যেসব উদ্ভিদের কাণ্ড নরম, চিকন ও সবুজ বর্ণের হয় তাদের বিরুৎ উদ্ভিদ বলে।
বিরুৎ উদ্ভিদের দুটি উদাহরণ হলো- ধান ও সরিষা।
বিরুৎ ও গুল্ম শ্রেণির উদ্ভিদের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-
| বিরুৎ শ্রেণির উদ্ভিদ | গুল্ম শ্রেণির উদ্ভিদ |
| ১। কান্ড নরম ও চিকন। | ১। কাণ্ড শক্ত ও কম মোটা। |
| ২। মূল বা শিকড় মাটির উপরের স্তরে থাকে। | ২। মূল বা শিকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না। |
Related Question
View Allবৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য হলো-
১। আকারে দীর্ঘ হয়।
২। কান্ড শক্ত প্রকৃতির হয়।
৩। কান্ড থেকে শাখা-প্রশাখা ও পাতা হয়।
৪। মূল মাটির অনেক গভীরে যায়।
গাছের ফুল থেকে বীজ উৎপন্ন হয়। তাই ফুল ছিঁড়লে বীজ উৎপন্ন হবে না। আর বীজ না হলে নতুন চারাগাছ উৎপন্ন হবে না।
পরিচিত একটি উদ্ভিদ হলো গোলাপ গাছ। নিচে গোলাপ গাছের ছবি এঁকে মূল, কাণ্ড ও পাতা চিহ্নিত করা হলো-

কাণ্ডের গঠন অনুযায়ী তিন ধরনের উদ্ভিদ পাওয়া যায়।
যথা: বিরুৎ, গুল্ম ও বৃক্ষ। নিচে এদের উদাহরণ দেওয়া হলো-
১। বিরুৎ: ধান, টমেটো, মরিচ ইত্যাদি।
২। গুল্ম: গোলাপ, জবা, রঙ্গন ইত্যাদি।
৩। বৃক্ষ: আম, কাঁঠাল, বেল ইত্যাদি।
উদ্ভিদ এক ধরনের জীব। যেমন- আম, জাম, মরিচ গাছ।
উদ্ভিদের প্রধান তিনটি অংশ হলো- ১। মূল, ২। কান্ড ও ৩। পাতা।
উদ্ভিদের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-
১। মূল, কাণ্ড ও পাতা থাকে।
২। মূল বা শিকড়ের সাহায্যে মাটিতে আটকে থাকে।
৩। কাণ্ড থেকে শাখা-প্রশাখা, পাতা, ফুল ও ফল হয়।
৪। নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করে।
মূল হলো উদ্ভিদের মাটির নিচের অংশ।
মূলের তিনটি কাজ হলো-
১। মূল গাছকে মাটিতে আটকে রাখে।
২। গাছকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে সহযোগিতা করে।
৩। মাটি থেকে পানি ও পুষ্টি উপাদান শোষণ করে।
মূল ও কাণ্ডের মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-
| মূল | কাণ্ড |
| ১। মূল মাটির নিচে থাকে। | ১। কাণ্ড মাটির উপরে থাকে। |
| ২। মাটি থেকে পানি ও পুষ্টি উপাদান শোষণ করে। | ২। পানি, খনিজ লবণ ও খাদ্য উদ্ভিদদেহের বিভিন্ন অংশে পরিবহন করে। |
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!