপণনের পর্যায়িতকরণ কাজের অন্তর্গত। তাই বলা যায়, মি. জমির কাওরান বাজারে বাঁধাকপি বিক্রির মাধ্যমে বিপণনের পর্যায়িতকরণের কাজটি সম্পাদন করেন
উদ্দীপকে শপিং সেন্টারের জন্য মি. জমিরের গৃহীত মোড়কীকরণের পদক্ষেপটি অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী।
পণ্যকে নষ্ট হওয়া বা ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার জন্য যে বিশেষ বস্তু বা আবরণ দিয়ে ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করা হয় তাকে মোড়কীকরণ বলে। সঠিক মোড়কীকরণের ফলে পণ্যের মান অক্ষুণ্ণ থাকে এবং ক্রয়-বিক্রয় কাজ সহজ হয়।
উদ্দীপকের মি. জমির নিজস্ব জমিতে বাঁধাকপি উৎপাদন করে ঢাকার কাওরান বাজারসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকার শপিং সেন্টারগুলোতেও বিক্রয় করেন। এক্ষেত্রে তিনি কাওরান বাজারে বাঁধাকপি আলাদা আলাদা ভাগ করে বিক্রি করলেও শপিং সেন্টারগুলোতে মোটা কাগজের আবরণে আবদ্ধ করে বিক্রয় করেন। অর্থাৎ শপিং সেন্টারে বিক্রয়ের সময় বাঁধাকপিকে তিনি মোড়কীকরণের ব্যবস্থা করেন। এতে বাঁধাকপির মান যেমন অটুট থাকে তেমনি এর অধিক মূল্যও পেয়ে থাকেন। এভাবে বিক্রির ফলে মি. জমির সহজেই ব্যবসায়িক সাফল্য ও সুখ্যাতি অর্জন করেন।
সুতরাং বলা যায়, মি. জমির কর্তৃক শপিং সেন্টারের জন্য গৃহীত সিদ্ধান্তটি তার ব্যবসায়িক সফলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত যৌক্তিক হয়েছে
নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য বা সেবা অর্জনের জন্য ক্রেতা যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করে তাকে ঐ পণ্যের মূল্য বলে।
বিপণন মিশ্রণ হলো কতকগুলো নিয়ন্ত্রণযোগ্য এবং কৌশলগত উপাদানের সমষ্টি; যথা: পণ্য, মূল্য, স্থান এবং প্রসার।
বিপণন মতবাদ অনুযায়ী ভোক্তা এবং তাদের প্রয়োজনকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। ভোক্তারা আছে বলেই বিপণন কার্যের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ভোক্তাদের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও বিপণন করা হয়ে থাকে। এজন্য ভোক্তারা বিপণন মিশ্রণের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে। চিত্রে বিষয়টি উপস্থাপন করা হ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!