বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে একজন আমদানিকারক একটি ট্রাকে ২ টন মাল আমদানি করছিলেন। যেখানে মালের ওজন ছিল ট্রাকের ওজনসহ ৮ টন। কিন্তু শুল্ক কর্মকর্তার এতে সন্দেহ হয়। তিনি বললেন, মালের ট্রাকটি দেখেই বোঝা যায়, এতে উল্লিখিত পরিমাণের চেয়ে বেশি মাল আছে। কারণ ট্রাকটি যত বেশি বোঝাই তত বেশি ওজন হওয়া স্বাভাবিক। মাল বৃদ্ধির সাথে ওজন বৃদ্ধির একটি সম্পর্ক আছে। পরিশেষে শুল্ক কর্মকর্তা ওজন পরিমাপ করে দেখলেন, মাল ছাড়াই ট্রাকের ওজন মাত্র ৩ টন। 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ব্যতিরেকী পদ্ধতি নিরীক্ষণের উপর প্রতিষ্ঠিত হলে যে ধরনের অনুপপত্তি দেখা যায় তাই হলো কাকতালীয় অনুপপত্তি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে প্রধানত একটি পরীক্ষণ পদ্ধতি বলা হয়। কারণ এ পদ্ধতিতে এমন দুটি দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয় তাতে শুধু একটি বিষয়ে পার্থক্য থাকবে কিন্তু আনুষঙ্গিক অবস্থাগুলো উভয় ক্ষেত্রেই এক বা অপরিবর্তিত থাকবে। কিন্তু দৃষ্টান্ত দুটিকে এরকম সুনির্দিষ্ট অবস্থায় পাওয়া সম্ভব হতে পারে যদি বিষয়টা আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। অর্থাৎ যা আমাদের আয়ত্তের মধ্যে একমাত্র সেগুলোকেই কৃত্রিম উপায়ে একই অবস্থায় রেখে একটি দৃষ্টান্তে একটি বিষয়ের উপস্থিতি এবং অন্য দৃষ্টান্তে তার অনুপস্থিতি শুধু পরীক্ষণ পদ্ধতিতেই সম্ভব হয়। সহজ কথায়, ব্যতিরেকী পদ্ধতিতে যে ধরনের দৃষ্টান্তের প্রয়োজন হয়, ঠিক সে ধরনের দৃষ্টান্ত সরবরাহ করতে পারে বলে ব্যতিরেকী পদ্ধতিকে পরীক্ষণের পদ্ধতি বলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শুল্ক কর্মকর্তার বক্তব্য আমার পঠিত বিষয়ের যে পদ্ধতিকে নির্দেশ করে তা হলো পরিশেষ পদ্ধতি। উদ্দীপকের আলোকে নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো-

'পরিশেষ' শব্দটির অর্থ হচ্ছে বিয়োগ ফল বা অবশিষ্ট অংশ। পরিশেষ পদ্ধতি হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার সাহায্যে আমরা যখন আলোচ্য ঘটনাটির কোনো অংশকে পূর্ববর্তী কোনো ঘটনার কোনো অংশের কার্য বলে জানি তখন আলোচ্য ঘটনাটির অবশিষ্ট অংশকে পূর্ববর্তী ঘটনাটির অবশিষ্ট অংশের কার্য বলে অনুমান করি। মিল পরিশেষ পদ্ধতিকে নিম্নরূপে ব্যক্ত করেন-

"যেকোনো প্রদত্ত ঘটনার যে অংশকে পূর্বে আরোহের মাধ্যমে কতিপয় পূর্ববর্তী ঘটনাসমূহের কার্য বলে জানা যায় সে অংশটি বাদে (প্রদত্ত) ঘটনার অবশিষ্ট অংশ অবশিষ্ট পূর্ববর্তী ঘটনাসমূহের কার্য।” পরিশেষ পদ্ধতি নিচের অপনয়ন সূত্রটির উপর প্রতিষ্ঠিত- "যা ভিন্ন একটি ঘটনার কারণ বলে জ্ঞাত তা কখনো আলোচ্য ঘটনাটির কারণ হতে পারে না।"

কোনো একটি জটিল ঘটনা বিশ্লেষণ করে যদি জানা যায় যে, ঘটনাটির একটা অংশ পূর্ববর্তী কোনো জটিল ঘটনার একটা অংশের কার্য, তবে আমরা জানা অংশকে আলোচ্য ঘটনাটি থেকে বাদ দিই এবং অবশিষ্ট অংশটিকে পূর্ববর্তী ঘটনাটির অবশিষ্ট অংশের কার্য বলে সিদ্ধান্ত নিই।

প্রতীকী দৃষ্টান্ত :

সুতরাং ক হচ্ছে চ এর কারণ, বা চ হচ্ছে ক এর কার্য। লক্ষণীয় যে, এখানে আলোচ্য ঘটনাটি হচ্ছে চ ছ জ। এটি একটি জটিল পরবর্তী ঘটনা এবং ক খ গ হচ্ছে জটিল পূর্ববর্তী ঘটনা। আরোহ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা পূর্ব থেকেই জানি যে, খ হচ্ছে ছ এর কারণ এবং গ হচ্ছে জ এর কারণ। এবার সমস্ত অংশ থেকে জানা অংশ বাদ দিলে বা বিয়োগ করলে পূর্ববর্তী ঘটনাটির মধ্যে ক অবশিষ্ট থাকে এবং পরবর্তী (আলোচ্য) ঘটনাটির মধ্যে চ অবশিষ্ট থাকে। সুতরাং আমরা সিদ্ধান্তে পৌছেছি যে, ক হচ্ছে চ এর কারণ।

উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে শুল্ক কর্মকর্তার বক্তব্যের সাথে আমার পঠিত বিষয়ের পরিশেষ পদ্ধতির সাদৃশ্য রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে মালের ওজন নির্ণয়ের পদ্ধতি হলো ব্যতিরেকী পদ্ধতি এবং শুল্ক কর্মকর্তার বক্তব্য হলো পরিশেষ পদ্ধতি। নিচে এ দুয়ের তুলনামূলক আলোচনা করা হলো-

ব্যতিরেকী পদ্ধতি মূলত একটি পরীক্ষণের পদ্ধতি। পরীক্ষণের উপর নির্ভর করে এ পদ্ধতির সিদ্ধান্ত স্থাপন করা হয় বলে সিদ্ধান্ত খুবই নিশ্চিত হয়। এ পদ্ধতির সাহায্যে কার্যকারণ সম্পর্ককে শুধু আবিষ্কারই করা হয় না, তাকে প্রমাণও করা হয়। অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় ব্যতিরেকী পদ্ধতি খুবই সরল প্রকৃতির। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এ পদ্ধতির ব্যবহার লক্ষ করা যায়। তবে ব্যতিরেকী পদ্ধতি নিশ্চিতভাবে কার্য নির্ণয় করতে সক্ষম হলেও নিশ্চিতভাবে কারণ নির্ণয় করতে পারে না। আবার এ পদ্ধতি পরীক্ষণের পদ্ধতি বিধায় এর সাহায্যে জ্ঞাত কার্যের অজ্ঞাত কারণ প্রমাণ করা যায় না।

অপরদিকে আবিষ্কারের পদ্ধতির মধ্যে পরিশেষ পদ্ধতি অন্যতম একটি মৌলিক পদ্ধতি। এ পদ্ধতি প্রয়োগ করে নেপচুন নামক গ্রহ ও আর্গন নামক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে। অপ্রত্যাশিত ফল লাভের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি খুবই ফলপ্রসূ। এ পদ্ধতির সাহায্যে কারণ থেকে কার্যে এবং কার্য থেকে কারণের দিকে খুব সহজেই অগ্রসর হওয়া যায়। তবে কার্যকরণ সম্পর্ক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একে প্রথমেই প্রয়োগ করা যায় না। এ পদ্ধতিতে একটি শর্তকে সম্পূর্ণ কারণ বলে ভুল করার আশঙ্কা আছে। কোনো বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের প্রাথমিক স্তরে এটি প্রয়োগযোগ্য নয়। আবার প্রকৃতির জটিল ঘটনাবলি সব সময় চুলচেরা গাণিতিক নিয়মে পরিমাপ করা যায় না; তাই গাণিতিক হিসাব-নিকাশ এ পদ্ধতিতে চলে না।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
114
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

যৌথ অন্বয়ী ব্যতিরেকী পদ্ধতিটি আসলে অন্বয়ী পদ্ধতির দ্বিবিধ প্রয়োগ, যা কার্যক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে গেলে দুই ধরনের দৃষ্টান্তগুচ্ছের প্রয়োজন হয়। একটি সদর্থক দৃষ্টান্তগুচ্ছ এবং অন্যটি নঞর্থক দৃষ্টান্তগুচ্ছ। এ পদ্ধতিতে প্রথমত, আলোচ্য ঘটনাটি উপস্থিত থাকে, এমন কয়েকটি দৃষ্টান্ত আহরণ করতে হয়, সে দৃষ্টান্তগুলোতে একটিমাত্র অবস্থার দিক থেকে সবার মধ্যে মিল বা অন্বয় লক্ষ করা যায়।

দ্বিতীয়ত, আলোচ্য ঘটনাটি অনুপস্থিত থাকে এমন কয়েকটি দৃষ্টান্ত সংগ্রহ করতে হয়। কিন্তু লক্ষণীয় যে, সদর্থক দৃষ্টান্তগুচ্ছের মধ্যে যে একটিমাত্র অবস্থা সবসময় উপস্থিত দেখা দিয়েছিল, সেটিই শুধু এ দৃষ্টান্তগুচ্ছে অনুপস্থিত থাকে। কাজেই এ পদ্ধতির মাধ্যমে কার্য থেকে কারণ এবং কারণ থেকে কার্যে গমন করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
360
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তপু লাইব্রেরিতে যুক্তিবিদ্যা বইয়ে কোনো ঘটনাবলির পর্যবেক্ষণ থেকে বাদ দেওয়ার যে বিষয়টি দেখতে পায় তা হলো অপনয়ন। নিচে অপনয়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-

ব্যাপক অর্থে কোনো ঘটনাবলির অনাবশ্যক ও অবান্তর বিষয়কে পর্যবেক্ষণ থেকে বাদ দেওয়াকে অপনয়ন বলে। অপনয়নের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে যুক্তিবিদ কার্ভেথ রিড বলেন, “গুণগতভাবে কোনো ঘটনার কারণ হলো উক্ত ঘটনার অপরিবর্তনীয়, শর্তহীন ও অব্যবহিত পূর্ববর্তী ঘটনা এবং পরিমাণগতভাবে কারণ হচ্ছে কার্যের সমান।"

যুক্তিবিদ বেইন অপনয়নের তিনটি সূত্র এবং যুক্তিবিদ যোসেফ বেইন এর সূত্রের সাহায্যকারী সূত্র হিসেবে সর্বমোট চারটি সূত্রের উল্লেখ করেন। সূত্রগুলো হলো- 

প্রথম সূত্র: যে পূর্ববর্তী ঘটনাকে পরবর্তী ঘটনার কোনো ক্ষতি না করে বাদ দেওয়া সম্ভম্ব, তা কারণের কোনো অংশ হতে পারে না।

দ্বিতীয় সূত্র: যে পূর্ববর্তী ঘটনাকে কোনো পরবর্তী ঘটনার ক্ষতি না করে অপসারণ সম্ভব, তা উক্ত পরবর্তী ঘটনার কারণ বা কারণের অংশ হতে বাধ্য।

তৃতীয় সূত্র: পরিমাণের দিক থেকে পরবর্তী ঘটনার হ্রাস-বৃদ্ধি না ঘটিয়ে যে পূর্ববর্তী ঘটনার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে তা অসম্ভব।

চতুর্থ সূত্র: যা একটি ভিন্ন ঘটনার কারণ বলে পরিচিত, তা কখনোই আলোচ্য ঘটনার কারণ হতে পারে না। 

অপনয়নের উপরিউক্ত সূত্রসমূহ থেকে দেখা যায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সূত্র যথাক্রমে মিল এর অন্বয়ী, ব্যতিরেকী, সহপরিবর্তন ও পরিশেষ পদ্ধতির ভিত্তি। আবার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র দুটি যৌথভাবে যৌথ অন্বয়ী ব্যতিরেকী পদ্ধতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
224
উত্তরঃ

উদ্দীপকে তপুর শেষ উক্তিটি হলো, "উক্ত অধ্যায়ের বৈজ্ঞানিক মতবাদগুলো জানার চেষ্টা করছি।" তপুর উক্তিটি কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ পদ্ধতি অধ্যায়ের বৈজ্ঞানিক মতবাদ থেকে বলা।

বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোনো ঘটনার কারণ হচ্ছে একটি অপরিবর্তনীয়, শর্তহীন পূর্ববর্তী ঘটনা। কালের বিবেচনায় কারণ সবসময়ই কার্যের একটি পূর্ববর্তী ঘটনা। কিন্তু যেকোনো পূর্ববর্তী ঘটনাই কোনো কার্যের কারণ নয়। কারণ হতে হলে তাকে অবশ্যই কার্যের পূর্বে ঘটতে হবে। শুধু তা-ই নয়, কারণ হতে গেলে তাকে শর্তহীনও হতে হবে। অর্থাৎ, ভিন্ন কোনো শর্তের প্রভাবমুক্ত হয়ে সবসময় কার্যের পূর্বগামী হতে হবে। বিজ্ঞানের মতে, কারণ একটি একক ঘটনা নয়। কারণ হচ্ছে সদর্থক ও নঞর্থক শর্তসমূহের একটি সমষ্টি। কোনো একটি কার্য উৎপাদনের জন্য যতগুলো শর্ত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাব বিস্তার করে, তাদের সবগুলোর সমষ্টিকেই কারণ বলে। যুক্তিবিদ বেইন বলেন, “বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে যেসব শর্ত বা অবস্থা কার্য উৎপাদনের পক্ষে প্রয়োজন, তাদের সম্পূর্ণ সমষ্টিকেই কারণ বলে গণ্য করা হয়।" যেমন : নদীতে নৌকা ডুবে একটি ছেলের সলিল সমাধি হলো বা পটল তুলল। এখানে ছেলেটির পটল তোলার ব্যাপারে অনেকগুলো শর্তের সন্ধান পাওয়া যায়। এগুলো হলো নদীর প্রখর স্রোত, দমকা বাতাস, অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই, মাঝির অদক্ষতা ইত্যাদি শর্তের উপস্থিতির পাশাপাশি মাঝির অভিজ্ঞতা, ছেলেটির সাঁতার জ্ঞান, উদ্ধারকারী নৌকা ইত্যাদি শর্তের অনুপস্থিতি। এ ক্ষেত্রে ছেলেটির মৃত্যুর কারণ হচ্ছে সদর্থক বা নঞর্থক শর্তসমূহের সমষ্টি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
219
282
উত্তরঃ

জে. এস. মিল প্রবর্তিত পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির অন্যতম একটি হলো ব্যতিরেকী পদ্ধতি, যা অন্বয়ী পদ্ধতির সমস্যাগুলো দূর করার মানসে অবতারণা করা হয়। ব্যতিরেকী পদ্ধতির অর্থ হচ্ছে পার্থক্যের পদ্ধতি, যা মাত্র দুটি উদাহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এদের একটিতে আলোচ্য ঘটনা এবং তার সাথে অপর একটি অবস্থা উপস্থিত থাকে। দৃষ্টান্ত দুটির মধ্যে অনেক দিক দিয়েই মিল থাকে, শুধু একটি বিষয়ে পার্থক্য থাকে, তা হলো আলোচ্য ঘটনা এবং একটি অবস্থার উপস্থিতি ও অনুপস্থিতি। এদিকে লক্ষ রেখে উভয়ের মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
460
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews