বীনা খাদ্যের কাজ ও উপাদান নিয়ে একটি বই পড়ে জানতে পারলো, খাদ্য গ্রহণের ফলে দেহের গঠন ও বৃদ্ধিসাধন হয়। সে আরও জানতে পারে, কিছু খাদ্য আমাদের হাত, পা বা শরীরের কোনো অংশ কেটে গেলে জোড়া লাগাতে সাহায্য করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ভিটামিন 'ডি'।

উত্তরঃ

সেলুলোজ অনেকগুলো গ্লুকোজ অণুর সমন্বয়ে গঠিত। এই উপাদান কেবল উদ্ভিদে পাওয়া যায়, প্রাণী জগতে পাওয়া যায় না। খাদ্যশস্য যেমন- ধান, গম, যব, ছোলা এবং শাকসবজি প্রভৃতির উপরের কঠিন অংশটা সেলুলোজ। মানবদেহে সেলুলোজ ভাঙার মতো এনজাইম না থাকায় আমাদের দেহ এটি ভাঙতে পারে না। তবে মল নিষ্কাশনে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের দেহের গঠন ও বৃদ্ধিসাধন এবং ক্ষয়পূরণের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- 

খাদ্যের মধ্যে প্রোটিন দেহ গঠনের কাজ করে থাকে। খাদ্যের কাজ হলো শরীর গঠনের মাধ্যমে বৃদ্ধি সাধন করা। খাদ্যের মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান এ কাজগুলো সম্পন্ন করে থাকে। প্রতিনিয়তই আমাদের শরীর ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে, আর এ ক্ষয়প্রাপ্ত দেহ পুনর্গঠন করার কাজও খাদ্যের। প্রতিনিয়তই পুরানো কোষের মৃত্যু ঘটে, যার ফলে কিছু পুষ্টি উপাদান শরীর থেকে বের হয়ে যায়, আর কিছু পুষ্টি উপাদান শরীরে থেকে যায়। এগুলো নতুন কোষ গঠনে অংশ নেয়।

পরিশেষে বলা যায়, প্রত্যেক মানুষের শরীরেই খাদ্য থেকে প্রাপ্ত পুষ্টি উপাদানগুলো এই ক্ষয়পূরণের কাজ করে শরীরকে ক্ষয় হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে এবং দেহ গঠন ও বৃদ্ধিসাধনে সহায়তা করে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে খাদ্যের কাজ দেহের গঠন ও বৃদ্ধিসাধন এবং ক্ষয়পূরণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়া আমাদের শরীর খাদ্য গ্রহণের ফলে অনেক কাজ সম্পন্ন করে।

খাদ্য থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরে যে তাপশক্তি উৎপন্ন করে তার ফলে আমরা কাজ করার ক্ষমতা অর্জন করি। বেঁচে থাকার জন্য রক্ত সঞ্চালন, শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ, খাদ্যের পরিপাক এবং মলমূত্র ত্যাগ অত্যাবশ্যকীয় কাজ, যা সম্পন্ন করতে শক্তি প্রয়োজন। আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। যার জন্য খাদ্যের প্রয়োজন হয়। দেহের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে ও বিভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় খাদ্যের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

খাদ্যের প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ লবণ দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণে শরীর সহজেই সুস্থ থাকে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে অপর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে পুষ্টির অভাব দেখা দেয়।

সুতরাং, খাদ্য শুধু দেহ গঠন ও বৃদ্ধিসাধন বা ক্ষয়পূরণ করে না, আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করে- কথাটি সঠিক ও যথাযথ।

108
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রোটিনকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাঙলে প্রথমে অ্যামাইনো এসিড পরবর্তীতে কার্বন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায়। 

বড় আকারের এক একটি প্রোটিনকে আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে কতগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এসিড অণু পাওয়া যায়। প্রত্যেকটা অণুতে কমপক্ষে ১টি অ্যামাইনো দল (-NH2) ও ১টি কার্বক্সিল দল (-COOH) বিদ্যমান থাকে। এদেরকে অ্যামাইনো এসিড বলে।

470
উত্তরঃ

সানার দেহে প্রোটিনের অভাবে উল্লিখিত সমস্যাগুলো হচ্ছে। 

সানা তার সমবয়সীদের তুলনায় আকৃতিতে ছোট অর্থাৎ তার দৈহিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে এবং ওজন কমে গেছে। সে অল্পতেই রেগে যায় অর্থাৎ তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে গেছে। আবার তার চুলের রং ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। এগুলো প্রোটিনের অভাবজনিত লক্ষণ।

প্রোটিনের প্রথম ও প্রধান কাজ হচ্ছে দেহকোষের গঠন ও বৃদ্ধি সাধন করা। আমাদের দাঁত, চুল, নখ থেকে শুরু করে দেহের অস্থি, পেশি সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। দেহের কোষ সবসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। নতুন কোষ গঠন করে ক্ষয়পূরণের কাজ করে প্রোটিন। এই প্রোটিনের অভাবে মানবদেহে বিভিন্ন রকমের অভাবজনিত লক্ষণ দেখা দেয়, যা সানার মধ্যেও দেখা দিয়েছে।

507
উত্তরঃ

ঘসানার শারীরিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় তার দেহে প্রোটিনের অভাব দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ডাক্তার তাকে প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন।

পুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য সানার প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ প্রোটিন জাতীয় খাবার দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। মানসিক বিকাশের সময় প্রোটিনের অভাব হলে বুদ্ধির বিকাশ ব্যাহত হয়। আর এই উপাদানের ঘাটতি যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে তাহলে তার দেহে আরো বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন- হাত পা ফুলে গিয়ে মুখে পানি এসে কোয়াশিয়রকর (kwashiorkor) দেখা দিতে পারে। এছাড়া দীর্ঘদিন প্রোটিন ও ক্যালরি উভয়েরই অভাব হলে ম্যারাসমাস (marasmus) দেখা দিতে পারে। এ রোগে শিশুরা খুবই শুকিয়ে যায়। অর্থাৎ পরবর্তী জটিলতা এড়ানোর জন্য এবং বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতির মাধ্যমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে ডাক্তারের পরামর্শটি অত্যন্ত যথার্থ হয়েছে।

462
উত্তরঃ

সবচেয়ে বেশি শক্তি উৎপাদনকারী খাদ্য উপাদান হলো স্নেহ পদার্থ।

844
উত্তরঃ

খাদ্য দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয় পূরণ, তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান করে। এছাড়া খাদ্য দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। বেঁচে থাকার জন্য আমাদের শরীরে এ সকল কাজগুলো সম্পাদন হওয়া জরুরি যা খাদ্যের মাধ্যমেই সম্ভব হয়। তাই বলা যায়, খাদ্যই বেঁচে থাকার নিয়ামক।

962
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews