উত্তরঃ রীতিকে অতিক্রম না করে - অব্যয়ীভাব সমাস

অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায় এবং পূর্বপদটি অব্যয় হয়। ‘যথারীতি’ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের একটি উদাহরণ। এর ব্যাসবাক্য হলো ‘রীতিকে অতিক্রম না করে’।

অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয় পদটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, যেমন:

        
  • সামীপ্য (নৈকট্য): উপকণ্ঠ (কণ্ঠের সমীপে)
  •     
  • সাদৃশ্য: উপশহর (শহরের সদৃশ)
  •     
  • অভাব: নির্জল (জলের অভাব)
  •     
  • পর্যন্ত: আমরণ (মরণ পর্যন্ত)
  •     
  • সদৃশ: প্রতিচ্ছবি (ছবির সদৃশ)
  •     
  • অতিক্রান্ত: যথারীতি (রীতিকে অতিক্রম না করে)
  •     
  • বিরোধ: প্রতিপক্ষ (পক্ষের বিরুদ্ধ)
  •     
  • পশ্চাৎ: অনুগমন (গমনের পশ্চাৎ)

এই সমাসে গঠিত পদটি ক্রিয়া বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয় এবং এর কোনো লিঙ্গান্তর হয় না।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

দর্পের সহিত বর্তমান - অব্যয়ীভাব সমাস।


অব্যয়ীভাব সমাস বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যে সমাসে পূর্বপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদটি অব্যয় হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। এই সমাসে গঠিত সমস্তপদটিও অব্যয়ের ন্যায় কাজ করে এবং এটি সাধারণত বিভিন্ন প্রকার সম্পর্ক (যেমন - নৈকট্য, সাদৃশ্য, অভাব, পর্যন্ত, অতিক্রম, পশ্চাৎ, ক্ষুদ্রতা, এবং 'সহিত' বা 'সমেত') বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

'সদর্প' শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের একটি উদাহরণ। এখানে 'স' একটি অব্যয় যা 'সহিত' বা 'সঙ্গে' অর্থ প্রকাশ করে। এর ব্যাসবাক্য হলো 'দর্পের সহিত বর্তমান' অথবা 'দর্পের সঙ্গে বর্তমান'।

চাকরি পরীক্ষার ক্ষেত্রে অব্যয়ীভাব সমাস নির্ণয় এবং এর ব্যাসবাক্য লেখা অত্যন্ত জরুরি। অন্যান্য উদাহরণ যেখানে 'স' অব্যয়টি 'সহিত' অর্থে ব্যবহৃত হয়:

        
  • সবিস্ময় = বিস্ময়ের সহিত
  •     
  • সবিনয় = বিনয়ের সহিত
  •     
  • সজল = জলের সহিত
Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ নয় অন্য যার - অনন্য (নঞর্থক বহুব্রীহি সমাস)

যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য কোনো তৃতীয় পদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

নঞর্থক বহুব্রীহি সমাস হলো বহুব্রীহি সমাসের একটি প্রকার যেখানে পূর্বপদটি একটি নঞর্থক (নেতিবাচক) অব্যয় দ্বারা গঠিত হয়, যেমন - অ, না, নি, নেই ইত্যাদি। এই সমাসের দ্বারা এমন কিছু বোঝানো হয় যার মধ্যে পূর্বপদের দ্বারা নির্দেশিত গুণ বা অবস্থা অনুপস্থিত।

যেমন, 'অনন্য' শব্দটি 'নয় অন্য যার' ব্যাসবাক্যের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে। এখানে 'অ' (নঞর্থক অব্যয়) এবং 'অন্য' একত্রিত হয়ে এমন একটি সত্তাকে বোঝায় যা অন্য কিছুর মতো নয়, অর্থাৎ অদ্বিতীয় বা অতুলনীয়। এটি দ্বারা একটি তৃতীয় স্বতন্ত্র বস্তুকে বোঝানো হচ্ছে যেখানে 'অন্যত্ব' অনুপস্থিত।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
উত্তরঃ

কু যে আচার – কর্মধারয় সমাস


যে সমাসে বিশেষণ পদ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য পদ বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এই সমাসে উভয় পদই একই ব্যক্তি, বস্তু বা গুণকে বোঝায়। ‘কদাচার’ শব্দটি ‘কু’ (মন্দ বা খারাপ) এবং ‘আচার’ (আচরণ) এই দুটি পদের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে ‘কু’ একটি বিশেষণ হিসেবে ‘আচার’ নামক বিশেষ্য পদটিকে বিশেষিত করেছে।

কর্মধারয় সমাসের ক্ষেত্রে সাধারণত একটি পদের দ্বারা অন্য পদটির গুণ, ধর্ম, অবস্থা বা প্রকৃতি বোঝানো হয়। ‘কদাচার’ শব্দে ‘কু’ (মন্দ বা খারাপ) হচ্ছে ‘আচার’ এর বিশেষণ, অর্থাৎ এটি মন্দ আচার বোঝায়। যেহেতু এখানে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সমাস হয়েছে এবং পরপদ ‘আচার’-এর অর্থ প্রধান, তাই এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। অন্যান্য কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ হলো: নীলপদ্ম (নীল যে পদ্ম), মহাজন (মহৎ যে জন), সৎপাত্র (সৎ যে পাত্র)।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
149

সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। যেমন : দেশের সেবা = দেশসেবা, বই ও পুস্তক = বইপুস্তক, নেই পরোয়া যার বেপরোয়া। বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের = সৃষ্টি। সমাস দ্বারা দুই বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে নতুন অর্থবোধক পদ সৃষ্টি হয়। এটি শব্দ তৈরি ও প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। তবে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্তও প্রচুর পাওয়া যায়। সেগুলোতে সংস্কৃতের নিয়ম খাটে না।

সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ।

 

সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় উত্তরপদ বা পরপদ ।

সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। উদাহরণ-বিলাত – ফেরত রাজকুমার সিংহাসনে বসলেন। এখানে বিলাত-ফেরত, রাজকুমার ও সিংহাসন এ তিনটিই - সমাসবদ্ধ পদ। এগুলোর গঠন প্রক্রিয়া ও রকম বিলাত হতে ফেরত, রাজার কুমার,সিংহ চিহ্নিত আসন এগুলো হচ্ছে ব্যাসবাক্য। এসব ব্যাসবাক্যে 'বিলাত’, ফেরত’, ‘রাজা, ‘কুমার,’ ‘সিংহ’, ‘আসন' হচ্ছে এক একটি সমস্যমান পদ। আর বিলাত-ফেরত, রাজকুমার এবং সিংহাসন সমস্ত পদ। বিলাত, রাজা ও সিংহ হচ্ছে পূর্বপদ এবং ফেরত, কুমার ও আসন হচ্ছে পরপদ। -

 

সমাস প্রধানত ছয় প্রকার : দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস ।

 

[ দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেছেন। এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি : দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, অব্যয়ীভাব। কিন্তু সাধারণভাবে ছয়টি সমাসেরই আলোচনা করা গেল। এছাড়া, প্রাদি, নিত্য, অলুক ইত্যাদি কয়েকটি অপ্রধান সমাস রয়েছে। সংক্ষেপে সেগুলোরও আলোচনা করা হয়েছে। ]

Related Question

View All
উত্তরঃ

হতশ্রী (হত হয়েছে শ্রী যার) = সমানাধিকার বহুব্রীহি।

PRONAY TIRKI
PRONAY TIRKI
2 years ago
308
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews