Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allব্যক্তিত্ব হল ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বা আচরণ।
ব্যক্তিত্বের সাথে পোশাকের সুনিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। সুন্দর পোশাক বুচিশীল মনের পরিচয় দেয় ও ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। কাজেই রং, উচ্চতা, ওজন, দেহের গঠন, বয়স, মুখের আকৃতি ইত্যাদি বিবেচনা করে পোশাক নির্বাচন ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলে। তাই বলা যায়, পোশাক ও ব্যক্তিত্ব একে অপরের পরিপূরক।
কারিনা কৃষ্ণাকায় ও পাতলা গড়নের। যার ফলে সে নিজের জন্য ঢিলেঢালা কিন্তু উজ্জ্বল গাঢ় রঙের পোশাক পছন্দ করে। পোশাকই ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। তাই প্রতিটি ব্যক্তিকেই দেহাকৃতি, গায়ের রং ও গড়ন অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করা উচিত।
লাল, হলুদ, কমলা রংগুলো গাঢ় ও উজ্জ্বল হওয়ায় দূর থেকে এদের চোখে পড়ে। যেহেতু এইগুলো অগ্রগামী রং, তাই এই রঙের পোশাক পাতলা গড়নের ব্যক্তিকে বাহ্যিক দৃষ্টিতে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের অধিকারী বলে মনে হয়। আর পোশাক ঢিলেঢালা করে তৈরী করলে ব্যক্তিকে আপাতদৃষ্টিতে কিছুটা স্বাস্থ্যবান মনে হয়।
তাই উদ্দীপকে কারিনা পাতলা গড়নের বলে নিজের জন্য ঢিলেঢালা ও উজ্জ্বল রং এর গাঢ় পোশাক নির্বাচন করে। যাতে করে তাকে স্বাভাবিক গড়নের মনে হয়।
উদ্দীপকে কারিনা কৃষ্ণাকায় ও পাতলা গড়নের। কমলের গায়ের রং, উজ্জ্বল ও স্থূলকায়। দুজনই নিজেদের গড়ন অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করে।
কমল গায়ের রং ও গড়ন বিবেচনা করে নিজের জন্য হালকা রং ও ছোট ছাপার পোশাককে প্রাধান্য দেয়। বড় ছাপার নকশাবহুল পোশাকে স্থূলকায় ব্যক্তিকে আরো স্থূলকায় দেখায়। তাই কমল ছোট ছাপাযুক্ত ও হালকা রং এর পোশাক নিজের জন্য নির্বাচন করে। তবে গায়ের রং উজ্জল হলে যেকোন রং এর পোশাকই নির্বাচন করা যেতে পারে।
কারিনা নিজের জন্য ঢিলেঢালা ও উজ্জ্বল রঙের পোশাক পছন্দ করে। কেননা লাল, হলুদ, কমলা রংগুলো অগ্রগামী রং হওয়ায় পাতলা ব্যক্তিকে বাহ্যিক দৃষ্টিতে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের অধিকারী বলে মনে হয়। ঢিলেঢালা পোশাকে ব্যক্তিকে আপাতদৃষ্টিতে স্বাস্থ্যবান মনে হয়।
সুতরাং উদ্দীপকের কারিনা ও কমলের পোশাক নির্বাচন ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী যথার্থ হয়েছে।
পারিপাট্য রক্ষায় পোশাক বিশেষ ভূমিকা রাখে।
সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক বলতে যে পোশাক দেহের সাথে মানানসই এবং সমাজের সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য সেই পোশাককেই বোঝায়। পোশাক দামি না হলেও ব্যক্তিত্বের সাথে মানানসই হতে হবে। সামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাক পরিধানে ব্যক্তির সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।
মুন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমেই নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবে। সুস্বাস্থ্যের অধিকারী না হলে কিংবা দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে অপরিচ্ছন্ন রেখে নিজেকে আকর্ষণীয় করা যায় না। নিম্নলিখিত উপায়ে মুন নিজেকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলতে পারবে-
নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিয়ে, নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে, আত্মনির্ভরশীল হয়ে, উপযুক্ত পরিবেশে পারিপাট্য বজায় রেখে, শরীরের পাশাপাশি পোশাকের পরিচ্ছন্নতার দিকে লক্ষ রেখে, বিভিন্ন পরিবেশে নিজেকে খাপ খাইয়ে। উপরিউক্ত নিয়মাবলির মাধ্যমে মুনের মনে আত্মবিশ্বাস জন্মাবে, মন প্রফুল্ল থাকবে এবং কাজে উৎসাহ পাবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!