যে নীতির সাহায্যে এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সম্পর্ক স্থাপিত হয় তাই বৈদেশিক নীতি।
বর্তমানে কোনো রাষ্ট্রই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। তাই সব রাষ্ট্রই কোনো না কোনো বিষয়ে অন্য রাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। এজন্য এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। সাধারণত জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বৈদেশিক সম্পর্ক স্থাপন, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করা হয়।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allসার্কের সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্রের নাম আফগানিস্তান।
উদ্দীপকে বর্ণিত 'Z' রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির সাথে আমার পঠিত বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির সাদৃশ্য রয়েছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো- সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে শত্রুতা নয়'। এ নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মনোভাব পোষণ করে। দেশটি পৃথিবীর কোনো দেশ বা জাতির বিরুদ্ধে কোনো প্রকার আক্রমণ পরিচালনা করার দূরভিসন্ধি পোষণ করে না। বাংলাদেশ বিশ্বের সব রাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা ও সম্প্রীতির মনোভাব এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।
উদ্দীপকে 'Z' রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির মূলকথা হলো 'আঞ্চলিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নীতি, স্বাধীন ও জোট নিরপেক্ষ নীতি, পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত'। বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির মূল কথাও তাই। এ নীতির ভিত্তিতে বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোসহ বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে। সুতরাং বলা যায়, 'Z' রাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি তথা বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশ একটি শান্তিকামী রাষ্ট্র। বিশ্বের সব দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কারও সাথে শত্রুতা নেই। বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তিতে বিশ্বাস করে। সেই আলোকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে চেষ্টা করছে।
দেশটি স্বাধীন ও জোট নিরপেক্ষ নীতিতে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশনিজের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রেখে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতায় বদ্ধপরিকর। বিশ্বশান্তির মহানব্রত নিয়ে জাতিসংঘ সনদ, কমনওয়েলথ, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, সার্ক 'প্রভৃতি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংগঠনের নীতি ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রাখে।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ বিভিন্নভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সরকার সেনা ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের পাঠাচ্ছে। এ মিশনে বাংলাদেশর ভূমিকা আজ বিশ্বে সমাদৃত। তাছাড়া বিশ্বের কোনো দেশ বা অঞ্চলের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে বা যুদ্ধ সংঘটিত হলে বাংলাদেশ উদ্ভূত সমস্যা নিরসনের চেষ্টা করে।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ রাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি অর্থাৎ বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
ওআইসি (OIC- Organisation of Islamic Co-operation) হলো বিশ্বের মুসলিম দেশগুলো নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
কমনওয়েলথ হলো সাবেক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত বর্তমানে স্বাধীন এমন রাষ্ট্রসমূহ নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
একসময় প্রায় সারা বিশ্বে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চলগুলো একের পর এক স্বাধীন হতে থাকে। ব্রিটেন ও এর শাসন থেকে মুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সম্পর্কের বন্ধন ধরে রাখার লক্ষ্যে ১৯৪৯ সালে কমনওয়েলথ গঠন করা হয়। ব্রিটেনের রাজা বা রানি হলেন এ সংগঠনটির প্রধান।
ক' সংস্থার সাথে আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের মিল রয়েছে।
বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা বিধানের মহান ব্রত নিয়ে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে উপস্থিত ৫০টি দেশের জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র ১৯৩টি। বিশ্বশান্তি রক্ষা, অনুন্নত রাষ্ট্রগুলোর আর্থ-সামাজিক ও মানবিক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, বিশ্বে ভ্রাতৃত্বমূলক পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্য নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
উদ্দীপকে দেখা যায়, 'ক' রাষ্ট্রের জন্মের পর রাষ্ট্রটি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। সংস্থাটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করার পর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। এরপর থেকে বাংলাদেশ জাতিসংঘের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে আসছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখছে। তাই বলা যায় উদ্দীপকে বর্ণিত সংগঠনটির সাথে আমার পঠিত আন্তর্জাতিক সংগঠন জাতিসংঘের সাদৃশ্য রয়েছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!