ব্যবহারিক ক্লাসে স্যার কতকগুলো প্রাণী, যেমন-তারামাছ, সমুদ্র শশা, হাতুড়ি মাছ, এসিডিয়া, পেট্রোমাইজন এর আদর্শ নমুনা দেখালেন। স্যার প্রাণীগুলো দেখিয়ে বললেন, এরকম আরো লক্ষ প্রজাতির প্রাণীকে পৃথকভাবে শনাক্ত করার একটি পদ্ধতি আছে। যে পদ্ধতির সাতটি ধাপ রয়েছে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

বহুকোষী প্রাণীর পৌষ্টিক নালি এবং দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানকে সিলোম বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

নেমাটোডা ক্ষতিকর কারণ- এ.পর্বের অনেক প্রাণী অন্তঃপরজীবী হিসেবে প্রাণীর অস্ত্র ও রক্তে বসবাস করে। এসব পরজীবী বিভিন্ন প্রাণী ও মানবদেহে বাস করে নানা রকম ক্ষতি সাধন করে। যেমন-গোলকৃমি, ফাইলেরিয়া কৃমি ইত্যাদি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে উল্লেখিত প্রথম প্রাণী দুটি হচ্ছে তারামাছ ও সমুদ্র শশা। এরা উভয়েই একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণী। তারামাছ ও সমুদ্র শশার সাধারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এদের দেহত্বক কাঁটাযুক্ত, দেহ পাঁচটি সমান ভাগে বিভক্ত। এদের পানি সংবহনতন্ত্র থাকে এবং নালি পদের সাহায্যে চলাচল করে। পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে অঙ্কীয় ও পৃষ্ঠদেশ নির্ণয় করা যায় কিন্তু মাথা চিহ্নিত করা যায় না।
এসব বৈশিষ্ট্য একাইনোডার্মাটা পর্বের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হওয়ায় তারামাছ ও সমুদ্র শশা একাইনোডার্মাটা পর্বের প্রাণী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে স্যার শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতির কথা বললেন। নিচে শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করা হলো-

বিশাল জীবজগতকে চেনা বা জানার জন্য এদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্তরে বা ধাপে সাজানো বা বিন্যস্ত করার পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে।
শ্রেণিবিন্যাসের সাহায্যে পৃথিবীর সকল উদ্ভিদ ও প্রাণী সম্বন্ধে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সহজে, অল্প পরিশ্রমে ও অল্প সময়ে জানা যায়।
নতুন প্রজাতি শনাক্ত করতে শ্রেণিবিন্যাস অপরিহার্য। প্রাণিকুলের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন তথ্য ও উপাত্ত পাওয়া যায়। ধীরে ধীরে প্রাণিকুলের মাঝে যে পরিবর্তন ঘটেছে বা ঘটছে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। অসংখ্য প্রাণিকুলকে একটি নির্দিষ্ট রীতিতে বিন্যস্ত করে গোষ্ঠীভুক্ত করা যায়। প্রাণীর মধ্যে মিল-অমিলের ভিত্তিতে পরস্পরের মধ্যে সম্বন্ধ নির্ণয় করা যায়। প্রাণী সম্পর্কে সামগ্রিক ও পরিকল্পিত জ্ঞান নির্ণয় করা যায়। যেমন- সব এককোষী প্রাণীকে একটি পর্বে এবং বহুকোষী প্রাণীদের নয়টি পর্বে ভাগ করা হয়।
অতএব বলা যায়, স্যার যে পদ্ধতির কথা বলেছিলেন তার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
120

পৃথিবীতে অসংখ্য বিচিত্র ছোট বড় প্রাণী বাস করে। এদের মধ্যে রয়েছে নানারকম মিল ও অমিল। এ বৈচিত্র্যময় প্রাণিকূলে রয়েছে আণুবীক্ষণিক প্রাণী অ্যামিবা থেকে শুরু করে বিশাল আকারের তিমি। প্রাণীর বিভিন্নতা নির্ভর করে পরিবেশের বৈচিত্র্যের উপর। ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ ও বাসস্থানে প্রাণিবৈচিত্র্য ভিন্ন রকম হয়। বিশাল এই প্রাণিজগৎ সম্পর্কে জানা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। সহজে সুশৃঙ্খলভাবে বিশাল প্রাণিজগৎকে জানার জন্য এর বিন্যস্তকরণ প্রয়োজন, তার বিন্যস্ত করার পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। শ্রেণিবিন্যাস প্রাণিজগৎকে জানার পথ সহজ করে দিয়েছে।

 

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা-
   • অমেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে পারব;
   • মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস করতে পারব;
   • জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে পারব।

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব প্রাণীর দেহকে কেন্দ্রীয় লম্ব অক্ষ বরাবর কেটে সদৃশ দুইয়ের বেশি সংখ্যক অংশে ভাগ করা যায়, তাদেরকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
468
উত্তরঃ

দোয়েল পাখি উড়তে পারে কারণ দোয়েল পাখি Aves তথা পক্ষীকুল শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত একটি প্রাণী। এ পাখির অস্থি হালকা, ফাঁপা ও বায়ুপূর্ণ। এছাড়াও ফুসফুসের সাথে বায়ুথলি নামক বিশেষ ধরনের অঙ্গ উপস্থিত। যার কারণে দোয়েল পাখি সহজেই উড়তে পারে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
209
উত্তরঃ

চিত্র: A এর প্রাণীটি হচ্ছে তেলাপোকা, যা আর্থ্রোপোডা পর্বভুক্ত। নিচে আর্থ্রোপোডা পর্বের সাধারণ বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হলো-

১.দেহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান।
২. মাথায় একজোড়া পুঞ্জাক্ষি ও অ্যান্টেনা থাকে।
৩. নরম দেহ কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত।
৪. দেহের রক্তপূর্ণ গহ্বর হিমোসিল নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
181
উত্তরঃ

যচিত্র: B হচ্ছে টিকটিকি যা কর্ডাটা পর্বের এবং চিত্র: C হচ্ছে শামুক যা মলাস্কা পর্বের অন্তর্ভুক্ত। জীবজগতে শ্রেণিবিন্যাসের রীতি অনুযায়ী বৈশিষ্ট্যের বিচারে অনুন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের প্রথম দিকে থাকে এবং উন্নত জীবগুলো শ্রেণিবিন্যাসের শেষের দিকে থাকে। এ হিসেবে কর্ডাটা পর্বের প্রাণীরা অন্যান্য প্রাণী অপেক্ষা উন্নত। তাই টিকটিকি শামুক অপেক্ষা উন্নত। নিচে বিষয়টি বিশ্লেষণ করা হলো-

শামুকের দেহ নরম, নরম দেহ শক্ত খোলস দ্বারা আবৃত থাকে। এরা পেশিবহুল পা দিয়ে চলাচল করে। ফুসফুস বা ফুলকার সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। আর টিকটিকির ক্ষেত্রে, এদের সারা জীবন অথবা ভূণ অবস্থায় পৃষ্ঠীয়দেশ বরাবর নটোকর্ড থাকে। নটোকর্ড হলো একটা নরম, নমনীয় দণ্ডাকার দৃঢ় ও অখণ্ডায়িত অঙ্গ। পৃষ্ঠদেশে একক বা ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু থাকে। এই নটোকর্ড এক সময় মেরুদণ্ড দ্বারা
প্রতিস্থাপিত হয়। এই মেরুদন্ড থাকার কারণেই কর্ডাটা পর্বের প্রাণীরা মলাস্কা পর্বের প্রাণী অপেক্ষা উন্নত। তাই আমরা বলতে পারি টিকটিকি ও শামুকের মধ্যে টিকটিকি উন্নত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
132
উত্তরঃ

নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের দেহগহ্বরকে সিলেন্টেরন বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
306
উত্তরঃ

যেসব মেরুদণ্ডী প্রাণী বুকে ভর করে চলে এবং যাদের ত্বক শুষ্ক ও আঁইশযুক্ত তাদেরকে সরীসৃপ প্রাণী বলে। সাপ বুকে ভর করে চলে, এদের ত্বক শুষ্ক ও আঁইশযুক্ত। তাই সাপকে সরীসৃপ প্রাণী বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
275
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews