'ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও মালিকানা সব দ্বন্দ্ব-সংঘাত এবং শোষণের মূল'-উক্তিটি কার? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

'ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও মালিকানা সব দ্বন্দ্ব-সংঘাত এবং শোষণের মূল'- উক্তিটি জার্মান দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ কার্ল মার্কস-এর। 

739

Origin and Development of Sociology

সামাজিক বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত নবীন একটি শাস্ত্র হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের উদ্ভব উনবিংশ শতকের মধ্যভাগে। পৃথক একটি শাস্ত্র হিসেবে সমাজবিজ্ঞান নবীন হলেও এর উৎপত্তির প্রেক্ষাপট অনেক পুরোনো। বস্তুত মানব সভ্যতার ইতিহাসে সমাজ সৃষ্টির সময় থেকেই এ সম্পর্কিত চিন্তা-ভাবনা শুরু হয়েছে। গ্রিক দার্শনিক প্লেটো, এরিস্টটল, ডায়াজোনিস প্রমুখ সে চিন্তারই উত্তরসূরি। পরবর্তী সময়ে আরব দার্শনিক ইবনে খালদুন তার 'আল-উমরান' প্রত্যয় দিয়ে পৃথক শাস্ত্র হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের যে ভিত্তি স্থাপন করেন, ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁৎ তার পূর্ণতা দেন। এ অধ্যায়ের প্রধান উদ্দেশ্য 'সমাজবিজ্ঞান' সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধাঅধ্যায়ে সমাজবিজ্ঞানের সংজ্ঞা, প্রকৃতি, পরিধি, পাঠের প্রয়োজনীয়তা, উদ্ভব-বিকাশ এবং অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানসমূহের সাথে এর সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা Go to Settings to activate Windows.রণা দেওয়া। এ কারণে বর্তমান

সমাজবিজ্ঞানের উৎপত্তি ও বিকাশ-ড. মো. আবদুল মালেক সরকার -স্যারে লেখা বই

Related Question

View All
উত্তরঃ

আচার-আচরণের পশ্চাতে মানসিক কারণ ছাড়া অর্থনৈতিক, র ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক প্রভৃতি শক্তির প্রভাব রয়েছে।

799
উত্তরঃ

সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে যে কয়েকজন ব্যক্তির অবদান স্বীকার্যক তার মধ্যে ম্যাকিয়াভেলি অন্যতম। সমাজদর্শন প্রচার করতে গিয়ে তিনি বাস্তবতার আশ্রয় নিয়েছেন। এর মাধ্যমে ম্যাকিয়াভেলি নি সমাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তার The Prince গ্রন্থে আলোচনা করেন। তার সমাজ আলোচনার মূল ভিত্তি ছিল মানব প্রকৃতি ও মানব মনোভাব। তৎকালীন সময়ে সমাজের মানুষ যে নৈরাজ্যকর অবস্থায় ছিল ম্যাকিয়াভেলি তার সুষ্ঠু ব্যাখ্যা দেন যা সমাজবিজ্ঞান বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

755
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি হলো ধর্ম। কারণ ধর্ম হচ্ছে অতিপ্রাকৃত শক্তিতে বিশ্বাস। ধর্মে জ্ঞান, অনুভূতি ও ক্রিয়ার এক সার্থক সমন্বয় দেখা দেয়। এছাড়া মানুষ পার্থিব ও অপার্থিব কোনো কিছু পাওয়ার আশায় এ শক্তিতে বিশ্বাস করে। ধর্ম সমাজবিজ্ঞানের পরিধিভুক্ত।

সমাজজীবনে ধর্মের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে জাতি ও গোষ্ঠীগত পার্থক্য এবং শ্রেণিবিভাজন পরিলক্ষিত হয়। ধর্ম মানুষের আচরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ইত্যাদিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সমাজ বা গোষ্ঠীগত স্বকীয়তা দান করে। ধর্মীয় মূল্যবোধ, বিশ্বাস, ধর্মের উৎপত্তি ও এর বিকাশ, ধর্মের গুরুত্ব, ধর্মের প্রভাব, ধর্মের প্রকারভেদ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে এর কার্যকারিতা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সমাজবিজ্ঞান আলোচনা করে থাকে।

সুতরাং আমরা যথার্থই বলতে পারি যে, স্যারের আলোচিত ধর্ম সম্পর্কিত জ্ঞান সমাজবিজ্ঞানের পরিধিভুক্ত।

672
উত্তরঃ

ধর্ম ছাড়াও সকল সামাজিক ঘটনাই সমাজবিজ্ঞানের আলোচ্য বিষয়বস্তুর অন্তর্গত। প্রতিনিয়ত সমাজবিজ্ঞানের নতুন নতুন শাখার উদ্ভব ঘটছে। নিচে সমাজবিজ্ঞানের শাখাসমূহ উল্লেখ করা হলো- মানবসমাজের সবচেয়ে আদিম সংগঠন হলো পরিবার। প্রাচীনকালে পরিবারকে কেন্দ্র করেই মানবসমাজের সব কর্মকাণ্ড সম্পাদিত হতো। সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম শাখা হলো পরিবারের সমাজবিজ্ঞান।

ঐতিহাসিক সমাজবিজ্ঞানে প্রাচীন সমাজ, সমাজের উদ্ভব, বিকাশ এবং বর্তমান সমাজের জীবনযাত্রা সম্পর্কে গবেষণা করা হয়।

সমাজবিজ্ঞানের অন্যতম উপাদান হচ্ছে জনসংখ্যা। জনগণই  সমাজের গোড়াপত্তন করে। সমাজ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন করতে হলে জনসংখ্যার কাঠামো, বণ্টন, বয়ঃকাঠামো, আদমশুমারি, জনসংখ্যা তত্ত্ব ইত্যাদি সম্পর্কে জানা অপরিহার্য।

অপরাধ, অপরাধপ্রবণতা, দারিদ্র্য, কিশোর অপরাধ, অপরাধের কারণ, অপরাধের স্বরূপ প্রভৃতি নিয়ে অপরাধ সমাজবিজ্ঞান আলোচনা করে থাকে।

রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিষয়াদির সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি, গোষ্ঠী তথা নাগরিকের সম্পর্ক নিরূপণ করে।

পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, সমাজবিজ্ঞানের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত।

563
উত্তরঃ

সমাজবিজ্ঞানের বিকাশে আমেরিকান আইনবিদ ও সামাজিক নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন।

ইরোকুয়া ইন্ডিয়ান নৃগোষ্ঠীর উৎপত্তি ও বিবর্তন সম্পর্কে গবেষণা করে হেনরি মর্গান ১৮৭৭ সালে রচনা করেন 'Ancient Society', যেখানে তিনি সমাজ বিবর্তনের তিনটি ধাপ চিহ্নিত করেন; যথা- বন্যদশা, বর্বরদশা ও সভ্যতা। এছাড়া মর্গান আদিম পরিবারব্যবস্থা, বিবাহ এবং সম্পত্তির বিকাশ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করেছেন, যা সামাজিক নৃবিজ্ঞানের ভিত্তিমূল হিসেবে বিবেচিত হয়। বস্তুত নতুন একটি বিজ্ঞান হিসেবে সমাজবিজ্ঞানের পথচলায় লুইস হেনরি মর্গানের বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

849
উত্তরঃ

উদ্দীপকে যে বিষয়টি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে তাহলো ইতিহাস। উদ্দেশ্য ও দৃষ্টিভঙ্গিগত দিক থেকে সমাজবিজ্ঞানের সাথে ইতিহাসের সম্পর্ক নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-

সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাসের মধ্যে দৃষ্টিভঙ্গিগত পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ইতিহাসে কালের সাথে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত মানবীয় বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। পক্ষান্তরে, সমাজবিজ্ঞানে সামাজিক সম্পর্কের দিক থেকে সেসব বিষয়ে বিচার বিশ্লেষণ করা হয়।

সমাজবিজ্ঞান ও ইতিহাসের মধ্যে উদ্দেশ্যগত পার্থক্য লক্ষ করা যায়। স্থান-কালের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন ঘটনার পর্যায়ক্রমিক আলোচনা করাই হলো ইতিহাসের উদ্দেশ্য। পক্ষান্তরে, সমাজবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হলো ঘটনাবলির অন্তর্ভুক্ত আন্তঃমানবিক সম্পর্ক বিষয়ক যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়ন করা।

সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, সমাজবিজ্ঞানের সাথে ইতিহাসের উদ্দেশ্য ও দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে যথেষ্ট পার্থক্য বিরাজমান।

422
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews