বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মহিউদ্দীন আহমদ তার দোকানে ভাইয়ের ছেলে শরীফুলকে ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেন। শরীফুল প্রথম দিকে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করলেও ধীরে ধীরে চাচার সর্বনাশের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। দোকানের অন্য কর্মচারীদের সাথে হাত মিলিয়ে বিক্রির টাকা এদিক-সেদিক করতে থাকে। দোকানে প্রচুর বেচা-কেনা হলেও মাস শেষে লোকসান আসে। মহিউদ্দীন আহমদ বিচক্ষণতার সাথে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শরীফুলের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি নিশ্চিত হন। তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে শরীফুলসহ অন্য কর্মচারীদের বিদায় করে দিয়ে দোকানের পূর্বের অবস্থান ফিরিয়ে আনেন।

Updated: 11 months ago
উত্তরঃ মানিকচাঁদ তিন লক্ষ টাকা খেসারত দিয়ে মুক্তি পেয়েছিল।
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

"লোকবল বাড়ুক আর না বাড়ুক আমাদের অংশীদার বাড়ল তা অবশ্য ঠিক" – এই উক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে বৈধ কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি না পেলেও অবৈধভাবে বা অনৈতিক উপায়ে যারা প্রতিষ্ঠানের লাভ বা সম্পদ থেকে নিজেদের অংশীদার দাবি করে, তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ইঙ্গিত, যেখানে মূল লোকবল একই থাকা সত্ত্বেও মুনাফার অংশ প্রাপকের সংখ্যা বেড়ে যায়।

সাধারণত, যখন কোনো প্রতিষ্ঠানে অসাধু কর্মচারী বা ব্যক্তিরা সুযোগ বুঝে প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ করে বা দুর্নীতির আশ্রয় নেয়, তখন তারা একরকম জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠানের 'অংশীদার' হয়ে দাঁড়ায়। তারা পরিশ্রম না করেও বা প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য কাজ না করেও লাভের ভাগ বসায়, যা বৈধ মালিক বা অংশীদারদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়। উদ্দীপকে শরীফুল এবং তার সহযোগী কর্মচারীরা মহিউদ্দীন আহমদের দোকানের বিক্রির টাকা এদিক-সেদিক করে দোকানের লোকসানের কারণ হয়েছিল, যার মাধ্যমে তাদের অনৈতিক অংশীদারত্বই প্রকাশ পায়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের শরীফুলের কর্মকাণ্ড 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের মীরজাফর, ঘসেটি বেগম এবং অন্যান্য বিশ্বাসঘাতক চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এসব চরিত্রেরা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য বিশ্বস্ততা ও নৈতিকতাকে বিসর্জন দিয়ে ষড়যন্ত্র ও বিশ্বাসঘাতকতার পথ বেছে নিয়েছিল, যা শরীফুলের আচরণের সাথে গভীরভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উদ্দীপকে মহিউদ্দীন আহমদ তার ভাইয়ের ছেলে শরীফুলকে বিশ্বাস করে দোকানের ম্যানেজার পদে নিয়োগ দেন। প্রথমদিকে শরীফুল নিষ্ঠার সাথে কাজ করলেও পরবর্তীতে লোভের বশবর্তী হয়ে চাচার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করে। সে দোকানের কর্মচারীদের সাথে হাত মিলিয়ে বিক্রির টাকা এদিক-সেদিক করতে থাকে, যার ফলে দোকানে প্রচুর বেচাকেনা সত্ত্বেও মাস শেষে লোকসান হয়। এই ঘটনা শরীফুলের চরম অকৃতজ্ঞতা, লোভ এবং আপনজনের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার চিত্র তুলে ধরে।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নওয়াব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে অসংখ্য ষড়যন্ত্রকারী চরিত্র দেখা যায়, যাদের মধ্যে মীরজাফর, ঘসেটি বেগম, রায় দুর্লভ, জগৎশেঠ, উমিচাঁদ প্রমুখ প্রধান। মীরজাফর ক্ষমতার লোভে ইংরেজদের সাথে হাত মিলিয়ে নবাবের বিরুদ্ধে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করে। ঘসেটি বেগম ব্যক্তিগত বিদ্বেষ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে সিরাজের পতন চেয়েছিলেন। রায় দুর্লভ, জগৎশেঠ ও উমিচাঁদও নিজেদের আর্থিক ও রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করতে দ্বিধা করেনি। উদ্দীপকের শরীফুল যেমন নিজের চাচার ব্যবসার সর্বনাশ সাধনের জন্য ষড়যন্ত্র করে, তেমনি 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের এই চরিত্রগুলোও নিজেদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য দেশ ও জাতির সর্বনাশ ডেকে আনে। উভয় ক্ষেত্রেই আপনজনের প্রতি বিশ্বাসভঙ্গ, লোভ এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষতি সাধনের বিষয়টি লক্ষণীয়, যা চরিত্রগুলোর মধ্যে একটি স্পষ্ট সাদৃশ্য স্থাপন করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

মহিউদ্দীন আহমদ ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি এক না হওয়ার মূল কারণ হলো ষড়যন্ত্রের স্বরূপ চিহ্নিতকরণ, পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিচক্ষণতা এবং দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ভিন্নতা। উদ্দীপকের মহিউদ্দীন আহমদ বিচক্ষণতার সাথে ষড়যন্ত্রকারীদের দমন করে সফল হয়েছিলেন, অন্যদিকে নবাব সিরাজউদ্দৌলা গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে করুণ পরিণতি বরণ করেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ব্যবসায়ী মহিউদ্দীন আহমদ নিজের ভাইয়ের ছেলে শরীফুলের বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্রের শিকার হন। শরীফুল দোকানের কর্মচারীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে, যার ফলে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু মহিউদ্দীন আহমদ বিচক্ষণতার পরিচয় দেন। তিনি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শরীফুলের ষড়যন্ত্রের বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তাকেসহ অন্য কর্মচারীদের বিদায় করে দিয়ে দোকানের পূর্বের অবস্থান ফিরিয়ে আনেন। তার এই সচেতনতা, কার্যকর গোয়েন্দা ব্যবস্থা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই তিনি নিজের ব্যবসাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হন।

অন্যদিকে, নবাব সিরাজউদ্দৌলাও তার শাসনকালে গভীর ও ব্যাপক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে মীরজাফর, জগৎশেঠ, উমিচাঁদ, ঘসেটি বেগমসহ স্বজাতি ও ইংরেজদের সম্মিলিত চক্র গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। সিরাজউদ্দৌলা এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত ছিলেন না, তিনি একাধিকবার ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার পদক্ষেপগুলো হয় দেরিতে নেওয়া হয়েছিল, না হয় তা যথেষ্ট কার্যকর ছিল না। ষড়যন্ত্রকারীদের ক্ষমতা ও প্রভাব এতটাই ব্যাপক ছিল যে, তিনি তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং শেষ পর্যন্ত পলাশীর যুদ্ধে মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার ফলে তার পরাজয় ঘটে এবং তিনি নির্মমভাবে নিহত হন।

এভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, উভয়ই বিশ্বাসঘাতকতা ও ষড়যন্ত্রের সম্মুখীন হলেও তাদের পরিণতি ভিন্ন হওয়ার প্রধান কারণ হলো ষড়যন্ত্রের মাত্রা, তা শনাক্ত করার প্রক্রিয়া এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহীত পদক্ষেপের কার্যকারিতা। মহিউদ্দীন আহমদ একটি ছোট পরিসরের ষড়যন্ত্র দ্রুত শনাক্ত করে তা কঠোরভাবে দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। পক্ষান্তরে, নবাব সিরাজউদ্দৌলা একটি বৃহত্তর ও সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন, যা মোকাবিলায় তার দূরদর্শিতা ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব ছিল, যার ফলস্বরূপ তাকে রাজ্য ও জীবন হারাতে হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
68

Related Question

View All
উত্তরঃ আমিনা বেগম

সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম ছিল আমিনা বেগম। তিনি ছিলেন নবাব আলীবর্দি খানের কনিষ্ঠ কন্যা এবং বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার মাতা। মির্জা মুহাম্মদ আলী (যিনি আলীবর্দি খান নামে পরিচিত) এবং শরফুন্নিসা বেগমের পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। নবাব আলীবর্দি খান তাঁর বড় ভাই ও প্রধান সেনাপতি মীর জাফর আলীর সাথে ষড়যন্ত্র করে এবং ইংরেজদের সহায়তায় সিংহাসন দখল করেন। আমিনা বেগম ছিলেন তাঁর দ্বিতীয় সন্তান।

আমিনা বেগম এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা পলাশীর যুদ্ধের পর মীর জাফরের হাতে কারারুদ্ধ হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তাদেরকে মুর্শিদাবাদ থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকায় এক নৌকাডুবির ঘটনায় আমিনা বেগম ও তাঁর বোন ঘসেটি বেগম নিহত হন।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
561
উত্তরঃ

“আমার নালিশ আজ আমার বিরুদ্ধে” – সৈয়দ শামসুল হকের কালজয়ী কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারাজীবন’-এর একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উক্তি। এটি মূলত আত্মানুসন্ধান, আত্মোপলব্ধি এবং গভীর অনুশোচনার বহিঃপ্রকাশ। এই উক্তিটির মধ্য দিয়ে ব্যক্তি বা সমষ্টিগতভাবে নিজেদের ব্যর্থতা, নিষ্ক্রিয়তা বা অন্যায়ের প্রতিবাদ না করার দায় স্বীকার করা হয়েছে।

এর তাৎপর্য হলো, যখন কোনো ব্যক্তি বা জনগোষ্ঠী দীর্ঘকাল ধরে কোনো অন্যায়, শোষণ বা অবিচারের শিকার হয়, তখন এক পর্যায়ে তারা বুঝতে পারে যে তাদের এই বঞ্চনার জন্য শুধুমাত্র অত্যাচারী শাসক নয়, বরং তাদের নিজেদের নীরবতা, অনৈক্য এবং প্রতিবাদহীনতাও দায়ী। এই উক্তির মাধ্যমে সেই আত্ম-আবিষ্কারের যন্ত্রণা এবং দায়বদ্ধতার উপলব্ধি প্রকাশ পায়। এটি নিজের ভেতরের দুর্বলতা, ভীরুতা বা বিভেদকে চিহ্নিত করার একটি সাহসী পদক্ষেপ।

‘নূরলদীনের সারাজীবন’ কাব্যনাট্যে এই উক্তিটি মূলত পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ বাঙালি জাতির দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তা ও আত্মবিস্মৃতির প্রতি ইঙ্গিত করে। এটি শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের হৃদয়ের গভীরে জমে থাকা ক্ষোভ, লজ্জা এবং সেই সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ় সংকল্পকে তুলে ধরে। যখন নালিশ বাইরের শত্রুর বিরুদ্ধে না হয়ে নিজের বিরুদ্ধে হয়, তখন তা এক বিপ্লবী চেতনার জন্ম দেয়। কারণ, নিজের ভুল স্বীকার করার মাধ্যমেই পরিবর্তনের সূচনা হয় এবং আত্মশক্তির প্রকৃত জাগরণ ঘটে। তাই এই উক্তিটি আত্মশুদ্ধি ও ভবিষ্যতের পথচলার জন্য এক নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করে, যা সমষ্টিগত মুক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষাকে জাগিয়ে তোলে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
517
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের পটভূমিগত সাদৃশ্য অত্যন্ত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ। উদ্দীপকে বর্ণিত ইতিহাসের কুটিল বাঁক, বারুদের জয়ধ্বনি, বিশ্বাসঘাতকতা এবং প্রজাপুঞ্জের আর্তনাদ—এ সবই সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মূল পটভূমিকে প্রতিফলিত করে।

"ইতিহাস পথ নিলো কুটিল পদ্মার বাঁকে বাঁকে" এবং "বারুদে জোয়ার লাগে, পীতাঙ্গ গোঁয়ার বান ডাকে" পঙ্‌ক্তিগুলো অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলার সেই রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ঔপনিবেশিক শক্তির (ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি) আগ্রাসী মনোভাবের প্রতি ইঙ্গিত করে, যা সিরাজউদ্দৌলা নাটকের প্রধান উপজীব্য। নবাব সিরাজউদ্দৌলার সময়কালে বাংলা অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিদেশি বণিকদের ঔদ্ধত্যের কারণে এক ভয়াবহ সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছিল, যেখানে বারুদের গন্ধ আর যুদ্ধের হুমকি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার।

এছাড়াও, "আর্তনাদ করে নিতে অগণিত প্রজাপুঞ্জ" সাধারণ মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে, যা নাটকেও প্রতিফলিত হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্য হলো "বিশ্বাসঘাতক প্রভু নিয়েছে বিদায়" বাক্যটি, যা নবাব সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে মীরজাফর, ঘসেটি বেগম ও ইংরেজদের ষড়যন্ত্র এবং মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে পলাশীর যুদ্ধে নবাবের পরাজয় ও ক্ষমতাচ্যুতির ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্পষ্ট করে তোলে। উদ্দীপকের শেষ বাক্য "যে ক্লীব পালাবে তার মুক্তি নেই আর" যেন সিরাজের করুণ পরিণতি এবং বিশ্বাসঘাতকদের চূড়ান্ত বিচারে প্রকৃতির প্রতিশোধের ইঙ্গিত বহন করে, যা নাটকের ট্র্যাজিক পরিণতিতে পরিস্ফুট হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
432
উত্তরঃ

মীর জাফরের পুত্র মীর মীরনের নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়।

Satt AI
Satt AI
1 week ago
2k
উত্তরঃ

সিরাজউদ্দৌলাকে ক্ষমতাচ্যুত করে শওকত জঙ্গকে নবাব বানানোর ষড়যন্ত্রকারীরা মনে করত, তিনি দুর্বলচিত্ত ও বিলাসী হওয়ায় তাঁকে সহজেই হাতের পুতুল করে রাখা যাবে। এর ফলে তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে পারবে এবং নবাবের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে।

মীরজাফর, জগৎশেঠ, রাজবল্লভ প্রমুখ সিরাজবিরোধী শক্তি শওকত জঙ্গকে নবাব পদে বসিয়ে নিজেদের ক্ষমতা ও বিত্তের লোভ পূরণের সুযোগ দেখেছিল। তারা বিশ্বাস করত যে শওকত জঙ্গের মাধ্যমে তারা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে দেশীয় রাজনীতি ও অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিতে পারবে, যা তাদের সকল গোপন উদ্দেশ্য পূরণের মূল চাবিকাঠি ছিল।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews