বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ সরকার নাগরিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে সবাইকে মাস্ক পরা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেয়। সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলোতে "নো মাস্ক নো সার্ভিস" নীতি ঘোষণা করে। আদিল আহমেদ একজন সরকারি কর্মকর্তা। তিনি রাষ্ট্রীয় আইন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুষ্ঠভাবে কাজ সম্পাদন করেন এবং অন্যদেরকেও আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করেন। অথচ তার উচ্চশিক্ষিত ও ব্যবসায়ী ভাই সজীব আহমেদ এ রকম সংকট মুহূর্তে নকল ও নিম্নমানের মাস্ক এবং জীবাণুনাশক সরবরাহ করে উচ্চদামে বাজারে বিক্রি করেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বিবেক হলো সুনাগরিকের জাগ্রত শক্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

সুনাগরিকের গুণাবলি অর্জনের মাধ্যমে একজন নাগরিক সুনাগরিকে পরিণত হতে পারে।

একটি দেশের প্রকৃত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সুনাগরিক। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, সুনাগরিক হতে হলে একজন নাগরিককে তিনটি মৌলিক গুণের অধিকারী হতে হবে। এই তিনটি মৌলিক গুণ হলো- বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার। এই মৌলিক গুণগুলো অর্জনের মাধ্যমে একজন নাগরিক সুনাগরিকে পরিণত হতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের সজীব আহমেদের মধ্যে সুনাগরিকতার আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার গুণগুলো অনুপস্থিত।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে সুনাগরিক হতে হলে একজন নাগরিককে তিনটি মৌলিক গুণের অধিকারী হতে হবে। এ গুণগুলো হলো- বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার। আত্মসংযম নাগরিককে অন্যায় ও অসৎ কাজ (যেমন-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বার্থপরতা, পক্ষপাতিত্ব ইত্যাদি) থেকে বিরত রাখে। বিবেক-বিচার বলতে বোঝায় ভালো-মন্দের জ্ঞান, দায়িত্ব-কর্তব্যের জ্ঞান। বিবেক হলো সুনাগরিকের জাগ্রত শক্তি। একজন বিবেকবান নাগরিক কোনো কাজ করার আগে ভাবেন কাজটি ভালো নাকি মন্দ।

উদ্দীপকের সজীব আহমেদ একজন উচ্চশিক্ষিত ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও ভয়াবহ করোনা সংক্রমণের মধ্যে দেশের সংকট মুহূর্তে নকল ও নিম্নমানের মাস্ক এবং জীবাণুনাশক সরবরাহ করে উচ্চদামে বাজারে বিক্রি করেন। এতে একদিকে তিনি অন্যায় ও অসৎ কাজ করছেন এবং অন্যদিকে দেশ ও জনগণের মঙ্গলের কথা বিবেচনা না করে নিজের স্বার্থকে বড় করে দেখছেন। সুতরাং বলা যায়, সজীব আহমেদ উচ্চশিক্ষিত হলেও তার মধ্যে আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার গুণগুলো অনুপস্থিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
উত্তরঃ

দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আদিল আহমেদের মতো নাগরিকদের গুরুত্ব অপরিসীম।

একটি দেশের প্রকৃত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন সুনাগরিক। উন্নয়নশীল একটি দেশ হিসেবে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের আর্থসামাজিক সমস্যা রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে এ সব সমস্যার সমাধান অপরিহার্য। কিন্তু সরকারের একার পক্ষে তা সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সুনাগরিকের পক্ষে দেশের আর্থসামাজিক সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানে যথাযথ ভূমিকা পালন করা সম্ভব। কারণ তারা বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, বিবেক-বিচারবোধ ইত্যাদির সাহায্যে এসব সমস্যা সমাধানে প্রত্যাশিত ভূমিকা ও দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

উদ্দীপকে উল্লেখিত সরকারি কর্মকর্তা আদিল আহমেদ বৈশ্বিক মহামারী করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় আইন ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি অন্যদেরকেও আইন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করেন। তার এসব কর্মকাণ্ডে একজন সুনাগরিকের পরিচয় ফুটে উঠে।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, দেশের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল এবং একটি উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে আদিল আহমেদের মতো সুনাগরিকের গুরুত্ব অত্যধিক।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
59

রাষ্ট্রের উন্নতি নাগরিকের যোগ্যতা ও দক্ষতার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। সুনাগরিক দেশের জন্য হবে সম্পদ। আর তা না হলে দেশের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হবে। দেশের প্রগতি ও ব্যর্থতা উভয়ই নির্ভর করে নাগরিকের সততা, দক্ষতা এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের উপর। এজন্য নাগরিকদের হতে হবে সুনাগরিক। বর্তমান অধ্যায়ে সুনাগরিকের প্রয়োজনীয় গুণাবলি, এর প্রতিবন্ধকতা, গুরুত্ব ইত্যাদি দিক সম্পর্কে আমরা জানব।

এ অধ্যায় শেষে আমরা-

  • সুনাগরিকের গুণাবলি বর্ণনা করতে পারব;
  • বাংলাদেশে সুনাগরিক হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো বর্ণনা করতে পারব এবং প্রতিবন্ধকতাগুলো দূরীকরণের উপায় ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সুনাগরিকের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • নাগরিকের অধিকার অর্জন ও দায়িত্ব পালন সম্পর্কে বর্ণনা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

সাম্প্রদায়িকতা সুনাগরিকত্ব অর্জনের পথে একটি বড় বাধা হিসেবে কাজ করে।

সাম্প্রদায়িকতার কারণে দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেক সময় বিভেদ ও অশান্তি বিরাজ করে। এতে পারস্পরিক সম্প্রীতি নষ্ট হয় এবং সমাজে সংকীর্ণ ও বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতার উদ্ভব হয়। এর চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গা ও হানাহানি সংঘটিত হয়। এ জন্যই সুনাগরিক হওয়ার পথে অন্যতম অন্তরায় হিসেবে সাম্প্রদায়িকতাকে চিহ্নিত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
398
উত্তরঃ

উদ্দীপকের রিকশাওয়ালার মাঝে সুনাগরিকের 'আত্মসংযম' গুণটি প্রকাশ পেয়েছে।

আত্মসংযম হচ্ছে নাগরিকের এমন গুণ, যা তাকে বিভিন্ন অসৎ কাজ থেকে বিরত রাখে। এ গুণ ব্যক্তিকে দেশ এবং সমাজের স্বার্থে কাজ করতে ও নিয়ম মেনে চলতে অনুপ্রাণিত করে। আত্মসংযমী নাগরিক রাষ্ট্রের নিয়ম-কানুন মেনে চলে, অন্যের মতামতকে শ্রদ্ধা করে, দেশের স্বার্থকে নিজের স্বার্থের চেয়ে বড়ো করে দেখে এবং অন্যায় কাজ ও দলীয় স্বার্থপরতা থেকে বিরত থাকে, মোট কথা একজন সুনাগরিক তার আত্মসংযমের কারণেই সব ধরনের খারাপ কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে সক্ষম হয়।

উদ্দীপকের দুই বান্ধবীর কথোপকথন থেকে জানা যায়, একজন রিকশাওয়ালা তার রিকশায় ওঠা জনৈক যাত্রীর এক লক্ষ টাকার একটি ব্যাগ পেয়েও নেননি, বরং ঠিকানা খুঁজে টাকাটা যাত্রীকে ফেরত দিয়েছেন। এখানে রিকশাওয়ালার মধ্যে আত্মসংযম কাজ করায় তিনি টাকা আত্মসাৎ করেননি। এ গুণের কারণেই তিনি অনৈতিক কাজ থেকে দূরে থেকেছেন এবং নিজেকে সুনাগরিক হিসেবে প্রমাণ করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
206
উত্তরঃ

আমার মতে সুনাগরিক হতে হলে রিকশাওয়ালার উক্ত গুণ তথা 'আত্মসংযম' যথেষ্ট নয়।

সুনাগরিকের তিনটি মৌলিক গুণ থাকা জরুরি। যথা- বুদ্ধি, আত্মসংযম এবং বিবেক। একজন ব্যক্তিকে সুনাগরিক হতে হলে এই তিনটি গুণেরই অধিকারী হতে হবে। কেননা একজন আত্মসংযমী ব্যক্তির পাশাপাশি বুদ্ধিমান ও বিবেকবোধসম্পন্ন নাগরিকও যেকোনো রাষ্ট্রের মূল্যবান সম্পদ।

একজন আত্মসংযমী নাগরিক যেমন অসৎ কাজ থেকে বিরত থেকে দেশ এবং জাতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করেন, ঠিক তেমনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের নানা ধরনের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন। অন্যদিকে বিবেকবান নাগরিক রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি যথাযথভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন এবং ন্যায়ের পক্ষে থাকেন। উদ্দীপকের রিকশাওয়ালা একজন আত্মসংযমী নাগরিক। এ কারণেই তিনি অন্যের টাকা আত্মসাৎ করেননি। তবে তার মধ্যে নাগরিকের মৌলিক গুণাবলির কেবল একটি গুণ লক্ষ করা যায়।

সামগ্রিক আলোচনার পরিয়মাপ্তিতে বলা যায়, সুনাগরিক হতে হলে আত্মসংযমী হওয়ার পাশাপাশি বুদ্ধিমান ও বিবেকবান হওয়া জরুরি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
226
উত্তরঃ

সুনাগরিক হওয়ার ক্ষেত্রে নির্লিপ্ততা অন্যতম বাধা হিসেবে কাজ করে।

কাজের প্রতি নাগরিকদের উদাসীনতাকে নির্লিপ্ততা বলে। বিভিন্ন কারণে নাগরিকদের মধ্যে নির্লিপ্ততা তৈরি হয়। যেমন-নিরক্ষরতা, উপযুক্ত শিক্ষার অভাব, অলসতা, দারিদ্র্য ও কাজে অনীহা। এর কারণে নাগরিক রাষ্ট্রের সামাজিক ও রাজনৈতিক কাজে অংশগ্রহণ করতে চায় না। এমনকি নাগরিক হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব-কর্তব্যও পালন করে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
10 months ago
273
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews