'বিভো' শব্দের অর্থ কী? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 7 months ago
উত্তরঃ

'বিভো' শব্দের অর্থ স্রষ্টা।

106

বিভো, দেহ হৃদে বল!

না জানি ভকতি, নাহি জানি স্তুতি,

কী দিয়া করিব, তোমার আরতি

                       আমি নিঃসম্বল!

তোমার দুয়ারে আজি রিক্ত করে

দাঁড়ায়েছি প্রভো, সঁপিতে তোমারে

                       শুধু আঁখি জল,

                       দেহ হৃদে বল!

 

বিভো, দেহ হৃদে বল!

দারিদ্র্য পেষণে, বিপদের ক্রোড়ে,

অথবা সম্পদে, সুখের সাগরে

ভুলি নি তোমারে এক পল,

জীবনে মরণে, শয়নে স্বপনে

                       তুমি মোর পথের সম্বল;

                       দেহ হৃদে বল!

 

বিভো, দেহ হৃদে বল!

কত জাতি পাখি, নিকুঞ্জ বিতানে

সদা আত্মহারা তব গুণগানে,

                     আনন্দে বিহ্বল!

ভুলিতে তোমারে, প্রাণে অবসাদ,

তরুলতা শিরে, তোমারি প্রসাদ

                    চারু ফুল ফল!

                    দেহ হৃদে বল!

 

বিভো, দেহ হৃদে বল!

তোমারি নিঃশ্বাস বসন্তের বায়ু,

তব স্নেহ কণা জগতের আয়ু,

তব নামে অশেষ মঙ্গল!

গভীর বিষাদে, বিপদের ক্রোড়ে,

একাগ্র হৃদয়ে স্মরিলে তোমারে

                     নিভে শোকানল।

                     দেহ হৃদে বল!

                                          (সংক্ষেপিত)

Related Question

View All
উত্তরঃ

'তোমার দুয়ারে আজি রিক্ত করে'- আলোচ্য উক্তিটির মধ্য দিয়ে কবি বোঝাতে চেয়েছেন তিনি স্রষ্টার স্মরণাপন্ন হয়েছেন নিঃস্ব-রিক্ত হাতে।

কবি ভক্তি বা প্রশংসা করতে না জেনেও কেবল চোখের জলে নিজেকে নিবেদন করেন স্রষ্টার কাছে। বিপদে-আপদে, সুখে-শান্তিতে সব সময় তিনি বিধাতার কাছ থেকে শক্তি কামনা করেন। কবি জানেন, স্রষ্টার অসীম করুণায় বিশ্বের প্রতিটি প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রাণধারণ করে আছে। সুখে-দুঃখে, শয়নে-স্বপনে স্রষ্টাই কবির একমাত্র ভরসার স্থল। কবি তাই চোখের জল আর নিজের দীনতা নিয়ে নিঃস্ব হাতে স্রষ্টার দুয়ারে প্রার্থনা করেন।

257
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সঙ্গে 'প্রার্থনা' কবিতার স্রষ্টার প্রতি কবির অনুরাগ এবং দুঃখ-কষ্টে স্রষ্টার করুণা লাভের প্রত্যাশার দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।

'মানুষ' স্রষ্টার সৃষ্ট জীবের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষের পার্থক্য জ্ঞান-বুদ্ধিতে এবং আচরণে। স্রষ্টা মানুষকে নানাভাবে সহায়তা দান করেন। তাই মানুষকে নিজের এ দীনতা দূর করতে এবং বিপদে-আপদে সাহায্যের জন্য স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করতে হয়।

উদ্দীপকে স্রষ্টাকে স্মরণ করা হয়েছে। সুখের দিনে স্রষ্টাকে ভুলে না যাওয়া এবং দুঃখের সময় তাঁকে মনে করার কথা বলা হয়েছে। এই বিষয়টি 'প্রার্থনা' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'প্রার্থনা' কবিতায় কবি বিপদে-আপদে, সুখে-শান্তিতে সব সময় বিধাতা বা স্রষ্টাকে স্মরণ করার কথা বলেছেন। তাঁর কাছে শক্তি প্রত্যাশা করেছেন। কারণ তাঁর অফুরন্ত দয়াতেই জগতের সবকিছু চলছে। উদ্দীপকের কবির বিশ্বাসবোধ এবং 'প্রার্থনা' কবিতার কবির বিশ্বাসবোধে কোনো পার্থক্য নেই। এই বিবেচনায় উদ্দীপকটি 'প্রার্থনা' কবিতায় প্রতিফলিত সুখে-দুঃখে স্রষ্টার সাহায্য প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

211
উত্তরঃ

উদ্দীপকটি 'প্রার্থনা' কবিতার একটি বিশেষ দিককে নির্দেশ। করলেও সমগ্রভাব প্রকাশে সক্ষম নয়- মন্তব্যটি যথার্থ।

স্রষ্টা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত করার জন্য। মানুষের অন্যতম প্রধান কাজ হলো ইবাদতের মধ্য দিয়ে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জন করা। তাঁকে সন্তুষ্ট করতে হয় কর্মের মধ্য দিয়ে, সেবার মধ্য দিয়ে।

উদ্দীপকে স্রষ্টার অসীম দয়া ও ক্ষমার দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। স্রষ্টাকে সুখে যেমন ভোলা উচিত নয়, তেমনি দুঃখের সময় তাঁর করুণা প্রার্থনা করা উচিত। স্রষ্টাকে না দেখা গেলেও তাঁর সৃষ্টির বিশালতার মাঝে আমরা তাঁকে উপলব্ধি করতে পারি। কবি তাই দুঃখের দিনে স্রষ্টাকেই নিঃশঙ্কোচে স্মরণ করতে চেয়েছেন। এই 'বিষয়টি 'প্রার্থনা' কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। স্রস্টাকে স্মরণ করতে হবে সবার মঙ্গলের জন্য। যন্টার কাছেই কবি শক্তি প্রত্যাশা করেছেন। বিপদে-দারিদ্র্যে কবি কেবল স্রষ্টাকেই স্মরণ করেন। তবে উদ্দীপকে কবিতার মতো স্রষ্টার কাছে সরাসরি প্রার্থনা প্রতিফলিত হয়নি। সেখানে সুখের দিনে স্রষ্টাকে না ভোলা এবং দুঃখের রাতে তার করুণা নিয়ে দ্বিধা না করার কথা বলা হয়েছে মাত্র।

'প্রার্থনা' কবিতায় স্রষ্টার অপার মহিমার কথা বর্ণনা করা হয়েছে, যা উদ্দীপকে সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হয়নি। কবিতায় কবি নিজেকে রিক্ত-শূন্য মনে করেছেন। স্রষ্টার প্রশংসা করার মতো তাঁর যোগ্যতা নেই বলে স্বীকার করেছেন। বিপদে-আপদে, সুখ-দুঃখে, তাঁকে স্মরণ করার কথা বলেছেন। বলেছেন সৃষ্টিজগতের ওপর স্রষ্টার অপরিমেয় আশীর্বাদের কথা। উদ্দীপকে সুখে-দুঃখে স্রষ্টাকে স্মরণ করার বিষয়টি ছাড়া অন্য বিষয়গুলো অনুপস্থিত। এই বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

142
উত্তরঃ

সৃষ্টিকর্তাকে ভক্তি ও তাঁর স্তুতি বা প্রশংসা করার মতো শক্তি কবির না থাকায় তিনি তাঁর কাছে শক্তি কামনা করেছেন।

'প্রার্থনা' কবিতাটি কবি কায়কোবাদের স্তুতিমূলক কবিতা। কবি এখানে স্রষ্টার প্রশংসা ও ভক্তি করার জন্য স্রষ্টার কাছে শক্তি প্রার্থনা করেছেন। স্রষ্টাকে কীভাবে ভক্তি করতে হয়, কীভাবে তাঁর প্রশংসা করতে হয় তা কবির জানা নেই। যে জ্ঞান থাকলে স্রষ্টার গুণ-কীর্তন করা যায় তাও তাঁর নেই। তাই বিপদে-আপদে, সুখে-শান্তিতে সব সময় তিনি স্রষ্টার কাছে শক্তি কামনা করেন।

102
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews