বিভিন্ন সমাজ পরিক্রমায় মানব সমাজের বিভিন্ন সময় বা যুগ পরিলক্ষিত হয়। তবে সমাজ পরিবর্তনের ফলে কিছু ভিন্ন ভিন্ন যুগের আবির্ভাব হয়। কিছু যুগ আবার ধাতব পদার্থের নামে নামাংকিত হয়েছে। কিছু কিছু ধাতব পদার্থ আবার একাধিক ধাতব পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরী। জনাব হিমেল ও নীল কান্ত সাহেব একটি নির্দিষ্ট যুগের মানুষ। তারা একাধিক ধাতব পদার্থের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে সমাজকে আধুনিকতার দ্বারপ্রান্তে এনে দেন।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

প্রাচীন প্রস্তর যুগের মানুষ আগুনের ব্যবহার করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সিন্ধু সভ্যতাকে ঐতিহাসিকরা 'হরপ্পা সংস্কৃতি বা সভ্যতা' বলে অভিহিত করেছেন। 

এর প্রধান কারণ হলো ভারতে খননকার্যের ফলে প্রায় ১৫০টি ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে যা হরপ্পার ধ্বংসাবশেষের সমতুল্য। এছাড়া হরপ্পায় প্রাপ্ত নিদর্শনের অনুরূপ নিদর্শন সিন্ধু সভ্যতা সংলগ্ন অঞ্চলগুলোতে পাওয়া গেছে। এসব কারণে সিন্ধু সভ্যতাকে ঐতিহাসিকরা হরপ্পা সংস্কৃতি বা সভ্যতা বলে মনে করেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে একাধিক ধাতব পদার্থের সংমিশ্রণের যুগটি তাম ও ব্রোঞ্জ যুগের সাথে সম্পর্কিত।

উদ্দীপকে দেখা যায়, বিভিন্ন সমাজ পরিক্রমায় মানব সমাজের বিভিন্ন সময় বা যুগ পরিলক্ষিত হয়। তবে সমাজ পরিবর্তনের ফলে কিছু ভিন্ন ভিন্ন যুগের আবির্ভাব হয়। কিছু যুগ আবার ধাতব পদার্থের নামে নামাংকিত হয়েছে। কিছু কিছু ধাতব পদার্থ আবার একাধিক ধাতব পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরী। আমরা জানি, ইউরোপে তামা ও ব্রোঞ্জের যুগের প্রচলন হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে। উৎপত্তিগতভাবে তাম্রযুগ বলতে বুঝায় সেই যুগকে যখন মানুষের যন্ত্রপাতি ও অস্ত্র তৈরির শক্ত উপাদান ছিল তামা। ভারত, ইন্দোচীন ও চীনে প্রথমে তাম্র, পরে ব্রোঞ্জ এবং সর্বশেষ লৌহের প্রচলন শুরু হয়। অন্যদিকে, ব্রোঞ্জ ধাতুর নামানুসারে ব্রোঞ্জ যুগের নামকরণ করা হয়। গ্রিক ও চীনে ব্রোঞ্জ যুগের সূচনা ঘটে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে এবং ব্রিটেনে ঘটে খ্রিষ্টপূর্ব ১৯০০ অব্দে। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের আলোকে একাধিক ধাতব পদার্থের সংমিশ্রণে যুগটি হলো তাম ও ব্রোঞ্জ যুগ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আলোকে হিমেল ও নীল কান্ত সাহেবের বক্তব্যের সাথে তাম ও ব্রোঞ্জ যুগের সমাজব্যবস্থা বা সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্যের মিল লক্ষ করা যায়।

তাম যুগ ছিল মূলত পুরোনো নব্যপ্রস্তর যুগ থেকে ভিন্ন। এ যুগে মানুষ বিভিন্ন ব্যবহার্য যন্ত্রপাতি, অস্ত্রাদি ও গহনাপত্র তৈরির কাঁচামাল হিসেবে তামার ব্যবহার শুরু করে- যা সামাজিক পরিবর্তনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া খনি ও তামার কারণে সমাজে নতুন পেশা, সামাজিক গোষ্ঠী এবং সামাজিক স্তরবিন্যাসের জন্ম দেয়। পাশাপাশি তামার ব্যবসা ও তামার বস্তু দূরবর্তী স্থানের সংস্কৃতির সাথে যোগাযোগ ঘটায়। অন্যদিকে ব্রোঞ্জ যুগে নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটার পাশাপাশি ব্যবসা- বাণিজ্যের ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। উদ্দীপকে হিমেল ও নীল কান্ত সাহেবের যুগে একাধিক ধাতব পদার্থের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে সমাজকে আধুনিকতার দ্বারপ্রান্তে এনে দেয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে তামা ও ব্রোঞ্জ যুগের সমাজব্যবস্থা এবং এ যুগের বৈশিষ্ট্য এবং সংস্কৃতি প্রতিফলিত হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
243

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলাদেশের নগরায়ণ বৃদ্ধির হার দ্রুতগতিতে বেড়ে চলায় সাংস্কৃতিক ব্যবধান দেখা দিচ্ছে। দেশে নগরায়ণ যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে নগর মানসিকতা সে তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে। অর্থাৎ বস্তুজগতের উন্নতির সাথে তাল মিলিয়ে মনোজগতের উন্নতি সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সাংস্কৃতিক ব্যবধান দেখা দিচ্ছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
452
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শিক্ষার্থীরা বগুড়ার মহাস্থানগড় নামক প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে শিক্ষা সফরে গিয়েছে। 

মহাস্থানগড় প্রাচীন বাংলার সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন ও পুরাকীর্তির স্থান। বগুড়া শহর থেকে তেরো কিলোমিটার উত্তরে বর্তমান শিবগঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর তীরে এটি অবস্থিত। এর প্রাচীন নাম পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ডনগর। এক সময় এটি ছিল প্রাচীন বাংলার রাজধানী। মহাস্থানগড়ের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ এগুলোর ওপর ভিত্তি করে বাংলার সামাজিক ইতিহাস রচনা করা সম্ভব হয়েছে। মহাস্থানগড়ে আবিষ্কৃত প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো হলো- বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, পরশুরামের প্রসাদ, গোকুল মেধ, শীলাদেবীর ঘাট, মুনীর ঘোন ইত্যাদি। এছাড়াও মহাস্থানগড়ে আবিষ্কৃত অন্যান্য নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে পোড়ামাটির ফলক, খেলনা, থালা-বাসন, জলপাত্র, রন্ধনপাত্র, সীলমোহর, ব্রোঞ্জের গহনা ইত্যাদি।

উদ্দীপকের শিক্ষার্থীরা বগুড়ার একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে শিক্ষাসফরে গিয়ে পোড়ামাটির ফলক, তামা ব্রোঞ্জের গহনা, পাথরের মূর্তি, সীলমোহর ইত্যাদি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখতে পায়। শিক্ষার্থীদের দেখা এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো বগুড়ার মহাস্থানগড়কে নির্দেশ করে, যা উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শিক্ষার্থীরা বগুড়ার মহাস্থানগড়ে শিক্ষাসফরে গিয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
311
উত্তরঃ

উদ্দীপকের আসহাব সাহেবের বক্তব্যে সমকালীন সামাজিক ইতিহাস রচনা করার ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞান বিষয়টির গুরুত্ব ফুটে উঠেছে।

সমাজবিজ্ঞানকে বলা হয় সমাজকাঠামোর বিজ্ঞান। আর সমাজকাঠামো হলো সমাজের সামগ্রিক ব্যবস্থা। সমাজবিজ্ঞান যেহেতু সমাজকাঠামো তথা ব্যক্তি, গোষ্ঠী, বিভিন্ন অনুষ্ঠান- প্রতিষ্ঠান, মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ও কার্যাবলি, সমাজের অতীত ইতিহাস ইত্যাদি সম্পর্কে পঠন-পাঠন ও গবেষণা করে সেহেতু সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও গভীর জ্ঞান অর্জন করা যায়। উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো এই সমাজকাঠামোরই উপাদান। এ উপাদানগুলোই সমাজ ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। বিশেষ করে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সামাজিক ইতিহাসের অংশ। আর সামাজিক ইতিহাস হলো একটি জাতি বা সম্প্রদায়ের অতীতের নির্দিষ্ট সময়ের সমাজব্যবস্থার পূর্ণ বিবরণ। আমরা জানি, ভবিষ্যৎ সমাজকে সুষ্ঠুভাবে গড়ে তুলতে হলে অতীতের মানব গোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা, আইন-কানুন, রীতি-নীতি জানা দরকার। এক্ষেত্রে সামাজিক ইতিহাসের জ্ঞান খুবই জরুরি। আর সামাজিক ইতিহাস জানতে হলে সমাজবিজ্ঞান পাঠের বিকল্প নেই। কারণ একমাত্র সমাজবিজ্ঞানই সামাজিক ইতিহাস নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করে। তাই বলা যায়, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বিশ্লেষণ করে সামাজিক ইতিহাস রচনা করতে হলে সমাজবিজ্ঞান পাঠের বিকল্প নেই।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
259
উত্তরঃ

সাঁওতালরা রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, মৌলভীবাজার, বগুড়া, ময়মনসিংহ, সিলেট, নওগাঁ, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোরে বাস করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
301
উত্তরঃ

মানুষের জীবনাচরণের সব দিক সংস্কৃতির আওতাভুক্ত হওয়ায় ব্যাপক অর্থে সংস্কৃতি একটি জাতির পরিচয় বহন করে। সংস্কৃতি হলো সমাজস্থ মানুষের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পরিচয়ের সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহনকারী একটি উপাদান। প্রকৃত অর্থে সংস্কৃতি হচ্ছে মানুষের জীবনপ্রণালি। সংস্কৃতি একটি সমাজ বা জাতিকে পরিচালিত করে। সর্বোপরি বলা যায়, সংস্কৃতি একটি সমাজ বা জাতির পরিচয় বহন করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
3.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews