বর্ষার চিত্র অঙ্কনের দিক থেকে 'বৃষ্টি' কবিতা ও উদ্দীপকের মধ্যে বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
বৃষ্টি প্রকৃতির উপহার। এটি সময়মতো সঠিক পরিমাণে হলে জনজীবন সুন্দর ও নির্মল হয়। বৃষ্টি মানবমনে কল্পলোকে যাওয়ার চেতনা জাগ্রত করে। বৃষ্টি মনের ওপর দারুণ প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
'বৃষ্টি' কবিতায় কবি বহু প্রতীক্ষিত বৃষ্টি আসার পর জনজীবনের স্বস্তির দিকটি তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের কৃষি সেচের জন্য বৃষ্টির ওপর নির্ভর করে। দরিদ্র কৃষকের জীবনে বৃষ্টির আগমন যেন আনন্দের ধারা। বৃষ্টিকে ভর করে বর্ষা এলে পদ্মা-মেঘনা বিধৌত ফসলি জমিতে পলি জমে জমি উর্বর হয়। বৃষ্টি ও বর্ষা খুব উপকারী বিষয় এই বাংলায়। আবার এই কবিতায় বৃদ্ধ রুগ্ধ ব্যক্তির শরীরের মতো প্রকৃতির রুক্ষতাকে উপস্থাপন করা হয়েছে। বৃষ্টির জন্য অপেক্ষার চিত্রকল্প নানা প্রতীকে তুলে ধরা হয়েছে। আর বৃষ্টির আগমনের পর প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে এটির প্রভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অপরদিকে উদ্দীপকের কাব্যাংশে কেবল বৃষ্টিময় দিন অর্থাৎ বর্ষার আবহপূর্ণ প্রকৃতির কথা স্থান পেয়েছে। বর্ষায় রূপকথার কল্পময় জগৎ সৃষ্টির কথা, আর সেই কল্পময় জগতের চাষিদের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ বর্ষার সময় প্রকৃতিতে সৃষ্ট পরিবর্তন ও জনজীবনের কথা উদ্দীপকের কাব্যাংশে প্রকাশ পায়নি, যা 'বৃষ্টি' কবিতার সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ।
Related Question
View AllAnswer
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!