বিপুল সম্ভাবনার পৃথিবী ছেড়ে, / বাঁধা পড়ে গেছ হেঁশেলের কারাগারে।

মোহময় গিনি, বস্ত্র, অলংকারে / বাঁধা পড়ে গেছে তোমার সোনালি দিন।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ

'অন্ধবধূ' কবিতায় শ্বশুরকন্যাকে বলা হয়েছে ঠাকুরঝি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

'অন্ধবধূ' কবিতায় 'দরদ-ভরা দুঃখের আলাপন' বলতে কবি সহানুভূতিমিশ্রিত বেদনার বা দুঃখের কথোপকথনকে বুঝিয়েছেন।

কবিতায় 'দরদ-ভরা দুঃখের আলাপন' বলতে বোঝানো হয়েছে সেই কথোপকথন, যেখানে বেদনা ও সহানুভূতি মিশে আছে। বধূটি অন্ধ হয়ে অসহায় ও দুর্বিষহ জীবনযাপন করে এবং একলা ঘরের কোণে আবদ্ধ জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। অন্ধবধূ তার হৃদয়ের কষ্ট ও একাকিত্ব দিঘির জলের শীতল পরশের সাথে ভাগ করে নেয়। যেন সে তার মনের ব্যথা প্রকৃতির সঙ্গে ভাগ করে হালকা হতে চায়। এটি একধরনের মানসিক আরামের প্রতীক।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের কবিতাংশের সঙ্গে 'অন্ধবধূ' কবিতাটি যে দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ তা মূলত বিধিনিষেধ, বন্ধন, বঞ্চনা ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষার মধ্যে নিহিত।

আমাদের সমাজে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষেরা অনেক অসহায় জীবনযাপন করে থাকে। তাদেরকে তাদের প্রতিবন্ধিতার কারণে অসহায় মনে করা হয়। এমনকি তারা নিজেরাও এ কারণে নিজেদেরকে অসহায় মনে করে বন্ধ জীবনযাপন করে। কিন্তু তাদের ইন্দ্রিয়সচেতনতা দিয়ে এই প্রতিবন্ধিতা দূর করা সম্ভব।

উদ্দীপকের কবিতাংশে নারীকে 'হেঁশেলের কারাগার'-এ বন্দি দেখানো হয়েছে, যেখানে সে স্বর্ণ, বস্ত্র, অলংকারের মোহে আবদ্ধ হলেও প্রকৃতপক্ষে সম্ভাবনাময় জীবনের স্বাধীনতা হারিয়েছে। এটা যেন এক সামাজিক বঞ্চনার প্রতিচিত্র। অন্যদিকে 'অন্ধবধূ' কবিতাতেও একজন নারী আছেন, যিনি শারীরিকভাবে অন্ধ এবং সামাজিকভাবে বঞ্চিত। তার জীবনে কষ্ট, একাকিত্ব ও অবহেলার চিত্র ফুটে উঠেছে। এই নারীর একাকী যন্ত্রণা এবং শেষ পর্যন্ত মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়েছে দিঘির অতল জলে বিলীন হওয়ার ইচ্ছায়। উদ্দীপকের কবিতায় নারী চায় তার সম্ভাবনাময় দিনগুলো ফিরে পেতে, কিন্তু সমাজের নিয়ম তাকে সে সুযোগ দেয়নি। অন্যদিকে 'অন্ধবধূ' কবিতার নারী মুক্তি খোঁজে মৃত্যুর মাধ্যমে। উদ্দীপকের কবিতার নারী সমাজের দ্বারা অবহেলিত; তার সম্ভাবনাময় জীবন বন্ধনগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। 'অন্ধবধূ' কবিতার নারীও একাকী, তার দুঃখ কেউ বোঝে না, এমনকি তার কান্নারও অনুমতি নেই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের সঙ্গে 'অন্ধবধূ' কবিতাটি সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে নারীর পরিণতির দিক থেকে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের 'হেঁশেলের কারাগার' এবং অন্ধবধূ' কবিতার 'একলা-থাকা-সেই তো গৃহকোণ' বিষয় দুটি একসূত্রে গাঁথা। কারণ দুটিই বন্দিত্ব, একাকিত্ব এবং সামাজিক বিধিনিষেধের প্রতীক, যা নারীজীবনের সীমাবদ্ধতাকে চিত্রিত করে।

পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা অনেকটা অসহায় জীবনযাপন করতে বাধ্য হয়। আবার সেই নারী যদি হয় কোনো বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ, তবে তার অসহায়ত্ব আরও বেড়ে যায়। আমাদের সকলের ভালোবাসা, সহমর্মিতা এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্য দিয়ে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন এই মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

উদ্দীপকের কবিতাংশে নারীর সম্ভাবনাময় জীবন 'হেঁশেলের কারাগারে' আবদ্ধ হয়ে যায়। বস্ত্র, অলংকারের মোহময় জগৎ তাকে সংসারের শৃঙ্খলে বেঁধে ফেলে। তার সোনালি দিনগুলো হারিয়ে যায়। সমাজ তাকে স্বাধীনভাবে বিকশিত হতে দেয় না, বরং গৃহস্থালির কাজে আটকে রাখে। অন্যদিকে 'অন্ধবধূ' কবিতাটিতেও 'একলা থাকা সেই গৃহকোণ' এক নারীর নিঃসঙ্গতা, শূন্যতা ও পরাধীনতার প্রতীক। প্রবাসী স্বামী বা পরিবারের নির্ভরশীলতা তাকে একাকিত্বের গভীরে ঠেলে দেয়। সে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গতার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে এবং অবশেষে 'শ্যাওলা-দীঘির শীতল অতল নীরে' আত্মনিবেদন করে মুক্তি খোঁজে।

উদ্দীপক এবং 'অন্ধবধূ' কবিতা উভয় ক্ষেত্রেই নারীর সামাজিক অবস্থানকে ফুটিয়ে তোলে- একটিতে নারী সংসারের কাজে আবদ্ধ, অন্যটিতে সে একাকিত্বে জর্জরিত। উদ্দীপকের কবিতার নারীকে জীবনের বাস্তবতা বন্দি করে রাখে এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার নারী সেই একাকিত্বের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌছে যায়, যেখানে তার বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষাও ফিকে হয়ে আসে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের 'হেঁশেলের কারাগার' এবং 'অন্ধবধূ' কবিতার 'একলা-থাকা-সেই তো গৃহকোণ' বিষয় দুটি একসূত্রে গাঁথা।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
106

পায়ের তলায় নরম ঠেকল কী!

আস্তে একটু চল না ঠাকুরঝি –

           ওমা, এ যে ঝরা-বকুল ! নয়?

তাইতো বলি, বসে দোরের পাশে,

রাত্তিরে কাল— মধুমদির বাসে

          আকাশ-পাতাল— কতই মনে হয়।

জ্যৈষ্ঠ আসতে ক-দিন দেরি ভাই -

আমের গায়ে বরণ দেখা যায়?

অনেক দেরি? কেমন করে হবে!

কোকিল-ডাকা শুনেছি সেই কবে,

           দখিন হাওয়া – বন্ধ কবে ভাই;

দীঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগে -

শ্যাওলা-পিছল – এমনি শঙ্কা লাগে,

           পা-পিছলিয়ে তলিয়ে যদি যাই!

মন্দ নেহাত হয় না কিন্তু তায়-

অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায় !

দুঃখ নাইকো সত্যি কথা শোন,

অন্ধ গেলে কী আর হবে বোন?

বাঁচবি তোরা – দাদা তো তোর আগে?

এই আষাঢ়েই আবার বিয়ে হবে,

বাড়ি আসার পথ খুঁজে না পাবে -

দেখবি তখন - প্রবাস কেমন লাগে?

‘চোখ গেল’ ওই চেঁচিয়ে হলো সারা ।

আচ্ছা দিদি, কী করবে ভাই তারা-

জন্ম লাগি গিয়েছে যার চোখ !

কাঁদার সুখ যে বারণ তাহার – ছাই!

কাঁদতে পেলে বাঁচত সে যে ভাই,

        কতক তবু কমত যে তার শোক ।

‘চোখ গেল’— তার ভরসা তবু আছে—

         চক্ষুহীনার কী কথা কার কাছে!

টানিস কেন? কিসের তাড়াতাড়ি-

সেই তো ফিরে যাব আবার বাড়ি,

          একলা-থাকা- সেই তো গৃহকোণ—

তার চেয়ে এই স্নিগ্ধ শীতল জলে

দুটো যেন প্রাণের কথা বলে—

দরদ-ভরা দুখের আলাপন;

পরশ তাহার মায়ের স্নেহের মতো

ভুলায় খানিক মনের ব্যথা যত!

Related Question

View All
উত্তরঃ

'মধুমদির বাসে' কথাটির অর্থ মধুর গন্ধে মোহময় সুগন্ধে আচ্ছন্ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
468
উত্তরঃ

'কোকিল-ডাকা শুনেছি সেই কবে' পঙ্ক্তিটি দ্বারা প্রকৃতির বসন্ত ঋতুর শেষ হয়ে আসা এবং জ্যৈষ্ঠ আসার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

'অন্ধবধূ' কবিতায় কবি একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের অনুভবের অসাধারণ জগৎকে তুলে ধরেছেন। প্রকৃতির বিচিত্র রঙের ধারণা ও অনুভবে সে সমৃদ্ধ। কোকিলের ডাকে ঋতু পরিবর্তনের বিষয়টি সে অনুভব করতে পারে। পায়ের তলায় নরম বস্তু যে ঝরা-বকুল সেটি বুঝতে তার অসুবিধা হয় না। সে জ্যৈষ্ঠ আসার দিন অনুমান করতে পারে। মূলত অন্ধ হলেও সে প্রকৃতির কাছে মনের দৃষ্টি মেলে বসে থাকে, আর সেই বসে থাকার মধ্য দিয়ে প্রকৃতির পরিবর্তন অনুভব করতে চায়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
414
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বক্তব্য 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর আশঙ্কার দিকটিকে আলোকপাত করেছে।

মানুষ মরণশীল। প্রত্যেক মানুষকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। জগতের রূপ, রস, গন্ধ, বর্ণ ইত্যাদি দেখার মধ্যে যে আনন্দ, তা আর অন্য কিছুতেই নেই। যাদের দৃষ্টিশক্তি নেই, তারা মনের চোখ মেলে প্রকৃতিকে যতটুকু দেখে তা পূর্ণাঙ্গ নয়।

উদ্দীপকে মানুষের ক্ষণস্থায়ী জীবন অবসানের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। সেখানে গৃহবধূ সুদীপার মধ্য দিয়ে মৃত্যু যে আমাদের সবার দিকেই হাত বাড়াবে সেই সত্যটি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে মৃত্যু সম্পর্কে সুদীপার অনুভবটি মূর্ত হয়ে উঠেছে। উদ্দীপকের এই বিষয়টির সাথে 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর অনুভবটি সম্পর্কযুক্ত। কিছুটা পার্থক্য থাকলেও তাদের মৃত্যুচিন্তাটি একই রকম। দিঘির ঘাটে শ্যাওলাপড়া সিঁড়িতে পা পিছলে ডুবে মারা যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অন্ধবধূ। প্রকৃতির নানা অনুভব থেকে তখন তার মুক্তি হবে বলে সে মনে করেছে। উদ্দীপকে সুন্দর পৃথিবী, ঝিঝি ডাকা সন্ধ্যা, জোছনাভরা রাত ছেড়ে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বিদায় নেওয়ার বিষয়টি অন্ধবধূর মৃত্যু আশঙ্কার সাথে এক এবং অভিন্ন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
281
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের বক্তব্যে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেনি”- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষকে অবশ্যই এ সত্যের মুখোমুখি হতে হয়। জাগতিক নিয়মে মানুষ প্রকৃতির নানা কিছু থেকে ঋণ গ্রহণ করে বেঁচে থাকে। তাদের সেই বেঁচে থাকায় আনন্দ আছে, স্বপ্ন আছে, স্বপ্ন পূরণ না হওয়ার হতাশা আছে, কান্না আছে। এতকিছুর পরও মানুষ স্বপ্ন দেখে, ভালোবাসে, বেঁচে থাকে। যে অন্ধ, তার অনুভূতিতেও প্রকৃতির উপস্থিতি অম্লান হয়ে ধরা দেয়। মানুষ স্বপ্ন দেখতে পারে বলেই এমনটি হয়।

উদ্দীপকে গৃহবধূ সুদীপা মৃত্যুকে অনুভব করছেন তার অনুভূতি দিয়ে। সুন্দর পৃথিবীর প্রকৃতির মোহ বন্ধন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মৃত্যুর দেশে হারিয়ে যেতে হবে তাঁকে। তাঁর এ অনুভব তাঁর একার নয়। বৃহৎ অর্থে এ অনুভব সমস্ত মানুষের। তাঁর এ অনুভবটি ভিন্নভাবে আলোচ্য কবিতার অন্ধবধূর মৃত্যুর আশঙ্কার সাথে সম্পর্কিত। অন্ধবধূ জগৎসংসারের দ্বন্দ্ব চুকিয়ে দেওয়ার বিষয়ে, দিঘির ঘাটে শ্যাওলা জমা সিড়িতে পিছলে জলে ডুবে মরার বিষয়ে ভেবেছে। আর এ বিষয়টির সাথেই উদ্দীপকের ভাবের মিল পাওয়া যায়। তাছাড়া ঋতু পরিবর্তন, কোকিলের ডাক, জ্যৈষ্ঠ মাসে আমের বরণ, ঝরা-বকুল, শীতল জলের স্নিগ্ধতা, মায়ের স্নেহের পরশ ইত্যাদি উদ্দীপকে নেই।

'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূর অন্তর্দৃষ্টিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠা প্রকৃতির সাথে আলোচ্য উদ্দীপকের মিল সামান্যই। 'অন্ধবধূ' কবিতার অন্ধবধূম্র প্রতি পরিবার-পরিজন ও সমাজের অবজ্ঞা এবং অন্ধবধূর একলা থাকা গৃহকোণে ফিরে যাওয়ার তাড়া অনুভব না করাও উদ্দীপকের গৃহবধূ সুদীপার মধ্যে নেই। এসব কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, উদ্দীপকের বক্তব্যে 'অন্ধবধূ' কবিতার সমগ্র ভাবের প্রতিফলন ঘটেনি।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
186
উত্তরঃ

"দিঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগে" বলতে কবি অন্ধবধূর অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিতকরণ বা অনুভূতির তীক্ষ্ণতাকে বুঝিয়েছেন।

সমাজের দৃষ্টিহীনেরা নিজেদের অসহায় ভাবে। তারা সমাজের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ। ইন্দ্রিয়সচেতনতা তাদের এই প্রতিবন্ধিতা দূর করতে পারে। কারণ তারা অনুভবঋদ্ধ মানুষ। 'অন্ধবধূ' কবিতায় দেখা যায়, অন্ধবধূ অন্তর্দৃষ্টি প্রসারিত করে পায়ের নিচে নরম বস্তুর অস্তিত্ব, কোকিলের ডাক শুনে নতুন ঋতুর আগমন, শ্যাওলায় পা রেখে নতুন সিঁড়ি জেগে ওঠার বিষয়গুলো বুঝতে পারে। দিঘির ঘাটে নতুন সিঁড়ি জাগার বিষয়টি অনুমান করে অন্ধবধূ ঋতু পরিবর্তনের অনুমান করার পাশাপাশি পা পিছলে পড়ে যাওয়ার শঙ্কার বিষয়টিও অনুভব করেছে, যা তার অনুভূতির তীক্ষ্ণতার প্রমাণ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
11 months ago
246
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews