বেগুনভাজা = ভাজা যে বেগুন (কর্মধারয়)
বেগুনভাজা = ভাজা যে বেগুন (কর্মধারয়)
শশকের ন্যায় ব্যস্ত = কর্মধারয় সমাস
শশব্যস্ত = শশের মতো/ন্যায় ব্যস্ত (কর্মধারয় )
অলুক তৎপুরুষ সমাস। যে সমাসের পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
গায়েপড়া = গায়ে পড়া (অলুক তৎপুরুষ)
বিয়েপাগলা = বিয়ের জন্য পাগলা (৪র্থ তৎপুরুষ )
বিয়েপাগলা = বিয়ের জন্য পাগলা (৪র্থ তৎপুরুষ )
Related Question
View Allনদী মাতৃক (নদী মাতা যার) = বহুব্রীহি সমাস।
বসন্ত সখা = বসন্তের সখা = তৎপুরুষ সমাস
অনশন = ন অশন = নঞ তৎপুরুষ সমাস
সপ্তর্ষি = সপ্ত ঋষির সমাহার = দ্বিগু সমাস
পরানপাখি = পরান রূপ পাখি = রূপক কর্মধারয় সমাস
হাটবাজার = হাট ও বাজার = দ্বন্দ্ব সমাস
আয়কর = আয়ের উপর কর = মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ বা একপদীকরণ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে ।
বাংলাভাষায় সমাসের প্রয়োজনীয়তাঃ
ভাষা সংক্ষিপ্তকরণঃ সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে। যেমন: মাস্টার সাহেবের ঘরে আশ্রিত জামাই বাষ্প চালিত যানে ঢাকা গেলেন। না বলে সংক্ষিপ্তাকারে আমরা বলতে পারি - মাস্টার সাহেবের ঘরজামাই বাষ্পযানে ঢাকা গেলেন।
নতুন শব্দ গঠনঃ সমাস নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: জায়া ও পতি মিলে নতুন শব্দ দম্পতি
ভাষার শ্রুতিমধুরতা বৃদ্ধিঃ সমাস ভাষাকে শ্রুতিমধুর, প্রাঞ্জল ও ছন্দময় করে তোলে। যেমনঃ 'রাজা সিংহ চিহ্নিত আসনে বসে আছেন' না বলে ‘রাজা সিংহাসনে বসে আছেন' বললে বাক্যটি শ্রুতিমধুর হয়।
তুলনাকরণঃ দুই পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতেও সমাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন: বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু সহচর শব্দ গঠনঃ সমাসের মাধ্যমে সহচর শব্দ গঠিত হয়। যেমন: সোনা ও রুপা = সোনারুপা ।
অল্পভাষী = অল্প কথা বলে যে (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!