Related Question
View Allনিচে আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গের নাম দেওয়া হলো-
১. সম্যক দৃষ্টি; ২. সম্যক সংকল্প; ৩. সম্যক বাচ্য; ৪. সম্যক কর্ম; ৫. সম্যক জীবিকা; ৬. সম্যক ব্যায়াম; ৭. সম্যক স্মৃতি; ৮. সম্যক সমাধি।
বৃদ্ধ দুঃখকে আট ভাগে বিভক্ত করেন। সেগুলো হলো-
১. জন্ম দুঃখ; ২. জরা দুঃখ; ৩. ব্যাধি দুঃখ; ৪. মৃত্যু দুঃখ; ৫. অপ্রিয় সংযোগ দুঃখ; ৬. প্রিয় বিচ্ছেদ দুঃখ; ৭. ইস্পিত বস্তুর অপ্রাপ্তি দুঃখ; ৮. পঞ্চস্কন্ধময় এ দেহ ও মন দুঃখময়।
একদিন আষাঢ়ী পূর্ণিমার রাতে সিদ্ধার্থ জগতের দুঃখমুক্তির উপায় অন্বেষণে গৃহত্যাগ করেন। আবিষ্কার করেন দুঃখ আর্যসত্য, দুঃখের কারণ আর্যসত্য, দুঃখ নিরোধ আর্যসত্য এবং দুঃখ নিরোধের উপায় আর্ষসত্য। এই চারটি বুদ্ধের পরিভাষায় চতুরার্য সত্য বলা হয়ে থাকে।
চতুরার্য, সত্য হচ্ছে বৌদ্ধধর্মের মূলতত্ত্ব। বুদ্ধ পঞ্চবর্গীয় শিষ্যদের মধ্যে প্রথম চতুরার্য সত্য দেশনা করেন। চতুরার্য সত্য সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায় মানুষ বারবার জন্মগ্রহণ করে দুঃখ ভোগ করে। এই সত্যকে ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারলে পরম শান্তি ও নির্বাণ লাভ সম্ভব।
সিদ্ধার্থ গৃহত্যাগ করে সন্নাসী হয়ে তপস্যার মাধ্যমে দুঃখমুক্তির উপায় হিসেবে চতুরার্য সত্য আবিষ্কার করেন। এগুলো হলো-১. দুঃখ আর্যসত্য; ২. দুঃখের কারণ আর্যসত্য; ৩. দুঃখ নিরোধ আর্যসত্য; ৪. দুঃখ নিরোধের উপায় আর্যসত্য।
জগৎ দুঃখময়। সুখ এখানে ক্ষণস্থায়ী। সুখের আকাঙ্ক্ষা আমাদের তাড়িয়ে বেড়ায়। এই ছুটে চলার মাঝে দুঃখই পাই বেশি। সংসার চক্রে পরিভ্রমণ করে মানুষ দুঃখ ভোগ করে। কিন্তু জ্ঞানের অভাবে আমরা দুঃখকে চিনতে পারি না। তবুও দুঃখই চরম সত্য। একেই বুদ্ধ দুঃখ আর্যসত্য বলেছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!